মেরিকামায়া সাতকাহন : শেষবারের মতো এস আই ইউ আর সাণ্ডবার্গ

ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমেরিকা-জীবন এবং স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন – পর্ব ৪৯

ডঃ সাণ্ডবার্গের সঙ্গে ডঃ পার্থ, এস আই ইউ লাইফ সায়েন্স বাড়ির সামনে। সেই শেষ দেখা

অষ্টচত্বারিংশ পর্বের পর

মার বাবা জিতেন্দ্রনাথ তিনবার আমেরিকা ঘুরে গেছেন। প্রথমবার তিরানব্বইতে এসেছিলেন একা। আমরা সেই অলব্যানির মিনি এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে এলাম আমাদের মেরুন নিসান সেন্ট্রা গাড়ি করে। বলাই বাহুল্য, আমেরিকায় এসব ছোটো ছোটো শহরে কোনো ট্রাম নেই, বাস যা আছে তা না থাকারই মতো, আর মেট্রো তো ভাবাই যায় না। কেউ জানেই না, আমেরিকায় গাড়ি ছাড়া এক পা চলা যায় না। সবাই ভাবে, আহা, কী স্বর্গ তোদের এই আমেরিকা। কত গাড়ি!

কেউ জানেই না আহা কত গাড়ি, কারণ গাড়ি ছাড়া এ বাড়ি থেকে যাওয়া যায় না ওবাড়ি। তাই এতো গাড়ি।

দ্বিতীয়বার বাবা এসেছিলেন মুক্তির সঙ্গে দুহাজার চারে। তখন আমরা নিউ ইয়র্ক শহরে চলে গেছি, কিন্তু তেমনভাবে পায়ের তলায় জমি পাইনি। আবার একটা নতুন সংগ্রামের জীবন শুরু হয়েছে। আমার জীবনের একের পর এক উত্তেজনাপূর্ণ রাহাস রোমান্চ – জটায়ুর ভাষায়। এখানে ভিলেন মন্দার বোস নয়, হেমাঙ্গ হাজরা নয়, মগনলাল মেঘরাজ নয়। এখানে এই উপনিয়াসের খলনায়ক হলো দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তা, মৃদু এবং খর রেসিজম, আর অশিক্ষিত বর্বর থেকে অতি শিক্ষিত আমেরিকানদের কাছে পাওয়া হিউমিলিয়েশন।

স্ট্যাচু অফ লিবার্টির সামনে লঞ্চে বাবা

সেই যে নিউ ইয়র্কে সবে সবে যাওয়ার পরে এই উচ্চকোটির পাড়া পার্ক স্লোপের এক শ্বেতাঙ্গ জজ বলেছিলেন মুখ বেঁকিয়ে, “এতো কম রোজগার নিয়ে নিউ ইয়র্কে বাস করতে এসেছো?” 

তাঁর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই ছিলো না। হয়েছিল, কারণ তিনি ছিলেন আমার মেয়ের বিখ্যাত স্টাইভেসেন্ট হাই স্কুলের আর এক অভিভাবক। পঁচিশ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে যে চারশো জনকে নিউ ইয়র্ক শহরের সবচেয়ে নামকরা সরকারি হাই স্কুল অ্যাডমিশন দিয়েছিলো, মেয়ে তার মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল নিজের চেষ্টায়। সেখানে গিয়ে দেখলাম, হাই স্কুলের বাড়ির মধ্যে অলিম্পিক সাইজ সুইমিং পুল, আর একতলা থেকে ন’তলা পর্যন্ত এসক্যালেটর। অভিভাবকরা প্রায় সবাই উচ্চবিত্ত ইহুদি, যারা এই ফ্রী এডুকেশনের সুযোগ নিচ্ছে। তাদের ছেলেমেয়েরা তো রেজাল্ট ভালো করবেই, কারণ শৈশব থেকেই দারুন ভালো ভালো স্কুলে পড়াশোনা করে এসেছে।

জিতেন্দ্রনাথ দেখে গেছেন আমার সেই কাজের ছোট্ট সংগঠন। তখন আমি সে সংগঠন ছেড়ে নিউ জার্সি ইমিগ্রেশন পলিসি নেটওয়ার্ক নামের আরো এক বড়ো সংগঠনে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পদে যোগ দিতে চলেছি। নাইসের প্রাণপুরুষ ব্রায়ান পু-ফোকস, ট্রাস্টি জেসিকা গঞ্জালেজ, সহকর্মী শেরিল আর শার্লি সবাই মিলে আমাকে, মুক্তিকে আর বাবাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ফেয়ারওয়েল পার্টি দিলো। ব্রায়ানের বাবা ব্ল্যাক-আমেরিকান জ্যামাইকান, মা বার্মার। জেসিকা এদেশে বড়ো হওয়া হিস্প্যানিক। শেরিল বিশুদ্ধ শ্বেতাঙ্গিনী আমেরিকান, আর শার্লি চাইনিজ আমেরিকান। পার্থ কলকাতার বাঙালি ভারতীয়।

স্টাইভেসান্ট হাই স্কুলের দেড় হাজার ছাত্রছাত্রীর মধ্যে কিন্তু সব মিলিয়ে তিন কিংবা চারজন কৃষ্ণাঙ্গ। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। তিন কিংবা চারজন। 

কেন বলুন তো? না, ওরা সবাই ক্রিমিনাল আর অশিক্ষিত নয়। ওরাও লেখাপড়ায় খুব ভালো হতে চায়। কিন্তু ওদের বাবা মায়ের ক্ষমতা নেই শৈশব থেকে ওদের ভালো ভালো স্কুলে পড়ানোর। হিস্প্যানিক সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরাও তাই। ওয়াল স্ট্রীট আর সেই সময়কার বিশ্ববিখ্যাত টুইন টাওয়ার্স থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে স্টাইভেসান্ট হাই স্কুলে তাই হয়তো এক হাজার শ্বেতাঙ্গ এবং ইহুদি, কিছু ভারতীয় ও বাঙালি ও পাকিস্তানী, আর প্রায় চল্লিশ শতাংশ চাইনিজ ও কোরিয়ান। ওরা উচ্চবিত্ত নয়, কিন্তু ওদের শিক্ষার নেটওয়ার্ক এমন উঁচুদরের যে স্টাইভেসান্ট বলুন বা অন্য বড়ো বড়ো স্কুল বলুন, সেখানে ভর্তির পরীক্ষার জন্যে ওরা পাগলের মতো পরিশ্রম করে। 

অবশ্য আমার মেয়েকেও করতে হয়েছিল। অলব্যানি থেকে সবেমাত্র গিয়ে ছ’মাস সে পড়েছিল আমাদের ব্রুকলিনের একটা মোটামুটি ভালো পাবলিক মিডল স্কুলে, অষ্টম শ্রেণীতে। সেখান থেকে এক লাফে ভর্তি হয়ে গেলো নিউ ইয়র্কের অমূল্য এই “সাই হাই” নামাঙ্কিত তিনটে স্কুলের একটায়।

আমাদের মেয়ে চিরকালই আমাদের এভাবেই নিশ্চিন্ত করে এসেছে। কোনোদিন দেখিনি সারারাত বই মুখে নিয়ে বসে আছে। বড়ো বড়ো পরীক্ষার সময়েও সে একেবারেই নিশ্চিন্ত, নিরুত্তাপ। পরীক্ষাভীতি কোনোদিন দেখিনি তার মধ্যে।

এস আই ইউ লাইফ সায়েন্স বাড়ির সামনে বাবা, মুক্তি ও আমাদের মেয়ে নন্দিনী

অনেক অনেক ছোটোবেলায় যখন সে সেই কার্বনডেলের প্রি-কিন্ডারটেনে সবেমাত্র যেতে শুরু করেছে, তখন থেকেই সে সবার প্রিয়। আজ সে এক সন্তানের মা। স্বামী কন্যা নিয়ে সুখে জীবন কাটাচ্ছে সে। তার মধ্যে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির মতো আর এক বিখ্যাত আইভি লীগ স্কুল থেকে সে সংগীত-নৃতত্ত্বে পিএইচডি ডিগ্ৰী অর্জন করে ফেললো। নিউ ইয়র্কের দুটি কলেজে সে এখন এশিয়ান মিউজিকের ক্লাস পড়ায়। অধ্যাপিকা ডঃ নন্দিনী ব্যানার্জী-দত্ত। স্বামী অরুণ দত্ত হিন্দু পাঞ্জাবী। দুজনের জন্মই আমেরিকায়, ফলে চেনাশোনা হবার পর ম্যাট্রিমোনি সহজেই হয়ে গিয়েছিলো।

যাক, সে অন্য গল্প। এই স্টাইভেসান্ট হাই স্কুলের ঢোকার চার দিনের মধ্যেই কিন্তু ঘটেছিলো দুহাজার এক সালের এগারোই সেপ্টেম্বর সেই ভয়াবহ মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। মেয়ে দেখেছিলো আটতলার কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির জানালা দিয়ে সকাল ন’টা থেকে সাড়ে ন’টা। ওই ঢিলছোঁড়া দূরত্বের টুইন টাওয়ার্স থেকে সম্পূর্ণ নিরীহ মানুষগুলো একশো তলা, নব্বই তলা, আশি তলা থেকে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ঝাঁপিয়ে পড়ছে। পৃথিবী বদলে গিয়েছিলো চিরকালের মতো সেই দিন।

আমিও নিউ ইয়র্কে অ্যাকাডেমিক জগতের নিশ্চিন্ত জীবন ছেড়ে মাটিতে নেমে এলাম। শুরু হলো জ্যাকসন হাইটস এলাকার মাটির নিচের এক অফিসে বসে অত্যাচারিত, নির্দোষ, নিরীহ মুসলমান, শিখ অথবা হিস্প্যানিক ইমিগ্রেন্টদের জীবন বাঁচানোর কাজ।

যাক, সেও অন্য গল্প। সে গল্প পরে আবার সুযোগ পেলে লেখা যাবে কখনো। অবশ্য আগেও লিখেছি অনেক। তবে স্মৃতিকথায় লিখিনি কখনো। ইংরিজি ও বাংলা কাগজে অনেক লিখেছি, টিভিতে অনেক কথা বলেছি বিভিন্ন সময়ে। “আমেরিকা স্বপ্নপুরী না হত্যাপুরী?” নাম দিয়েছি যে বইয়ের, তাতেও লিখে রেখেছি অনেক।

“আমেরিকা স্বপ্নপুরী না হত্যাপুরী?”

জিতেন্দ্রনাথ দুহাজার চারের শেষদিকে যখন দ্বিতীয়বার এলেন আমেরিকায়, তখন আমাদের সেই ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তিশালী অভিবাসী আন্দোলনের সংগঠনে দু বছর কাজ করা হয়ে গেছে আমার। রাস্তায় নেমে লড়াই, বক্তৃতা, মিডিয়ার সঙ্গে অসংখ্য ইন্টারভিউ। রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে মিটিং। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সিভিল রাইটস গ্রুপ, মানবিক আন্দোলনের নতুন নতুন মুখের সঙ্গে পরিচয়। বাদামি চর্মের, অদ্ভুত নামের, চল্লিশোর্ধ অনুল্লেখ্য চেহারার এক বাঙালি ভারতীয়, যে আগে কখনো ইংরিজিতে কথাই বলতে পারতো না, সে এখন মানবাধিকার আন্দোলনের এক পরিচিত নাম।

নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে সিএনএন’এর নামকরা সাংবাদিকরা তাকে ইন্টারভিউ করে। সে এই সেদিন ওয়াল স্ট্রীটে কয়েক হাজার মানুষের সমাবেশে ইংরিজিতে লড়াকু বক্তৃতা দিয়ে এসেছে। নাইস নামক সংগঠনের তৃণমূল স্তরের মানবাধিকার সংগঠক ডঃ পার্থ ব্যানার্জী। এই সেদিনও সে অলব্যানি স্টেট বায়োলজিক্যাল সার্ভের জানালাহীন ঘরে চার্লস পেক’এর একশো বছর আগে সংগৃহীত ছত্রাকের ডাটাবেস তৈরির কাজে লিপ্ত ছিল।

জীবন যদি চায়, বিধাতা যদি চান, সারা পৃথিবীর জানালা হাট করে খুলে দিতে পারেন তার জন্যে। আমাদের দিয়েছেন।

জিতেন্দ্রনাথ দেখে গেছেন আমার সেই কাজের ছোট্ট সংগঠন। তখন আমি সে সংগঠন ছেড়ে নিউ জার্সি ইমিগ্রেশন পলিসি নেটওয়ার্ক নামের আরো এক বড়ো সংগঠনে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পদে যোগ দিতে চলেছি। নাইসের প্রাণপুরুষ ব্রায়ান পু-ফোকস, ট্রাস্টি জেসিকা গঞ্জালেজ, সহকর্মী শেরিল আর শার্লি সবাই মিলে আমাকে, মুক্তিকে আর বাবাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ফেয়ারওয়েল পার্টি দিলো। ব্রায়ানের বাবা ব্ল্যাক-আমেরিকান জ্যামাইকান, মা বার্মার। জেসিকা এদেশে বড়ো হওয়া হিস্প্যানিক। শেরিল বিশুদ্ধ শ্বেতাঙ্গিনী আমেরিকান, আর শার্লি চাইনিজ আমেরিকান। পার্থ কলকাতার বাঙালি ভারতীয়।

ইমিগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স ফিড্রম রাইডে বক্তব্য রাখছি

এই হলো আমেরিকার আসল মাটির গল্প। এ গল্প দেশে কেউ জানে না। বিখ্যাত লেখক লেখিকারা এই আমেরিকার খোঁজ রাখে না। এপার ওপার সেপার বাংলায় এই আসল আমেরিকার গল্প কখনো লেখা হয়নি।

জিতেন্দ্রনাথ তৃতীয় ও শেষবার এসেছিলেন দুহাজার সাতে, আমার বোন আর ভাগ্নীকে সঙ্গে করে।

এই গল্প শেষ হবে অনেক পিছনে ফিরে গিয়ে ঊনিশশো তিরানব্বইতে। একটা গাড়ি রেন্ট করে একদিন সকালবেলা আমি বসলাম স্টিয়ারিং হুইলে। পাশে মুক্তি। পিছনে শিশুকন্যা, আর তার পাশে জিতেন্দ্রনাথ। আমাদের যেতে হবে দু হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবার সেই কার্বনডেলে। এস আই ইউ থেকে আমন্ত্রণ এসেছে পিএইচডি কনভোকেশনে যোগদানের জন্যে। 

এস আই ইউ’তে ফিরে গিয়ে আবার দেখা হলো ঘনিষ্ঠ নেপালি পরিবার রচনা ও তার স্বামী, ছেলেমেয়েদের সঙ্গে। এর কাছেই আমাদের মেয়েকে অনেকদিন ধরে রেখে আমরা দুজন কাজে যেতাম। একেবারে ডানদিকে রচনা (কমলা রঙের ড্রেস), এবং তার সামনে আমাদের মেয়ে। রচনার পাশে তার স্বামী। সে সেদিন মাস্টার্স ডিগ্ৰী লাভ করলো। এদের সঙ্গেও আর কখনো দেখা হয়নি

দুর্মূল্য, দুষ্প্রাপ্য অভিজ্ঞতা। দেশের রক্তাক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে, শাস্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় বিএসসি অথবা এমএসসি কোনো ডিগ্রীই হাতে পাইনি। কনভোকেশনের ছবি দেখেছি একশো বছর আগে যারা পেয়েছিলো, তাদের বাড়ির দেওয়ালে। আমার নিজের দেশ আমার প্রবল জ্ঞানতৃষ্ণার প্রতি কোনো অনুকম্পা দেখায়নি কখনো।

এই কনভোকেশনে আমি যাবো। সবাই যেতে চায়। বাবার মুখ উজ্জ্বল। 

পিএইচডি কনভোকেশনে আমি

তার আগে একবার কানেক্টিকাট রাজ্যে ঘুরিয়ে নিয়ে এলাম আমাদের শৈশবের পাড়ার গর্ব চন্দনদার বাড়িতে। ডঃ আশীষ কুমার বসু বহুদিন হলো ইউনিভার্সিটি অফ কানেক্টিকাটে বায়োকেমিস্ট্রির পূর্ণ অধ্যাপক।

এদিকে দুহাজার, আর ফেরার সময়ে দুহাজার – চার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে, আর মাঝখানে সেই ওহায়ো রাজ্যের কলাম্বাসে পিসতুতো দিদির বাড়িতে রাতে থেকে – এক সপ্তাহ পরে ফিরে এলাম অলব্যানিতে।

কার্বনডেল এস আই ইউ’তে শেষবার। বাবার পাশে ডঃ জ্ঞান ভট্টাচার্য, মুক্তির পাশে রত্না। একেবারে বাঁদিকে নাসীম পিছনে। জ্ঞানদার পাশে রত্নার স্বামী কৌশিক সিনহা।

ওয়াল্ট সাণ্ডবার্গ আর এস আই ইউ'কে সেই শেষবার দেখা। প্রিয় দুই বান্ধবী রত্না সিনহা ও নাসীম আহমেদ। সেই ডঃ জ্ঞান ভট্টাচার্য।

এপ্রিল, মে, জুন, জুলাই। জুলাই মাসের মাঝামাঝি জিতেন্দ্রনাথ ফিরে গেলেন তাঁর প্রিয় মাতৃভূমি ভারতবর্ষে।

(চলবে)

*আমেরিকা-জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রখ্যাত মানবধিকার কর্মী ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলামে চলছে ‘মেরিকামায়া সাতকাহন’।
ধারাবাহিকভাবে প্রতি শুক্রবার সন্ধে ৬টায় প্রকাশিত হচ্ছে শুধুমাত্র বঙ্গদর্শন-এ।
‘মেরিকামায়া সাতকাহন’-এর সমস্ত পর্ব পড়তে
এখানে ক্লিক করুন

Developed by DXDasia