দশ ফুট বাই কুড়ি ফুট উচ্চতার স্যানিটাইজড দুর্গা পাড়ি দিয়েছে বিদেশে
পুজোর বাকি মোটামুটি ৮০ দিন। করোনা আবহে দুর্গাপুজো কেমন হবে, তা এখনও আন্দাজ করা যাচ্ছে না। কুমোরটুলিতেও আর আগের মতো বায়না নেই। এই এতকিছুর পরেও খুশির আবহ কুমোরদের ঘরে। কারণ কুমোরটুলি থেকে দুর্গামূর্তি পাড়ি দিচ্ছে বিশ্বের দুই প্রান্ত আমেরিকা ও জার্মানিতে।
জার্মানির বার্লিন এবং আমেরিকার সানফ্রান্সিস্কোতে পাঠানো হচ্ছে ফাইবাইরের তৈরি সবচেয়ে বড়ো দুর্গা। এই মূর্তির কারিগর স্বনামধন্য শিল্পী কৌশিক বসু। বিদেশে মূর্তি পাঠানো হচ্ছে কোভিডের সমস্ত নিয়মবিধি মেনেই। দশ ফুট বাই কুড়ি ফুট উচ্চতার স্যানিটাইজড দুর্গা পাড়ি দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়ো দুর্গামূর্তি এটি। প্রতিমার দাম সাড়ে চার লক্ষ টাকা। বাক্সবন্দি দুর্গা এখন মাঝরাস্তায়।
প্রতিবারই বিদেশ থেকে প্রতিমা তৈরির বায়না আসে। তবে অন্যান্যবারের তুলনায় বায়না বেশ কম। কৌশিক বসু জানিয়েছেন, তিনি ১৫টা প্রতিমা তৈরি করছেন, যা পৌঁছে যাবে বিদেশের বিভিন্ন জায়গায়। কুমোরটুলি আবার কবে ঘুরে দাঁড়াবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তাছাড়া শুধু বিদেশ নয়, বাংলাতেও বায়না বেশ কম৷ তবে রথযাত্রার পর একটু একটু করে বায়না আসছে৷ কুমোরটুলি এখনও আশাবাদী। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকে ফিকে হতে দেওয়া যাবে না। করোনামুক্ত হবে পৃথিবী। ততদিনের জন্য অপেক্ষা।