ঢাককে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছেন গোকুল
গোকুলচন্দ্র দাস ওরফে গোকুল দাস। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মসলন্দপুরের বাসিন্দা। বাপ-ঠাকুরদার শিল্পকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন ছোটোবেলা থেকে। ঢাকের তালই সুযোগ করে দিয়েছে দেশবিদেশ ঘোরার। বিদেশে গিয়ে এক বাদ্যযন্ত্রের দোকানে দেখা পান এক মহিলার, যিনি পাঁচ রকমের যন্ত্র বাজাচ্ছেন। গোকুলের মনে হল, বাংলার মেয়েরাই বা হাতে ঢাক তুলে নেবেন না কেন! মছলন্দপুরে ফিরেই কোমর বেঁধে নামলেন গোকুল। ২০১০ সাল। এখন প্রায় ১০০ জন মেয়ে গোকুলের মহিলা ঢাকির দলে। এটাও তো নারীর ক্ষমতায়ন, আত্মবিশ্বাসী গোকুল। এত বছরের পরিশ্রম বৃথা যায়নি, ঢাককে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছেন গোকুল। পুজো-মণ্ডপের বাইরে বেরিয়ে বাংলার ঢাকের বাদ্যিকে বিশ্বজনীন করেছেন। রবিশংকরের সেতার বা তন্ময় বোসের তবলার সঙ্গে গোকুলের ঢাক সঙ্গত করেছে। ঢাক আর ঢাকির মর্যাদা বেড়েছে— এতেই গোকুল ঢাকির সন্তুষ্টি।
গোকুলের বাজানো বিভিন্ন তাল-লয়ের ঢাকের বাদ্যি নিয়ে অ্যালবাম প্রকাশ করেছিল পি অ্যান্ড এম কমিউনিকেশন। ‘আরতি’ তারই একটি।
প্রতিদিন সকাল ৯টায় এরকম অজস্র গান শুনতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন বঙ্গদর্শনের ইউটিউব চ্যানেল। ক্লিক করুন এখানে।