তাঁর হাত ধরেই উচ্চাঙ্গসংগীতে মর্যাদা পেয়েছিল যন্ত্রটি
অবনীন্দ্রনাথের শিষ্য প্রশান্ত রায় ও নন্দলাল বসুর ছাত্রী গীতা রায়, এই শিল্পীদম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান রণধীর রায় দশ থেকে তেইশ বছর বয়স পর্যন্ত সনাতন গুরুমুখী পদ্ধতিতে তালিম নেন অশেষচন্দ্রের তত্ত্বাবধানে। অপূর্ণ ছেচল্লিশে চলে গিয়েছিলেন বিশ্বভারতী সংগীতভবনের অধ্যাপক রণধীর রায় (১৯৪৩-৮৯), কিন্তু তাঁর এই স্বল্প জীবনে পূর্ণ একক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছেন এসরাজকে। বিশ্বভারতী সংগীতভবনের অধ্যাপক রণধীর রায়-এর হাত ধরেই উচ্চাঙ্গসংগীতে মর্যাদা পেয়েছিল এসরাজ। ধ্রুপদী হিন্দুস্থানি সংগীতের গৎকারি আর গায়ন অঙ্গের সমীকৃত ব্যঞ্জনা ও বাজের বিস্তার ঘটাতে যন্ত্রের আমূল সংস্কার করেছিলেন তিনি। বর্তমানে যাঁরা দেশে-বিদেশে এসরাজ যন্ত্রে উচ্চাঙ্গসংগীত পরিবেশন করেন, তাঁরা সকলেই রণধীরের পরিকল্পিত যন্ত্রটিই ব্যবহার করেন বলে শোনা যায়। পি অ্যান্ড এম রেকর্ডস এই মায়েস্ত্রোর বাজানো এসরাজ রেকর্ডিং করে অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করে।
শিল্পী: রণধীর রায়
রাগ: তিলক কামোদ
ব্যানার: পি অ্যান্ড এম রেকর্ডস
প্রতিদিন সকাল ৯টায় এরকম অজস্র গান শুনতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন বঙ্গদর্শনের ইউটিউব চ্যানেল। ক্লিক করুন এখানে।