১৯৩৮ সালে, সুরেল বাংলোয় দিন পনেরো ছিলেন বিশ্বকবি
সুফিবাদ আর বৈষ্ণবধর্মের মধ্যে একটা নাড়ির সম্পর্ক আছে
১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত মোট চার বার কালিম্পং-এ এসেছিলেন রবীন্দ্রনাথ
কালাজ্বরের ওষুধের আবিষ্কর্তা হিসেবেই উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীকে চিনি আমরা
‘যাঁহারা টিকিট কিনিয়া ট্রেন মিস্ করেন, তাঁহাদের জন্য বড়ো মায়া করে’
বামফ্রন্টকে নৈতিকতার প্রশ্নে যে সক্রিয়তায় দেখতে চেয়েছেন তিনি, তা পাননি
মৈত্রেয়ী দেবীর যে বাড়িতে বারবার যেতেন বিশ্বকবি
১৯২৫ সালের ১০ জুন পাহাড় থেকে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন গান্ধীজি
শিবনাথ শাস্ত্রী কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়। ইনি ডিরোজিওর শিষ্যগণ ও লাহিড়ী মহাশয়ের যৌবন-সুহৃদগণের মধ্যে সৰ্ব্বাগ্রগণ্য
তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা অলৌকিক ঘটনার কিংবদন্তীও
শিবনাথ শাস্ত্রীর সম্পর্কে বলছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আলোচনা করছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর