
চন্দ্রাণী ব্যানার্জী, সংগীতশিল্পী – ক্রসউইন্ডস
মহীনের ঘোড়াগুলির ‘ঘরের ফেরার গান’, ভূমির ‘দিলদরিয়া রে’, ক্রসউইন্ডসের ‘ঝিকো ঝিকো করি রে’ থেকে প্রজাপতি বিস্কুট ছবির ‘তোমাকে বুঝি না প্রিয়’ – জীবনে যেসব গান গেয়েছেন তার অধিকাংশই তুমুল জনপ্রিয়। কথা হচ্ছে চন্দ্রাণী ব্যানার্জী (Singer Chandrani Banerjee)-কে নিয়ে। নব্বইয়ের জনপ্রিয় বাংলা ব্যান্ড ক্রসউইন্ডস (Krosswindz Bangla Band)-এর প্রধান সংগীতশিল্পী। চন্দ্রাণীই বাংলা ব্যান্ডের প্রথম মহিলা রক গায়িকা। ক্রসউইন্ডসের সঙ্গে তিনি অনুষ্ঠান করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডসে। আজও ক্রসউইন্ডস বা চন্দ্রাণীর গান শ্রোতারা ভালোবেসে শোনেন। আজও বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেস্টে তাঁদের গানের রিদমে নেচে ওঠেন আমজনতা। চন্দ্রাণীর গায়কিতে একদিকে যেমন আছে লোকসংগীতের প্রচ্ছন্ন প্রভাব, পাশাপাশি পাশ্চাত্যের ধারাও বহন করে চলেছেন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে। প্রায় তিনদশক কাজ করার পরেও চন্দ্রাণী ব্যানার্জীর নাম সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে তেমন আলোচিত হয় না। এর জন্য চন্দ্রাণীর আক্ষেপ নেই, বরং প্রতিদিন সংগীতচর্চায় নিবিষ্ট থাকাতে বেশি বিশ্বাস করেন। এক চরম গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় বঙ্গদর্শন.কম-এর নির্বাহী সম্পাদক সুমন সাধু-র মুখোমুখি হলেন চন্দ্রাণী। কথা এগোল গানের রেশ ধরেই…
_______
সুমন: আপনাকে বাংলার শ্রোতা একজন রক গায়িকা হিসেবেই চেনেন। অথচ শুনেছি আপনার গান শেখার শুরুটা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর লোকগীতি দিয়ে। গানবাজনায় হাতেখড়ি কীভাবে হল?
চন্দ্রাণী: ছোটোবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি এবং লোকগীতি শিখছি। প্রশিক্ষণ বাড়িতেই। রবীন্দ্র সংগীত আর নজরুলগীতি শিখেছি স্বর্গীয় দেবদাস মণ্ডলের কাছে। আর বড়োমামার কাছে লোকগীতি। গানের হাতেখড়ি এ-ভাবেই।
সুমন: বাংলা ব্যান্ডে যাঁরা গানবাজনা করেন, তাঁদের প্রত্যেকের জীবনেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ দেশের মহীনের ঘোড়াগুলি আর পাশ্চাত্যের বিটলস-এর একটা প্রভাব বা অবদান রয়েইছে। আপনার ক্ষেত্রে এটা কতখানি প্রযোজ্য?
চন্দ্রাণী: আমি নিজে মহীনের ঘোড়াগুলির সঙ্গে কাজ করেছি। খ্যাপার গান অ্যালবামে ঘরে ফেরার গান (Khyapar Gaan album by Moheener Ghoraguli) গৌতম চট্টোপাধ্যায় আমাকে দিয়ে গাইয়েছিলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আর প্রেসিডেন্সি কলেজে একবার করে গৌতমদার সঙ্গে অনুষ্ঠান করেছি, সেখানে ক্রসউইন্ডস ছিল মহীনের ব্যাকিং ব্যান্ড। মঞ্চে গৌতমদা আমায় বলতেন, ‘ঘরে ফেরার গান’ তো তুই গাইবিই, তাছাড়া ‘রাবেয়া কি রুকসানা’ গা, ‘এলো কী অসময়’ গা, আমি যা গাইছি তাতে হারমনি কর ইত্যাদি। এটা আমার সৌভাগ্য। আজও যখন আমি গান লিখি বা সুর করি, তখন নিজেকে প্রশ্ন করি এটা কি গৌতমদার ভালো লাগত? সুতরাং মহীনের ঘোড়াগুলি আমাদের শিরায়, রক্তে, মজ্জায় ঢুকে আছে আজও।
১৯৯৫-এ আমার অরিজিনাল কম্পোজিশন ‘দ্য মিন্সট্রেল’ রিলিজ করে। সেটা শুনে গৌতমদা ভীষণ প্রশংসা করেছিলেন। তারপরেই ডাক আসে ‘ঘরে ফেরার গান’ গাওয়ার। আমি বাংলা গানে হয়তো আসতামই না।
কলকাতায় ইংরেজি অনার্স পড়তে আসি। এখানে এসে প্রথম প্রথম শুধু ওয়েস্টার্ন মিউজিক কম্পিটিশনে গান গাইতাম। তখন বাংলা গান তেমন গাইতামই না। দ্য বিটলসের ‘অ্যাবে রোড’-এর ক্যাসেট এনে দিয়েছিলেন বাবা। তারপর থেকে পাশ্চাত্য সংগীত মুগ্ধ হয়ে শুনতে শুরু করি। ১৯৯৫-এ আমার অরিজিনাল কম্পোজিশন ‘দ্য মিন্সট্রেল’ (The Minstrel) রিলিজ করে। সেটা শুনে গৌতমদা ভীষণ প্রশংসা করেছিলেন। তারপরেই ডাক আসে ‘ঘরে ফেরার গান’ গাওয়ার। আমি বাংলা গানে হয়তো আসতামই না। বাংলা গানে নিয়ে আসার পুরো কৃতিত্বটাই গৌতমদার।
তাছাড়া আমার বাড়ির পরিবেশ ছিল গান আর কবিতায় ভরা। একইসঙ্গে বাড়ির সবাই মিলে কখনও রবীন্দ্রনাথের গান গাইছি, আবার ‘কান্ট্রি রোডস টেক মি হোম’ গাইছি। গান শোনা বা চর্চার কোনো বিভাজন বা সীমাবদ্ধতা ছিল না আমাদের। ব্লুজ, জ্যাজ, কান্ট্রি মিউজিক, গজল সবই প্রচুর শুনেছি – এই শোনার কোনো শেষ নেই।
ঘরে ফেরার গান/ মহীনের ঘোড়াগুলি
সুমন: আপনার উইকিপিডিয়া ও ফেসবুকের বায়োতে লেখা আছে বাংলা ব্যান্ডের প্রথম রক গায়িকা। সংগীত-জীবনের একেবারে শুরুর দিকে যখন মঞ্চে গান গাইতেন, তখন কী কী অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন? কারণ সমাজে তখনও মেয়েদের ব্যান্ডে গান গাওয়া নিয়ে অনেক ট্যাবু ছিল।
চন্দ্রাণী: আমি যখন শুরু করেছি, তখন একটা ব্যান্ডের প্রধান গায়িকা একজন মহিলা – এই কনসেপ্ট ছিলই না। তখন সমবেত সংগীত ছিল। প্রথম প্রথম লোকজন অবাক হতো। একটা মেয়ে আবার ব্যান্ডে গাইছে! কিন্তু তারপর এত শো করেছি যে সকলে অভ্যস্ত হয়ে গেল। আসলে আমাকে খুব একটা বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়নি। বরং পরবর্তীকালে যেখানেই গাইতে গিয়েছি শ্রোতারা খুব তাড়াতাড়ি আপন করে নিয়েছেন। ক্রসউইন্ডসে প্রধান গায়িকা হিসেবে গাওয়া শুরু করেছি, পাশাপাশি মহীনের ঘোড়াগুলি আর ভূমি-তেও গেয়েছি।
সুমন: গজল নাকি সাইকেডেলিক রক — কোন ঘরানা আপনার সবচেয়ে পছন্দ?
চন্দ্রাণী: আমি গজল গেয়েও প্রথম পুরস্কার পেয়েছি। তার পরের দিন ওয়েস্টার্ন মিউজিকের প্রতিযোগিতাতেও প্রথম পুরস্কার পেয়েছি। এখনও এই দুটো পুরস্কার আমার কাছে আছে। জগজিৎ সিংয়ের গজল গাইতাম প্রধানত। গজলের মধ্যে একটা স্মৃতিমেদুরতা আছে যেটা আমার ভীষণ প্রিয়। আসলে বিষয়টা হচ্ছে, আমি যা-ই গাই না কেন, সেটা যেন যতটা সম্ভব ত্রুটিহীন ভাবে গাইতে পারি। এই চেষ্টা এখনও জারি রেখেছি।
সুমন: ভূমি-র প্রথম অ্যালবামে আপনি গেয়েছেন ‘কান্দে শুধু মন’, আবার মহীনের ঘোড়াগুলি সম্পাদিত গানের অ্যালবামে গেয়েছেন ‘ঘরে ফেরার গান’। তারপর নিজেদের ব্যান্ড ক্রসউইন্ডস। এতবছর পর বাংলা ব্যান্ডের গান কোন জায়গায় এসে পৌঁছাল?
চন্দ্রাণী: বাংলা ব্যান্ডের গান খুবই প্রগতিশীল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যেভাবে বদলাচ্ছে, দৃষ্টিভঙ্গি যেভাবে বদলাচ্ছে গানও সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সমসাময়িক হয়ে উঠছে।
সুমন: নব্বইয়ের দশকের পর থেকে যেভাবে বাংলা ব্যান্ড তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করছিল, এখন আর সেভাবে নতুন ব্যান্ড উঠে আসছে না। এর জন্য কারা দায়ী?
চন্দ্রাণী: এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে মেধার অভাব আছে। তরুণ প্রজন্মের অনেক শিল্পীই অত্যন্ত মেধাবী। ব্যান্ডও আছে অনেক। কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে তাঁরা হয়তো আর চালিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন না। এখানে তাঁদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। গানবাজনার জগতের মধ্যে অনেক ওঠানামা আছে। এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়, ধৈর্য ধরতে হয়। আমরা আজ থেকে কুড়ি বছর আগে যেমন মাটি কামড়ে পড়েছিলাম, এখন সমাজ ব্যবস্থা বদলে গিয়েছে। তবে যে-কটা ব্যান্ড এই পরিস্থিতিতেও টিকে যেতে পেরেছে তাদের অধিকাংশই বেশ ভালো কাজ করছে।
আমাদের ব্যান্ডের সাউন্ড সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। কোনো বাংলা ব্যান্ড দ্বারা প্রভাবিত নয়। যাঁরা আমাদের গান কুড়ি বছর ধরে শুনে আসছেন তাঁরা জানবেন যে, আমাদের কথা, সুর কতটা ফ্রেশ। এটাকে আমরা ওয়ার্ল্ড রক বলি।
সুমন: ক্রসউইন্ডস-এর জন্ম হল কীভাবে? কী ধরনের গান গাইবেন বলে মনস্থির করেছিলেন এবং তৎকালীন অন্যান্য ব্যান্ডের গান থেকে ক্রসউইন্ডসের গান কোথায় আলাদা?
চন্দ্রাণী: ক্রসউইন্ডস ব্যান্ড তৈরি করেছিলেন বিক্রমজিৎ ব্যানার্জী। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের কয়েকজন ছাত্র ১৯৯০ সালে এই ব্যান্ড তৈরি করেন। তখন এটা ছিল একটা পিওর রক ব্যান্ড। আমি তখন কলকাতাতেই আসিনি। ১৯৯৯ সালে আমি ক্রসউইন্ডসে যুক্ত হই, যখন ব্যান্ডের দু-জন মেম্বার চেন্নাই চলে যান। তখন এই ব্যান্ডে কোনো ভোকালিস্ট ছিল না। বিক্রমজিৎ মহীনের গৌতমদাকে বলেছিল যে, একজন ভোকালিস্ট খুঁজে দিতে। তখন গৌতমদা বলেছিলেন, চন্দ্রাণী থাকতে তুই সিঙ্গার খুঁজছিস কেন? বিক্রমজিৎ আমায় এসে বলে এবং তারপর ১৯৯৯-এ আমি ক্রসউইন্ডসে যুক্ত হই। আমি আসার পর ক্রসউইন্ডসের গানের কথা আর সুরে রক সংগীতের সঙ্গে লোকসংগীতের একটা মিশেল এসেছে। খুব স্বাভাবিক, কারণ আমার শিকড় লোকগান।

ক্রসউইন্ডস বাংলা ব্যান্ড
আমাদের ব্যান্ডের সাউন্ড সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। কোনো বাংলা ব্যান্ড দ্বারা প্রভাবিত নয়। যাঁরা আমাদের গান কুড়ি বছর ধরে শুনে আসছেন তাঁরা জানবেন যে, আমাদের কথা, সুর কতটা ফ্রেশ। এটাকে আমরা ওয়ার্ল্ড রক (World Rock) বলি। তাছাড়া অন্যান্য ব্যান্ড মূলত পুরুষ নির্ভর। তাঁরাই লিখছেন, তাঁরাই সুর করছেন, তাঁরাই গাইছেন। ক্রসউইন্ডস সেদিক থেকে ব্যতিক্রম। এখানে মূলত আমিই লিখি, সুর করি। সুতরাং একজন মহিলার একটা আলাদা ভাষ্য তো থাকবেই।
সুমন: বাংলা ছবিতেও আপনি গান গেয়েছেন৷ কিন্তু সেভাবে সিনেমায় আপনার কণ্ঠ ব্যবহৃত হয়নি। এর জন্য আক্ষেপ হয় না?
চন্দ্রাণী: না, আক্ষেপ হয় না একেবারেই। আমি খুব একটা কাজ চাইতে যাইনি কারোর কাছে। যেহেতু নিজে গান লিখি, নিজে সুর করি, নিজের ব্যান্ডের সঙ্গে পারফর্ম করি; তাই সিনেমায় গান আমাকে গাইতেই হবে এমনটা কখনও মনে হয়নি। সংগীত নিয়ে আমার অনেক চিন্তাভাবনা রয়েছে, তাই সারাক্ষণ নিজের কাজ নিয়েই থাকি। মেইনস্ট্রিম ছবিতে তো গান গাই-ই নি। যে-কটাতে সুযোগ এসেছে সবই প্রায় আর্ট হাউস ছবি। অথচ খেয়াল করে দ্যাখো, সিনেমায় গাওয়া আমার প্রত্যেকটা গানই ভীষণ জনপ্রিয়। বিশেষ করে অনিন্দ্যদার (চট্টোপাধ্যায়) ‘প্রজাপতি বিস্কুট’-এ তোমাকে বুঝি না প্রিয় গানটা এখনও বহু মানুষ শোনেন। এই গানের জন্য তিনটে গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারও পেয়েছি। এটা মানুষের ভালোবাসা ছাড়া সম্ভব নয়।
তোমাকে বুঝি না প্রিয়/ প্রজাপতি বিস্কুট
সুমন: সমাজের এক অংশের মানুষ প্রশ্ন তোলেন, বাংলা গানের আদৌ কি কিছু হচ্ছে? বাংলা গানের আন্তর্জাতিকতা নিয়ে আপনি কী বলবেন?
চন্দ্রাণী: বাংলা গান সবসময়ই আন্তর্জাতিক। আমরা যখন বিদেশে অনুষ্ঠান করতে যাই, বাংলা গানেরই অনুরোধ বেশি আসে। পবন দাস বাউল ও স্যাম মিলস-এর কোলাবরেশন অ্যালবাম খুব ন্যাচারাল শোনায়। এই অ্যালবামের গানগুলো যদি শোনো, বুঝবে বাংলার গান কতখানি আন্তর্জাতিক। ওই অ্যালবামে লোকসংগীতের সংমিশ্রিত রূপ আমার একেবারেই আরোপিত মনে হয় না। বাংলা গান নিয়ে খুবই আশাবাদী আমি।
সুমন: ‘ঝিকো ঝিকো’ থেকে ‘তোমাকে বুঝি না প্রিয়’ — আপনার বহু গান এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। আপনার কণ্ঠের টেক্সচার নিয়ে অনেকেই প্রশংসা করেন। শ্রোতাদের এই ভালোবাসা নিয়ে কী বলবেন? এখন যখন কনসার্টে যান, কোন গানের আবদার বেশি আসে?
চন্দ্রাণী: শ্রোতাদের ভালোবাসাই একজন শিল্পীর সম্পদ। এখনও বহু মানুষ একটা নতুন বাংলা গানের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। এই অপেক্ষাটা যতদিন আছে, ততদিন বাংলা গান মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবে। এঁরা প্রত্যেকটা মুহূর্তে আমায় উৎসাহিত করেন। এঁদের জন্যই গান করা।
আর গানের আবদার বেশি আসে ঘরে ফেরার গান ও ঝিকো ঝিকো করি রে। সেই কবে ঝিকো ঝিকো গেয়েছি, এখনকার বাচ্চারাও এই গানটা লাইভ শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে।
ঝিকো ঝিকো করি রে/ ক্রসউইন্ডস
সুমন: ধরুন, বব ডিলান বা জোন বায়েজের সামনে গান গাওয়ার সুযোগ এল। কোন গানটা শোনাবেন? ডিলান আর বায়েজকে কী বলবেন?
চন্দ্রাণী: আহা! এটা সবথেকে ভালো প্রশ্ন। হ্যাঁ, সেই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে থাকব। সত্যি সত্যি যদি ডিলান আর বায়েজের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ আসে তাহলে শুরুতেই বাংলা লোকগান গাইব কিছু। এরপর স্বরচিত গান শোনাব। এছাড়া ডিলানকে ওঁরই গান ‘She Belongs To Me’ শোনাব আর বায়েজের জন্য গাইব ‘Forever Young’। ওঁদের গান শুনে বড়ো হয়েছি, ওঁরা প্রতিদিন আমায় উদ্বুদ্ধ করেন।

