মনখারাপ দূর করতে মজার অডিও বানিয়ে শোনানো হবে অঙ্গনওয়াড়ির শিশুদের

গোটা রাজ্যে দ্রুত এই কাজ শুরু করতে চলেছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর

কত মাস হয়ে গেল বন্ধুদের সঙ্গে দেখা নেই। বন্ধুদের ঘাড়ে হাত রেখে উল্লাস নেই, দুষ্টুমি নেই। বাড়িতে আবার কড়া শাসন। তাই বেশ মনখারাপ শিশুদের। এই মনখারাপ দূর করতে রাজ্য সরকারের নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর শুরু করতে চলেছে একটি নয়া উদ্যোগ (অঙ্গনওয়াড়ির বাচ্চাদের জন্য)। স্বরবর্ণ, ব্যাঞ্জনবর্ণ-সহ সমস্ত ছড়া বা রূপকথার গল্পের অডিও রেকর্ড করে তা পাঠানো হবে প্রতিটি গ্রামের ঘরে ঘরে। যিনি মোবাইল চালনায় পারদর্শী, তাঁর ফোনে ক্লিপিংসগুলো ভরে দেওয়া হবে। এবার তাঁর বাচ্চাদের যখন খুশি এসব শোনাতে পারবেন। ইউনিসেফের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গোটা রাজ্যে দ্রুত এই কাজ শুরু করতে চলেছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর।

এই কাজের মূল উদ্দেশ্য হল, শিশুদের ভুলিয়ে রাখা। যাতে তাদের জীবন একঘেয়ে না লাগে৷ বাড়িতে থেকেই মজার রেশ পেয়ে যায়। আবার এই পদ্ধতিতে পড়াশোনাও হবে। এই মুহূর্তে সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকেই সরকারের তরফে খাদ্যশস্য পরিবারগুলির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ঠিক হয়েছে প্রতি ১৫ দিন অন্তর অডিও ক্লিপিংগুলি পরিবারের মোবাইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এমনকী, বাড়িতে কারও মোবাইল না থাকলে, তা প্রতিবেশীর মোবাইলেও পাঠিয়ে দেওয়া হবে। 

দপ্তর সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে সরাসরি রাজ্যের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসে এমন শিশুর সংখ্যা ৩৪ লক্ষ। তাদের বেশিরভাগেরই বয়স তিন থেকে ছয়। তাদের সঙ্গে রয়েছে দ্বিগুণ সংখ্যক আরও শিশু। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ৭০ লক্ষ। তারা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও পরোক্ষে রেজিস্ট্রার্ড ওই শিশুগুলির সঙ্গে আসা–যাওয়া করে, বা ওই পরিবারেরই সদস্য।

ছবিঃ সংগৃহীত।

Developed by DXDasia