দিনমজুর থেকে বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার : রাহুল শেখ-এর অদম্য লড়াইয়ের গল্প

কে এই রাহুল শেখ? কেন তার উত্থান মানুষকে এত ভাবাচ্ছে?

দ্য ন্যাশনাল গেমসে (National Games) সোনা জিতে এসেছে বাংলা ফুটবল দল। এরপর থেকেই রাহুল শেখ (Rahul Sheikh) নামটা গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। খবরের কাগজে লেখা হচ্ছে। কিন্তু কে এই রাহুল শেখ? কেন তার উত্থান মানুষকে এত ভাবাচ্ছে? এতদিনে ফুটবলপ্রেমীরা জেনে গেছেন রাহুল শেখ সোনা জয়ী বাংলা দলের ম্যানেজার (Bengal Football Team)। যার উত্থানের গল্প রূপকথার মতো, রুপোলি পর্দায় উঠে আসা ছবির গল্পের মতোই জমজমাট। রাহুলের গল্প নিয়ে ছবি হোক বা না হোক – এ গল্প লড়াইয়ের, অদম্য জেদের। কিছু মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় এক দিনমজুর বালকের জীবন বদলে যাওয়ার।

২০২২ সালের ১৪ জুন, এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। চোখধাঁধানো আলোর আলপনা মাঠজুড়ে। গ্যালারি সেজে উঠেছে। ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া চিৎকার…। ভারত-হংকং ম্যাচে সাইড লাইনের ধারে দাঁড়িয়ে আছে এক পরিচিত মুখ। গ্যালারির সেকেন্ড টায়ার থেকে ভীষণ খুশি হচ্ছি এই ভেবে যে ‘আমাদের রাহুল শেখ’ আজ এত বড়ো মঞ্চে দাঁড়িয়ে। সুনীল-আশিকদের খেলায় বুঁদ হয়ে মাঝেমধ্যে রাহুলকে দেখছি, দেখছি একটা স্বপ্ন ধীরে ধীরে সফল হচ্ছে। ম্যাচের মধ্যে বৃষ্টি। মুষলধারে বৃষ্টিতে স্পন্সরদের পেরিমিটার বোর্ড স্থানচ্যুত হচ্ছে। বৃষ্টির মধ্যে বোর্ডগুলো পুনরায় যথাস্থানে দাঁড় করানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে রেনকোর্টহীন রাহুল। ভিজছে, তবু তার চেষ্টায় বিরাম নেই। বাংলার ফুটবলের সঙ্গে এভাবেই জুড়ে থাকতে দেখেছি রাহুলকে।

মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার বড়োশিমূল বাঁধের ধার। আপন ছন্দে বয়ে যাচ্ছে পদ্মা নদী। ওদিকে বাংলাদেশ (Bangladesh) আর এপারে নদীর পাড় বরাবর বিএসএফ ক্যাম্প। এখানকার কোনও এক অঞ্চলে রাহুল শেখের জন্ম। সে গাঁ আমি দেখিনি, শুধু শুনেছি৷ তারপর অতীতের সত্যিতে সওয়ার হয়ে কল্পনা করেছি রাহুলের শৈশবকে৷ যেখানে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে ক্লাস ফাইভে ভর্তি হল। অতিকষ্টে কেনা হল ইউনিফর্ম। সাদা শার্ট, নেভি ব্লু প্যান্ট৷ অন্য বাচ্চারা যখন স্কুলে না যাওয়ার জন্য কান্নাকাটি করছে৷ রাহুলের চোখেমুখে আনন্দ! সেই ইউনিফর্ম পরে ছুটে বেড়ালো কিছুক্ষণ। পড়াশোনায় বাড়তি মনযোগ দিল৷ প্রাইমারি স্কুলে খুব ভালো রেজাল্ট করায় স্যার-ম্যাডামরা খুব উচ্ছ্বসিত। জীবন চাইছিল অন্যকিছু৷ এই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হল না! ক্লাস ফাইভে ৪-৫ মাস পড়ার পর মা আর খরচ জোগাতে পারলেন না। অভাব বড়ো বাধা। তাই বাধ্য হয়ে সব স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে অভাবের টানে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে বেরোতে হল।

খুব সম্ভবত ২০০৭ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে ছোট্ট রাহুল পুরুলিয়ায় (Purulia) রওনা দিয়েছিল রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে। তার পরিচয় শিশু শ্রমিক। এমনিতেই অভাব-অনটন তাকে আরও অনেক আগে অলিখিতভাবে শিশু শ্রমিক বানিয়ে দিয়েছিল। কেড়ে নিয়েছিল সুস্থ শৈশব। বাড়িতে জ্বালানির জন্য আমবাগানে বস্তা নিয়ে বেরিয়ে যেতে হত পাতা কুড়াতে। শুকনো পাতা আনলে তবেই হাঁড়ি চড়বে। পাটের মরশুমে জমিতে যখন পাট কাটা হতো তখন জমিতে কাজ করতো সে। বিনিময়ে দিনে ৩০-৪০ টাকা জুটতো। কখনও সবজি তোলার কাজের বিনিময়ে দুটো ফুলকপি পেতো, বাঁধাকপি, পালং শাক, বেগুন ইত্যাদি নিয়ে বাড়ি ফিরতো রাহুল। পদ্মার ওপারে ঘোষেরা গরু চরাতে নিয়ে যায়। ঝুড়িতে বা বস্তায় করে গরুর গোবর সংগ্রহ করে মা-ব্যাটায় সেই গোবর দিয়ে ঘুঁটে বানিয়ে বিক্রি করে দু-পয়সা আসতো। গ্রামে পুকুরে পাট পচে গেলে সেই পাট ছড়ানো হয়। সেই কাজও করতেন রাহুলের মা। ভাবতেন আল্লাহ্‌ হয়তো একদিন ভাগ্য বদলে দেবেন৷

২০০৭ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে ছোট্ট রাহুল পুরুলিয়ায় রওনা দিয়েছিল রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে। তার পরিচয় শিশু শ্রমিক। এমনিতেই অভাব-অনটন তাকে আরও অনেক আগে অলিখিতভাবে শিশু শ্রমিক বানিয়ে দিয়েছিল। কেড়ে নিয়েছিল সুস্থ শৈশব।

মামারা কাজ করতে এসেছেন লিলুয়াতে। এক ডাক্তারবাবুর বাড়ি তৈরি হচ্ছে৷ মামাদের হাত ধরে রাহুলও কাজের সন্ধানে এল কলকাতায় (Kolkata)। বয়স তখন মাত্র ১২ বছর৷ সেই প্রথম কলকাতাকে দেখা। যে কলকাতায় এখন রাহুল নিজেকে অন্যভাবে খুঁজে পায়৷ জীবনের মানোন্নয়ন হয়েছে। অনটনের দিন ফুরিয়ে এখন সে প্রতিষ্ঠিত৷ কিন্তু কয়েকবছর আগের গল্পটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। একদিন রোজকার মতোই ইট, মশলা, সিমেন্ট বইছে রাহুল। তখনই নির্মীয়মান বাড়ির মালিক দম্পত্তির চোখে এল একটি বাচ্চাও তাঁদের বাড়ি তৈরির কাজ করছে। সকাল থেকে রাত অব্দি কাজ করে যাচ্ছে৷ মায়া হল৷ চিন্তিত হলেন৷ তাঁরা জানতে চাইলেন – রাহুল কেন এত অল্প বয়সে কাজ করছে? কেন পড়াশোনা করছে না? সব শুনলেন। শোনার পর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেননি তাঁরা৷ সেই শুরু! 

ডাক্তার প্রদীপ কুমার রায় এবং তাঁর সহধর্মিণী রূপা রায়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনার সুযোগ পেল রাহুল৷ এই ইটকাঠের শহর, আত্মকেন্দ্রিক শহুরে জীবন৷ সেখানে কে কাকে এই সুযোগ দেয়? কিন্তু রায় দম্পতি ভেবেছিলেন৷ হাজার-দু’হাজারের অর্থ সাহায্য দিয়ে দায় সারেননি, বরং যোগ্য অবিভাবকের মতো রাহুলের ভাগ্য বদলে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। 

প্রদীপ কুমার রায় ততদিনে রাহুলের ‘কাকু’, এবং রূপা রায় ‘কাকিমা’ হয়ে উঠেছেন৷ দায়িত্ব নিয়ে নিজ সন্তানের মতো করে লিলুয়ার খেমকা হাই স্কুলে ভর্তি করে এলেন। ডাক্তারবাবু সকালে চেম্বারে যেতেন, ফিরতেন রাতে। সারাদিন চেম্বার করেও রাতের খাওয়া শেষে নিয়মিত পড়তে বসাতেন। কাকিমাও প্রত্যেকদিন স্কুলে যাওয়ার সময় টিফিন করে দিতেন। কাকিমা তখন ‘মা’ হয়ে গেছেন৷ কী অদ্ভুত স্নেহবন্ধন! পুজোর সময় নতুন জামাকাপড় পেয়ে রাহুল জেনেছিল ভিন্নধর্মীদের উৎসব কেমন হয়। ইদে বাড়ি গেলে কাকিমা মা আর বোনেদের জন্য জামাকাপড় দিয়ে পাঠাতেন৷ ইদানীং আরোপিত সম্প্রীতির একঘেয়ে উপস্থাপনের মধ্যে এ এক নীরব আত্মীয়তাবোধ৷ আপন ভেবে ওঠার চেতনা৷ ‘মুসলমানের ছেলে’-কে ধর্মের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন কাকু-কাকিমা। মুসলিম হওয়ায় কোনওপ্রকার বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি। এমনকি কোনোদিন তাকে জোর করেননি যে হিন্দুধর্মের কোনো নিয়ম পালন করতে হবে। জীবনের একটা পর্যায় পর্যন্ত রাহুল ধার্মিক ছিল। এখন ধর্ম তাকে টানে না৷ অতীতের সেই ধার্মিক জীবনে রোজাও রাখতো এই বাড়িতে থেকে। সেসবে রায় পরিবারের পূর্ণ সহযোগিতা ছিল৷ রমজানে ভোর রাতে সেহেরি খাবারের ব্যবস্থাও করে দিতেন। ইফতারের আয়োজন হত৷ এখনও রায়বাড়িতে নিয়ম করে সত্যনারায়ণ পুজো হয়। বাড়িতে দায়িত্ব নেওয়ার কেউ নেই। তাই পুজোর সব জোগাড়যন্তর রাহুলের। পুজোর জিনিসপত্র, ফুল, ফল কেনাকাটা; আবার সেগুলো কেটে দেওয়া, পুজোর বাসন ধুয়ে দেওয়া। পুজোর পর আত্মীয়দের প্রসাদ বিতরণ সব কাজের দায়িত্ব রাহুলের৷ কাকু-কাকিমার পুজোর উদ্দেশ্য ধর্মকেন্দ্রিক, কিন্তু ধর্মবিমুখ রাহুলের ব্যবস্থাপনায় নিহিত থাকে ভালোবাসা। এই অনুশীলন বাঙালি সমাজে ঘটে যাচ্ছে৷ হোয়াটসঅ্যাপ নির্ভর বিদ্বেষচর্চার পর্দা সরিয়ে ক’জনই বা সেই বাংলাকে দেখার চেষ্টা করেছেন?

ডাক্তার প্রদীপ কুমার রায় এবং তাঁর সহধর্মিণী রূপা রায়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনার সুযোগ পেল রাহুল৷ এই ইটকাঠের শহর, আত্মকেন্দ্রিক শহুরে জীবন৷ সেখানে কে কাকে এই সুযোগ দেয়? কিন্তু রায় দম্পতি ভেবেছিলেন৷

দিনদিন বয়স বাড়ছে কাকিমার। লেগে আছে নানান সাংসারিক দোলাচল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুখের কারণে রাহুলের দায়িত্ব বেড়েছে৷ এখানেও অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে৷ রাহুল কাকু-কাকিমাকে বলে – “এখন তো রোজগার করি, একটা পরিচারিকা রাখতে দাও তোমাদের জন্য, যে সারাদিন যত্ন করবে, আমি তো কাজের প্রয়োজনে ছুটে বেড়াই।” কিন্তু তাঁরা রাজি হন না৷ আর পাঁচটা পরিবারের মতোই ঝগড়াঝাটি, অশান্তি, কথা কাটাকাটি হয়। ‘কেন যেতে দেবে না ওখানে?’ বনাম ‘কেন দেরি করে ফিরলি’-র নিয়ত সংঘাত৷ কিন্তু তার মধ্যেও জুড়ে আছে রায় পরিবার৷ নিবিড় মায়া বাসা বেঁধেছে। যা নিছক ঘ্যানঘ্যানে সম্প্রীতির গল্প নয়৷ বরং মানুষ দাঁড়িয়েছে মানুষের পাশে৷ স্নেহ ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছে৷ ধর্মপরিচয়ের ঊর্ধ্বে সে সম্পর্ক। 

প্রদীপবাবু ফুটবল বোঝেন। রূপাদেবী অল্পস্বল্প বুঝলেও ফুটবল খেলা দেখেন না। কিন্তু যবে থেকে রাহুল ফুটবলের দিকে এসেছে কাকিমারও ফুটবলের প্রতি আলাদা টান তৈরি হয়েছে। সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা দলের সহকারী ম্যানেজার ছিল রাহুল, রূপাদেবী নিয়ম করে রোজ জিজ্ঞেস করতেন কবে, কার সঙ্গে কখন খেলা। কোন চ্যানেলে খেলা হচ্ছে ইত্যাদি৷ সেইমতো খবরাখবর রাখতেন৷ দুঃখজনকভাবে সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে হেরে গেল বাংলা৷ তখন টিভির পর্দায় ফুটে উঠেছে বাংলার প্লেয়ারদের কান্না। হোটেলে ফেরার পর কাকিমার ফোন – ‘মন খারাপ করিস না, খেলাতে এমন হয়ই। পরেরবার জিতবি।’ বছর ঘুরতেই অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল কাকিমার আশ্বাসবাণী। রাহুলরা ন্যাশনাল গেমসে সোনা জিতে সোনার ছেলে হয়ে ফিরলো।

হোটেলে ফেরার পর কাকিমার ফোন – ‘মন খারাপ করিস না, খেলাতে এমন হয়ই। পরেরবার জিতবি।’ বছর ঘুরতেই অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল কাকিমার আশ্বাসবাণী। রাহুলরা ন্যাশনাল গেমসে সোনা জিতে সোনার ছেলে হয়ে ফিরলো।

যখন বাংলা দলের সঙ্গে ন্যাশনাল গেমসে ম্যানেজার হয়ে গেল রাহুল শেখ৷ কাকিমা পরিচিতদের খেলার লিংক পাঠাচ্ছেন। ডাগ আউটে নিজ সন্তানকে বসে থাকতে দেখে উচ্ছ্বসিত হচ্ছেন৷ ফোন করে জানাচ্ছেন – ‘তোকে দেখতে পাচ্ছি।’ ফাইনাল জেতার পর ছবি এল কাকিমার হোয়াটসঅ্যাপে৷ সেই ছবিগুলো সবাইকে হোয়াটসঅ্যাপে ফরোয়ার্ড করছেন – “দেখ দেখ রাহুল সোনা জিতে গলায় পরেছে। রাহুলরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে সোনা জিতল গুজরাটে। যে শহরে ধর্ম পরিচয়ের কারণে ঘরভাড়া পায় না মুসলিম ছেলেমেয়েরা। ভিন্নধর্মীর জন্য চায়ের কাপ, খাবারের প্লেট বদলে যায়৷ নানান ছুঁতমার্গ। তার উল্টোদিকে আছেন রায় দম্পতির মতো মানুষরা৷ যাঁরা বিপন্ন হতে বসা শিশুকে মাথায় উপর ছাদ দিয়েছেন, সুস্থ শিক্ষা দিয়েছেন, আদবকায়দা শিখিয়েছেন, দিয়েছেন সন্তানের মর্যাদা…। অনেক ঘৃণা আর বিদ্বেষ, দূষণের মতো ক্রমশ গিলে নিচ্ছে শহরটাকে৷ সেখানে ভালোবাসার নিঃস্বার্থ নিদর্শন রেখেছেন তাঁরা৷ হিন্দু-মুসলমানের গণ্ডি পেরিয়ে জ্বলজ্বল করছে ‘মানুষ’ শব্দটা৷ 

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করার পর রাহুল ফুটবলকে ভালোবেসে এগিয়ে যাচ্ছে। ইট-বালি বওয়া ছেলেটা এখন পেশাগত কারণে বিলাসবহুল হোটেলে থাকে ফুটবলারদের সঙ্গে৷ দলগত সাফল্যে থাকে তারও অবদান৷ জীবনে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে সে৷ মতী নন্দীর উপন্যাসের মতো তার জীবন৷ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিভাবান ফুটবলারদের ট্রায়ালের ব্যবস্থা করে দেওয়াই হোক বা গাইড করা, রাহুল সদা তৎপর। অনেক বাধার প্রাচীর পেরিয়ে খেলাপাগল যুবক বোঝে অন্যকে সুযোগ করে দেওয়ার মর্ম৷ একাত্ম হতে পারে অভাব-অভিযোগে জর্জরিত তরুণদের সঙ্গে৷ বাংলা দলকে ম্যানেজ করার দায়িত্ব তার কাঁধে৷ হয়তো একদিন সে ভারতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরবে৷ সে সম্ভাবনা ভবিষ্যতের গর্ভে। তবুও প্রতিকূলতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রাহুলরা উদাহরণ, এগিয়ে যাওয়ার সাহস এবং রায় পরিবার বাংলার চিরন্তনী সহাবস্থানের ধারা।

_____

সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে লেখা

Post Tags
Developed by DXDasia