
গত বছর কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ণ মন্ত্রকের র্যা ঙ্কিং সমীক্ষায় কল্যাণীর বিধানচন্দ্র কৃষি বিদ্যালয়ের স্থান ছিল দেশের মধ্যে একাদশ। এবং রাজ্যে প্রথম। আর আইসিএআর চলতি বছরে দেশের ৫৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে র্যা ঙ্কিং প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, এরাজ্যের বিধানচন্দ্র কৃষি বিশৃববিদ্যালয় রয়েছে ৪৩ নম্বরে এবং উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৫২ নম্বরে। এক বছরের মধ্যে কী ভাবে এটা হল এই নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেনবিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ধরনীধর পাত্র।
এ রাজ্যের দুটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই ভাবে পিছনের সারিতে চলে যাওযায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদ, আইসিএআর- কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলির যে রেঙ্কিং প্রকাশ করেছেন তাতে এরাজ্যের বিধানচন্দ্র কৃষি বিশৃববিদ্যালয় রয়েছে ৪৩ নম্বর এবং উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৫২ নম্বর স্হানে। ১৯৭৪ সালে গঠিত হয় নদীয়ার মোহনপুরে বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিসিকেভি। সেই সময় সারা দেশে হাতে গোনা কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। অন্যদিকে ২০০১ সালে কোচবিহারের পুন্ডিবাড়িতে গঠিত হয় রাজ্যের অপর আর একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নাম উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এরাজ্যের দুটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন এতটা পিছিয়ে পড়া? বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বিশ্ববিদ্যালয় দুটিতে দেশের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হয় থাকে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির এমন হালের একমাত্র কারণ হতে পারে আইসিএআরের বিভিন্ন মাপকাঠিতে উত্তীর্ন হতে না পারা।
যদিও এই প্রসঙ্গে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ধরনীধর পাত্র জানান, আইসিএআর এর আগে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনদিন রেঙ্কিং করেননি, এটাই তাদের প্রথম বছর। তাই তাঁরা জানেন না আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্হান কি ছিল। এর আগে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ণ মন্ত্রকের তরফে গত বছরের সমীক্ষায় তো তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্হান সারা দেশের মধ্যে ১১তম এবং এ রাজ্যের মধ্যে প্রথম হয়ছিলো।