
বেশ কয়েক বছর আগের কথা। গাঢ় কমলা রঙের রোদ পড়ত নন্দন-রবীন্দ্রসদন লিটল ম্যাগাজিন মেলা চত্বরে। একঝাঁক তরুণ কবির আড্ডা বসত রবীন্দ্র সদনের সামনের মাঠে। নব্বই পেরিয়ে সেখানেই যেন রচিত হচ্ছে বাংলা কবিতার অবারিত দশক শূন্য। যেখানে অবশ্যই চলে আসবে হিমালয় জানা, শৈবাল সরকার, অনিমিখ পাত্র, সঙ্ঘমিত্রা হালদার, রাজদীপ রায়, দীপান্বিতা সরকার, দেবর্ষি সরকার, অরিত্র সান্যাল, রাকা দাশগুপ্ত, সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋপণ আর্য, দীপ্তিপ্রকাশ দে, দেবব্রত কর বিশ্বাস, দেব মাইতি’র মতো এক একটি নাম। আর এই নামগুলি ছাপা থাকত যে পত্রিকাটি ঘিরে, তার নাম ‘বৃষ্টিদিন’। নব্বইয়ের বিশিষ্ট কবি মন্দাক্রান্তা সেন-এর সম্পাদনা।
বৃষ্টিদিন-এর সেই প্রিয় ‘মিঠিদি’র একটি ফেসবুক পোস্টে আবার আগের মতো উত্তেজনায় নড়েচড়ে বসেছেন একদল কবিতা-পাগল। কারণ আবার ফিরছে ‘বৃষ্টিদিন’ পত্রিকা (কবিতা ও কবিতা-বিষয়ক ভাবনার কাগজ)। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে লিটল ম্যাগাজিন মেলায় শেষবারের মতো প্রকাশিত হয়েছিল এই পত্রিকা। পাঁচবছর পর ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে আবার ফিরছে বৃষ্টিদিন, তেমনটাই জানালেন এই পত্রিকার আরেক সম্পাদক অরিনিন্দম মুখোপাধ্যায়। প্রকাশক হিসাবে আবার দেখা যাবে অনীতা সেনের নাম। বাংলা কবিতায় শুধুমাত্র কবিতার কাগজ আগেও বহু প্রকাশিত হয়েছে। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘কৃত্তিবাস’ কিংবা শ্যামলকান্তি দাশ সম্পাদিত ‘কবি সম্মেলন’। এগুলোর পাশেই চলে আসে বৃষ্টিদিন-এর নামও। গত ২৫ এপ্রিল মন্দাক্রান্তা সেন, তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন-
আবার ফিরে আসতে চলেছে
কবিতা ও কবিতা-বিষয়ক ভাবনার কাগজ
বৃষ্টিদিন।
• চল্লিশ অনূর্ধ্ব কবিরা বারোটি কবিতা পাঠান, মনোনীত হলে ছ’টি প্রকাশিত হবে। দীর্ঘ কবিতা পাঠাবেন না।
• চল্লিশোর্ধদের কবিতা শুধুমাত্র আমন্ত্রণমূলক।
• কবিতা পাঠানোর সময়সীমা ৩১ জুলাই ২০১৯।
• সাধারণ ডাক – এ কবিতা পাঠাবেন, কুরিয়ার, ইমেল, ইনবক্স বা হোয়াটসঅ্যাপে নয়।
• সঙ্গে অবশ্যই মোবাইল নম্বর দেবেন।
• চল্লিশ অনূর্ধ্ব তরুণ কবিরা তাঁদের দুই কপি বই পাঠান, মনোনীত হলে পত্রিকায় আলোচনা করা হবে।
• দপ্তরের ঠিকানা : মন্দাক্রান্তা সেন ।৫৯ /৫ প্রিন্স বকতিয়ার শাহ রোড । কলকাতা ৭০০০৩৩
বৃষ্টিদিন
নতুন কবিতার আবাদ
ছবি সৌজন্যে- রাজদীপ রায়