২৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সঙ্গীত মেলা, চলবে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত
কলকাতাকে বলা হয় ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী। বিশেষত শীতকালে শহরের চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে নানান সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে। গান তার ব্যতিক্রম নয়। অন্যান্য বছরের মতোই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে বাংলা সঙ্গীত মেলা এবং লোকসংস্কৃতি উৎসব ২০২৫। ২৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য সঙ্গীত মেলা, চলবে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত, প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় যেমন রবীন্দ্র সদন, একতারা মুক্তমঞ্চ, শিশির মঞ্চ, বাংলা আকাদেমি সভাঘর, হেদুয়া পার্ক, রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি মুক্তমঞ্চ, মধুসূদন মুক্তমঞ্চ, যোধপুর প্রগতি সংঘ (লর্ডসের মোড়), দেশপ্রিয় পার্ক এবং রবীন্দ্র ওকাকুরা মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে বাংলা সঙ্গীত মেলা। এছাড়া শতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি উপলক্ষে গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালায় অনুষ্ঠিত হবে নচিকেতা ঘোষ, সলিল চৌধুরী ও গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের তথ্যভিত্তিক প্রদর্শনী (দুপুর ২টো থেকে রাত ৯টা)।

গানের সুরে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো আর নতুন বছরের আবাহন। প্রত্যেক শীতে কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ এই সঙ্গীত মেলা। কলকাতা ছাড়াও এই মেলায় গান গাইবেন বিভিন্ন জেলার প্রবীণ-নবীন শিল্পীরা। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলার লোকশিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন।
সঙ্গীত মেলার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের মন্ত্রী তথা সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি জানান, ২০১১ সালের পর থেকে বাংলা সঙ্গীত মেলাকে মুখ্যমন্ত্রী যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তা নিয়ে খুশি সকল সঙ্গীতশিল্পী। মোট ১০টি জায়গায় সঙ্গীত মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া জেলায় চারটি জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণ করবেন বাংলার পাঁচ হাজার সঙ্গীতশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পী। ইন্দ্রনীল সেন বলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি ২০১১-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর কোনো দিন টাকা পয়সা নিয়ে অনুষ্ঠান করে না। যতদিন আমি থাকব কোনো সঙ্গীত শিল্পীর থেকে এক টাকা নেওয়া হবে না।”
আরও পড়ুন: কেরালার ‘কালচারাল আইকন’ সলিল চৌধুরী
গানের সুরে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো আর নতুন বছরের আবাহন। প্রত্যেক শীতে কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ এই সঙ্গীত মেলা। কলকাতা ছাড়াও এই মেলায় গান গাইবেন বিভিন্ন জেলার প্রবীণ-নবীন শিল্পীরা। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলার লোকশিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত বিভিন্ন সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রতিভাবান নবীন শিল্পীরাও এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
বাংলা সঙ্গীত মেলা উপলক্ষে রবীন্দ্র সদন-নন্দন চত্বরে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী স্টল তৈরি করা হবে। যেখানে সঙ্গীত-বিষয়ক গ্রন্থ, রকমারি হস্তশিল্পের প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা থাকছে। সেই সঙ্গে থাকছে নানান খাবারের স্টল। প্রত্যেকটি মঞ্চে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যাচ্ছে সমগ্র অনুষ্ঠান। এবছর বিশ্ববাংলা লোকসংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে চারুকলা ভবন সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সামনেই অনুষ্ঠিত হতে পারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত মেলা, আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব এবং যাত্রা উৎসব।