শিশুদিবস অর্থাৎ ১৪ নভেম্ভর শুরু হল চতুর্থ ‘জু ফেস্টিভ্যাল’
শহরে এখন শীত শীত ভাব। আর শীতের মরশুম মানেই চিড়িয়াখানায় কচিকাঁচাদের ভিড়। এবার শিশু ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের মনোরঞ্জন করার পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে বন্য প্রাণ ও পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা ও আগ্রহ বাড়াতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় পাঁচদিন ব্যাপী উৎসবের আয়োজন করেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। ১৪ নভেম্বর শিশু দিবসের দিন চিড়িয়াখানায় শুরু হল চতুর্থ তম ‘জু ফেস্টিভ্যাল’ (Alipore Zoo Festival)। চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজেতাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এই উৎসব হলেও কোভিডের কারণে গত দুবছর হয়নি। কিন্তু এখন আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে মানুষ। তাই আবারও চিড়িয়াখানা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে এবছর। ৫ দিনের এই ‘জু ফেস্টিভ্যাল’-এর প্রথম দিন অর্থাৎ ১৪ নভেম্বর ছিল বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে এই প্রতিযোগিতা। ওয়াইল্ড অ্যানিমালস ইন জু-এই থিমের উপর ছবি আঁকে পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়ারা। ‘ওয়াইল্ড অ্যানিমালস ইন দেয়ার রেসপেকটিভ হ্যাবিটাট’ থিমের উপর ছবি আঁকে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর পড়ুয়ারা। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের সংরক্ষণের উপর ছবির থিম দেওয়া হয়েছিল একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের। এই প্রতিযোগিতায় জিতলেই মিলবে নগদ পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার পাঁচ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার তিন হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কার দু’হাজার টাকা।
১৫ নভেম্বর তৃতীয় শ্রেণী থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেবে ‘স্কিট’ অথবা ‘শর্ট ড্রামা’ প্রতিযোগিতায়। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত স্কিটের জন্য আট মিনিট করে সময় পাবে তৃতীয় থেকে পঞ্চমের পড়ুয়ারা। এরপর বেলা দেড়টা থেকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়ারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। তারাও পাবে আট মিনিট সময়। পুরস্কার বিতরণ করা হবে দুপুর আড়াইটে থেকে।

থাকছে ক্যুইজ কমপিটিশন। ১৬ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা। অংশ নিতে পারবে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা। কলেজ ছাত্রছাত্রীদেরও এই প্রতিযোগিতায় নেওয়া হচ্ছে। জিতলে মিলবে পাঁচ হাজার টাকা।
১৭ নভেম্বর থাকছে রাইটিং কমপিটিশন। বন্যপ্রাণ নিয়ে মনের মতো প্রবন্ধ লেখার সুযোগ পাবে প্রতিযোগিতা। বিজেতা পাবে নগদ পাঁচ হাজার টাকা।
১৮ নভেম্বর উৎসবের শেষদিন থাকছে অভিনব পোস্টার মেকিং প্রতিযোগিতা।