
ডাব চিংড়ি হোক বা কোয়েল পাখির তন্দুরি, কৃষ্ণনগরের সরপুরিয়া হোক বা মুর্শিদাবাদের ছানাবড়া – বাংলার ঐতিহ্যময় খাবারের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের সেরা সুস্বাদু পদগুলোকে একসঙ্গে হাজির করেছে ‘আহারে বাংলা’। আজ থেকে শুরু হচ্ছে বাঙালির জমকালো ভূরিভোজের উৎসব।
আজ বিকেলে ‘আহারে বাংলা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে। সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বসবে রসনাতৃপ্তির আসর। এবার নোডাল এজেন্সি হিসেবে মেলার দায়িত্বে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আওতায় থাকা ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভ স্টক ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন। কৃষি বিপণন, বেনফিশ, এসএফসি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটিরশিল্প দপ্তরও আছে মেলার আয়োজনে। ২০১৫ সালে প্রথমবার ‘আহারে বাংলা’ শুরু করেছিল পশ্চিমবঙ্গে সরকার। প্রথম বছর থেকেই এই উৎসব সুপার হিট। এবার তা ৫ বছরে পড়ল।
খাদ্যরসিক বাঙালির জন্য হাজির ৩০০টির মতো পদ নিয়ে হাজির বাংলার সেরা ১১৬টি হোটেল-ক্যাটারিং-রেস্তোরাঁ। ৩টি বিশাল তাঁবুর নিচে একসঙ্গে ৯০০ জন খেতে পারবেন। এবারের মেলায় বিশেষ আকর্ষণ রকমারি নিরামিষ পদ। নিরামিশের জন্য রাখা হয়েছে একটি আস্ত প্যাভিলিয়ন। মিষ্টিকেও আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবারের ‘আহারে বাংলা’ উপলক্ষ্যে মাদার ডেয়ারি বাজারে এনেছে তাদের নিজস্ব বাংলার পান্তুয়া এবং চকোলেট। বাংলা পান্তুয়া প্যাকেটে থাকবে গোলাপ জামুন নামে। রাজ্যের প্রত্যেক জেলার মিষ্টি সাজিয়ে আলাদা আলাদা স্টলও থাকবে।