
ছোটো থেকেই হাঁপানির জন্য ফুটবল নিয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাননি সেরকম। ক্রিকেটটাও তেমনভাবে খেলতে পারেননি। যেখানেই যেতেন, সঙ্গে থাকত ইনহেলার। কিন্তু এই হাঁপানিকে জয় করেই সত্যরূপ সিদ্ধান্ত সাতটি মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করে ফেলেছেন। ছুঁয়ে ফেলেছেন পাঁচটি আগ্নেয় পর্বতের চূড়া। গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড। গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগের দপ্তরে এক অভিনব আলোচনায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হোম থেকে প্রায় ৫০ জন শিশু অংশগ্রহণ করে। বিশ্বের কনিষ্ঠ পর্বতারোহীর মুখ থেকে তাঁরা শুনে নিল রোমহর্ষক কাহিনি। সত্যরূপ তাদের বোঝালেন পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলোটাও জরুরি। প্রবলভাবে জানতে হবে ইতিহাস, বিজ্ঞান। রাস্তা কঠিন হলেও থেমে গেলে চলবে না। লড়াইটা খুবই জরুরি। সত্যরূপ বললেন, পাহাড়ের সুন্দর পরিবেশ দূষিত করা উচিত নয়।
শিশু সুরক্ষা আয়োগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা প্রশিক্ষণ দিয়ে চেষ্টা করছেন ছোটোখাটো ট্রেকিং করানোর। তাতে শিশুদের আলাদা একটা অভিজ্ঞতা হবে। এদিন আলোচনাসভায় শিশুরা সত্যরূপকে নানা প্রশ্ন করে। পাহাড়ে তাঁর ভয় করেছিল কিনা, কীভাবে পাহাড়ে উঠেছিলেন, কতগুলো সোয়েটার পরতেন, কী রান্না করতেন ইত্যাদি। ভীষণ খুশি খুশি মন নিয়ে সত্যরূপ সিদ্ধান্ত উত্তরও দেন। তিনি জানান, অ্যাডভেঞ্চারে উদ্দীপনা থাকা জরুরি। শিশুদের মধ্যে সেটা আছে। শিশুদের পাহাড়ে ওঠার স্বপ্নে সবরকমভাবে পাশে থাকতে চান তিনি।