
বৃহন্নলারাও যে মাথা উঁচু করে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারেন, এই সমাজে তাঁরা যে ‘ভিন্ন’ নন তা একবার জানান দিল প্রতিবেশী বাংলাদেশ। সাধারণত এর আগে বাংলাদেশে এলজিবিটিকিউ কমিউনিটি নিয়ে সেরকম উচ্চবাচ্য কারোর মধ্যেই দেখা যায়নি। বিখ্যাত ‘রূপবাণ’ পত্রিকার সম্পাদককে খুনও হতে হয় বেশ কয়েকবছর আগে। এই প্রথমবার বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের খাতায় নাম লেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের এক প্রতিনিধি। নাম সাদিয়া আখতার পিংকি।
বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিয়া আখতার পিংকি। পিংকিই বাংলাদেশের প্রথম বৃহন্নলা যিনি ইউনিয়ন পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেন।
বাংলাদেশের প্রথম বৃহন্নলা জনপ্রতিনিধি হওয়া প্রসঙ্গে পিংকি বলেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। সমাজের চোখে লিঙ্গ নিয়ে যে বৈষম্য রয়েছে, সেই বৈষম্য রোধেও কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন পিংকি।