
৯১ বছর বয়সে স্নাতক হলেন কিমলান জিনাকুল। থাইল্যান্ডের ‘হারাও’-এর বাসিন্দা এই বৃদ্ধা ৯ আগস্ট গ্রহণ করলেন তাঁর স্নাতক ডিগ্রির সার্টিফিকেট। স্বয়ং থাই রাজা, দশম রাম তাঁকে এই সার্টিফিকেট প্রদান করবেন। থাইল্যান্ডের সুখোথাই থাম্মাথিরাত ওপেন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জিনাকুল পড়াশুনা করেছেন ‘হিউম্যান অ্যান্ড ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ে।
চীনা বংশোদ্ভূত জিনাকুল বড় হয়েছেন লামপাং-এ। সেখানকার এক স্কুলের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন তিনি। পরে রাজনৈতিক কারণে তাঁর পরিবার ব্যাংককে চলে আসে এবং সেখানে বিয়ে হয় জিনাকুলের। বিয়ের পর লেখাপড়া শুরু করেন আবার। পাঁচ সন্তানের মা জিনাকুল। তাঁর এক মেয়েই তাঁকে স্নাতক স্তরে পড়াশুনা করার জন্য উৎসাহ দেন ও ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করান। সেই মেয়ে মারা যাওয়ার পর শোকে পড়াশুনা বন্ধ করে দেন জিনাকুল। দীর্ঘ ১০ বছর পরে, আবার ইউনিভার্সিটি যেতে শুরু করেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ৮৫ বছর।
‘মেয়ের হারানোর দু:খ ভুলে আমি পুরোপুরি পড়ায় নিমজ্জিত হলাম। মনের মধ্যে শুধু এটা কাজ করত – আমি স্নাতক পাশ করলে আমার মেয়ের আত্মা খুশি হবে।’ – সংবাদমাধ্যমকে এ-কথাই জানিয়েছেন ৯১ বছর বয়সী এই বৃদ্ধা।