
সেই দুর্লভ লেখাগুলি খুঁজে পেয়েছেন এক কলেজ পড়ুয়া
কিংবদন্তি সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত রচনা খুঁজে পাওয়া গেল লকডাউনের মধ্যেই। তার মধ্যে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যকীর্তি ছাড়াও আছে ছবি এবং এমব্রয়ডারি। পাওয়া গিয়েছে বেশ কিছু চিঠিও।
লীলা মজুমদারকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানানোর তোড়জোড় করছেন আশুতোষ কলেজের ছাত্র সৌম্যকান্তি দত্ত। কিছু মাস আগে লীলা মজুমদারের বাড়ি থেকে একগুচ্ছ কাগজপত্র পাইকপাড়ায় নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নানা কারণে সেগুলো ভালোভাবে দেখে উঠতে পারেননি আগে। লকডাউনের সময়ে অবসর পেয়ে ওইসব কাগজপত্র ঘাঁটতে থাকেন। তার ফলেই মেলে বিরল রত্নভাণ্ডারের খোঁজ।
সেইসব কাগজের থেকেই সৌম্য উদ্ধার করেন লীলা মজুমদারের আঁকা জলরঙের ছবি ও এমব্রয়ডারি। মিলেছে লেখিকার করা শেকসপিয়ারের ‘হ্যামলেট’, ‘ওথেলো’, ‘ম্যাকবেথ’, ‘জুলিয়াস সিজার’ নাটকের বঙ্গানুবাদ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী’-র ইংরেজি অনুবাদ, এবং ইংরেজি লেখা মাদার টেরিজার জীবনীও পাওয়া গিয়েছে। যা এই কিংবদন্তি লেখিকারই কাজ। আছে দেশিকোত্তম পুরস্কারের স্মারক, ইংরেজি ও বাংলায় লীলা মজুমদারের লেখা প্রবন্ধ, পুরোনো কিছু পত্রিকা, অনেকগুলি পুরোনো ফটোগ্রাফির নেগেটিভ। লীলা মজুমদারকে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নন্দলাল বসু, আশাপূর্ণা দেবী, প্রেমেন্দ্র মিত্রের বিরল চিঠিও খুঁজে পেয়েছেন সৌম্য।
লীলা মজুমদারের বিরল অপ্রকাশিত লেখাগুলির সংরক্ষণ ও প্রকাশ করতে চান সৌম্যকান্তি। তাঁকে সহায়তা করছেন দুই বন্ধু সৌরদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অয়ন চট্টোপাধ্যায়।
