
পোস্টার অফ দ্য ডে — শম্পা দাস
মারণ জীবাণুর আকৃতিতে নস্টালজিয়া ফুটিয়ে তুললেন শম্পা দাস। এই #গোভাইরালটুস্টপদ্যভাইরাস নামের একটি উদ্যোগে বলা হয়েছিল, করোনা জীবাণুর আকৃতিকে অবলম্বন করে ইতিবাচক শিল্প সৃষ্টি করতে হবে। যে অজানা জীবাণু ছিল মৃত্যুর প্রতীক, তাই-ই শিল্পীদের কাছে হয়ে উঠছে বাঁচার রসদ।

পোস্টার অফ দ্য ডে
আজকের পোস্টার অফ দ্য ডে শম্পা দাসের এই দুর্দান্ত কাজটি। শম্পা থাকেন টালিগঞ্জে। পড়শোনা করেছেন মাস কমিউনিকেশন নিয়ে। পেশায় তিনি একজন চিত্রশিল্পী। করোনা মহামারি এবং আমফান ঘূর্ণিঝড় প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছে তাঁর সংবেদনশীল মনকে। এই পোস্টারে ঘটেছে সেই শিল্পীমনের বহিপ্রকাশ। আমফান বিপর্যয়ের ফলে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে, সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইন্টারনেট। বহু মানুষই তখন গরমে স্বস্তি পেতে হাতপাখা তুলে নিয়েছেন, অন্ধকার দূর করতে জ্বালিয়েছেন লন্ঠন। এই ছোটো ছোটো পুরোনো জিনিসগুলির ফিরে আসাকেই শিল্পে তুলে ধরলেন শম্পা। তাঁর বাড়িতেই একটি তালপাতার সেপাই আছে, যা এই পোস্টারেও দেখা যাচ্ছে। সেপাইয়ের হাতে একটি পুরোনো হাতপাখা। সেপাই এবং পাখা দু’টোই তালপাতা দিয়ে তৈরি। এভাবেই নস্টালজিয়ে উস্কে দিয়েছেন শিল্পী।
আজকের পোস্টার অফ দ্য ডে’র জন্য মনোনীত হলেন শম্পা দাস। শিল্পীকে অভিনন্দন।
