
ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমেরিকা-জীবন এবং স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন – পর্ব ৫০
অলব্যানির মন্দিরে ক্ষুদ্রাকার দুর্গামূর্তি। ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে থাকা কিছু বাঙালি, যার মধ্যে কয়েকজন ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীও আছে। এরা খুব কম সময়ের জন্যে আসতো। আমরা তাদের অনেক বেশি করে যুক্ত করেছিলাম বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে।
ঊনিশশো পঁচানব্বই সালের ফেব্রুয়ারি মাস বোধহয়। অলব্যানি বরফে ঢাকা। মধ্য শীত।
সরস্বতী পুজো করা হলো অলব্যানি শেকার রোডের ওপরে গড়ে ওঠা হিন্দু মন্দিরে। সে মন্দিরের চোদ্দ আনাই দক্ষিণ ভারতীয়। ভেতরে একটা বিরাট হলঘর, তার চতুর্দিকে সাজানো নানা দেবদেবীর মূর্তি ছোটো ছোটো খুপরি খুপরি মন্দিরে। তার একটাতে কীভাবে যেন স্থান পেয়েছেন আমাদের বাঙালিদের আরাধ্যা দেবী দুর্গা। আর একদিকে সরস্বতীও আছেন।
আমাদের নিমাইদা – নিমাই মুখোপাধ্যায় রেনসেলেয়ার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। তিনি পণ্ডিত মানুষ। কীভাবে যেন আমাকে খুব স্নেহের চোখে দেখে ফেললেন। আমি নিমাইদাকে একদিন বললাম, আচ্ছা আমি যদি এই বাঙালি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াই, আপনার কি মনে হয় আমার জেতার আশা আছে?
অলব্যানির হিন্দু মন্দিরের সামনে বিশ্বদা, তাঁর বাবা মা, বড়ো মেয়ে ইন্দ্রাণী এবং আমাদের মেয়েকে দেখা যাচ্ছে। এই মন্দিরের নির্মাণ করেছিল দেশ থেকে নিয়ে আসা দলিত শ্রমিকরা। কিন্তু মন্দির প্রতিষ্ঠার পরে তাদের মন্দিরের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
শেষকালে ঠিক করা হলো ভোট নেওয়া হবে। পার্থর যোগ্যতা আছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুর্গাপুজো অর্গানাইজ করার, পরিচালনা করার। কিন্তু এই তিরিশটা ফ্যামিলির মধ্যেও উচ্চনীচ ব্যবধান দুস্তর। মার্সিডিজ লেক্সাসদের এক প্রার্থী আছেন। এবং সেই গ্রুপই এতদিন এখানে ছড়ি ঘুরিয়ে এসেছেন। দুর্গাপুজোতে ওই তিরিশটা ফ্যামিলিই চিরকাল এসেছে। সরস্বতী পুজোতে আরো কম। দুবছরের রবীন্দ্র জয়ন্তী কাম নববর্ষ প্রোগ্রাম দেখে মনে হয়েছে, আমাদের সেই হর্তুকি বাগান লেনের রবীন্দ্র জয়ন্তী এর চেয়ে হাজার গুণে ভালো হতো। তাঁদের ছেলেমেয়েরা কেউ বাংলায় কথা বলতে পারে না। তারা পুজোর সময়েও একদিন বাঙালি খাবার খেতে পারে না। তাদের জন্যে পিৎজা আনানো হয়।
নিমাইদা উৎসাহ দিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের নিবেদিতপ্রাণ সৎ, ধার্মিক মানুষ। তাঁর স্ত্রী সুহাসিনী মারাঠি, কিন্তু মোটামুটি বাংলা বোঝেন। তাঁদের দুই মেয়ে দীপালি আর পিয়ালী। দীপালি পিয়ানো বাজায়। আর ছোটো মেয়ে পিয়ালী বেহালা। নিমাইদা বোধহয় কোনো একটা পার্টিতে আমার রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছিলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই ভোট দেবে সবাই। তুমি প্রেসিডেন্ট হলে এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান খুব ভালো মানের হবে। আমি জানি। তুমি দাঁড়াও।
নিমাইদা আমাদের দুর্গাপুজো আর সরস্বতী পুজোতে মন্দিরে মাস মাইনেতে নিযুক্ত দক্ষিণ ভারতীয় পুরোহিতকে সাহায্য করে থাকেন। তিনি সংসারের জটিলতা কী বুঝবেন? নীরদ চন্দ্র চৌধুরী অনেকদিন আগেই বলে গিয়েছিলেন বাঙালি চরিত্রের আসল অন্ধকার দিকের কথা। আত্মঘাতী বাঙালি। বাঙালি জাতি নিজের সম্প্রদায়কে যেভাবে খুন করে, রক্তাক্ত করে, তেমন আর কোনো ভারতীয় সম্প্রদায় করে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। অলব্যানির বাঙালি সমাজে তার প্রমাণ আমি হাতে নাতে পেলাম।
বিরানব্বইয়ের শেষ দিকে এই ট্রাই-সিটিতে বসবাস করতে এসেছি পোস্ট ডক্টোরাল ফেলোশিপ নিয়ে। বাড়ি নেই, ভাড়াবাড়িতে থাকি। গাড়ি আছে, কিন্তু একটাই, এবং পুরোনো। না, আমাদের সুইমিং পুল নেই রবীনদার বাড়ির মতো। বা, রামকৃষ্ণ ঘোষাল, নবেন্দু চৌধুরী আরো সব বহুকাল এখানে থাকা উচ্চবিত্ত বাঙালিদের মতো। আমার গান গাইবার, নাটক, আবৃত্তি করার ক্ষমতা আছে, আমার বউয়েরও আছে। আমি সেই স্কটিশ চার্চ স্কুলে পড়ার সময় থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করছি, নেতাগিরি করছি। আমার বউ আর আমি একসঙ্গে “বল্লভপুরের রূপকথা” নাটক করেছি বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের রি-ইউনিয়নে। আমরা জানি, হাই কোয়ালিটি প্রোগ্রাম কীভাবে করতে হয়। এখানকার বাঙালিরা জানে না। তিরানব্বই আর চুরানব্বইয়ের নববর্ষ প্রোগ্রাম দেখে জেদ চেপে গিয়েছিল করে দেখাবো ভালো অনুষ্ঠান কাকে বলে। এই তিরিশটা বাঙালি ফ্যামিলির কোনো ধারণাই নেই নাটক, গান, গ্যাদারিং কেমনভাবে জমাতে হয়।
আমি আর মুক্তি, সে বছর (১৯৯৩) মিসিসিপি নদীতে বিশাল প্লাবন।
একটা ছোটো অনুষ্ঠান চুরানব্বইতে করেছিলাম এই মন্দিরের হল ভাড়া নিয়ে। কলকাতা থেকে এসেছিলো গান গাইতে আমাদের স্কটিশের ভাই অলক রায়চৌধুরী। সীতাংশু ঘোষের সাহায্যে আমরা ওর আমেরিকার প্রথম অনুষ্ঠান করে দিলাম। গান গাইবেন শ্রী অলক রায়চৌধুরী। তবলা সঙ্গতে শ্রী পার্থ ব্যানার্জী।
কিন্তু না, আমাদের বাড়ি নেই, মার্সিডিজ লেক্সাস গাড়ি নেই, সুইমিং পুল নেই, স্টক মার্কেট নেই, হীরেজহরতের গয়না নেই।
অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা আমাদের নেই।
সরস্বতী পুজোর সময়ে ওই তিরিশ ঘর পশ্চিমবঙ্গীয় বাঙালির বার্ষিক মিটিং হলো। সেখানে আমি আমার মনোবাসনা ব্যক্ত করলাম। তারপর দেখলাম সবাই চুপচাপ। অলব্যানির মন্দিরের ভেতরের হলঘরে কার্পেটের ওপর বসে থাকা বঙ্গসন্তানরা তাদের প্রকৃতিগত কিচমিচ কোলাহল বন্ধ করে মৌনতা পালন করছে। যেমন কেউ মারা গেলে তার স্মৃতিতে মৌনতা পালন করা হয় এক মিনিট।
শেষকালে ঠিক করা হলো ভোট নেওয়া হবে। পার্থর যোগ্যতা আছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুর্গাপুজো অর্গানাইজ করার, পরিচালনা করার। কিন্তু এই তিরিশটা ফ্যামিলির মধ্যেও উচ্চনীচ ব্যবধান দুস্তর। মার্সিডিজ লেক্সাসদের এক প্রার্থী আছেন। এবং সেই গ্রুপই এতদিন এখানে ছড়ি ঘুরিয়ে এসেছেন। দুর্গাপুজোতে ওই তিরিশটা ফ্যামিলিই চিরকাল এসেছে। সরস্বতী পুজোতে আরো কম। দুবছরের রবীন্দ্র জয়ন্তী কাম নববর্ষ প্রোগ্রাম দেখে মনে হয়েছে, আমাদের সেই হর্তুকি বাগান লেনের রবীন্দ্র জয়ন্তী এর চেয়ে হাজার গুণে ভালো হতো। তাঁদের ছেলেমেয়েরা কেউ বাংলায় কথা বলতে পারে না। তারা পুজোর সময়েও একদিন বাঙালি খাবার খেতে পারে না। তাদের জন্যে পিৎজা আনানো হয়।
কিন্তু তাঁরা মার্সিডিজ লেক্সাস সুইমিং পুল প্রাসাদের মতো বাড়ি। তাঁরা ওই দক্ষিণ ভারতীয় মন্দিরকেও কয়েক হাজার ডলার দিয়ে থাকেন। আমরা দিতে পারি না। দিতে চাইও না।
এক স্থানীয় অধ্যাপককে দায়িত্ব দেওয়া হলো ভোট পরিচালনা করার। যদিও তিনি তাঁদেরই পক্ষের, স্পষ্ট বোঝা গেলো। কিন্তু উপায় নেই, কারণ আর কেউ প্রিসাইডিং অফিসার হতে রাজি হলেন না। ভোট হলো। আমার পক্ষে পনেরো, অন্য পক্ষে চোদ্দ। দেখা গেলো, কেউ একজন অর্থাৎ একটা ফ্যামিলি ভোট দেয়নি।
স্থানীয় অধ্যাপক এই অজুহাতে ভোট অবৈধ বা অসম্পূর্ণ ঘোষণা করে দিলেন। যদিও কোনোভাবেই তা করা যায় না।
তারপর যেটা হলো, তা অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়। মার্সিডিজ গ্রুপ ওয়াক আউট করে বেরিয়ে চলে গেলো। তাঁদের নাকি আমি অপমান করেছি প্রেসিডেন্ট হতে চেয়ে। এবং তিরিশটা ফ্যামিলি একেবারে লম্বালম্বিভাবে আলাদা হয়ে গেলো। নিরানব্বই সালে যখন আমরা অলব্যানির পাততাড়ি গুটিয়ে ফেলছি, কারণ আমি নিউ ইয়র্ক শহরে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জার্নালিজম পড়তে চলে আসছি, সেই দিন পর্যন্ত এই গ্রুপ আর কখনো আমাদের পুজো বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আসেনি।
যাঁরা আমাকে ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট করলেন, তাঁদের মধ্যেও কেউ কেউ অভিযোগ করলেন, আমি আসার পর থেকেই নাকি এই বাঙালি কমিউনিটি এমনভাবে ঝগড়াঝাঁটি করে ভাগ হয়ে গেলো। আগে কখনো এমন হয়নি।
সেই বিষাদ, সেই দুঃখ, সেই অনুচ্চারিত উত্তর বয়ে বয়ে বেড়াতে হয়েছে অলব্যানির শেষ দিন পর্যন্ত।
ভোটের পরের দিন নিমাইদা ফোন করে শুভেচ্ছা জানালেন। বললেন, “পার্থ, আমি আর সুহাসিনী কিন্তু তোমাকেই ভোট দিয়েছি।” আরো দুই দাদা দীপক মুখোপাধ্যায় যাঁর স্ত্রী শ্যামলী তাঁর বাড়িতে এলাহী রান্নাবান্না করে খাওয়াতেন সবাইকে, তিনি এবং আর এক দাদা অজয় শীল দেখা করতে এলেন এই ঘটনার জন্যে দুঃখপ্রকাশ করতে, এবং সমবেদনা জানাতে।
তাঁদের সমবেদনা এই হঠাৎ দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দিয়েছিলো।
অধ্যাপক নিমাই মুখোপাধ্যায়। সেই তাঁর শেষ দুর্গাপুজো করা। তিনি জানতেন আর বেশিদিন বাঁচবেন না।
পঁচানব্বই সালে আর পি আই’এর ওয়েস্ট হলে আমাদের বিশাল নববর্ষ ও রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠান হলো। আমরা বস্টন, সিরাকিউজ, রচেস্টার, বিংহ্যামটন এসব কাছাকাছি জায়গা থেকে বন্ধুদের ডেকে এনেছিলাম। ইউনিভার্সিটি অফ অলব্যানির ছাত্রছাত্রীরা এসেছিলো হৈহৈ করে। আর হৈহৈ করে এসেছিলো আরপিআই’এর নতুন ভাইবোনেরা – প্রতীক সরকার ও তার বান্ধবী কান্তিমতী, অনির্বাণ দে ও তার বান্ধবী প্রীতি, সন্তোষ ভট্টাচার্য্য, বিশ্বদীপ সোম, শেষাদ্রি গাঙ্গুলি। আমরা একসঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের খগম গল্প নিয়ে গা ছমছমে নাটক করেছিলাম। সবাই মিলে সুমন নচিকেতা সলিল চৌধুরী ভূপেন হাজারিকার গান গেয়েছিলাম। সারাদিন ধরে অনুষ্ঠান হয়েছিল। প্রায় তিনশো মানুষ। এমন অনুষ্ঠান কেউ দেখেনি অলব্যানিতে। সবার জন্যে খাওয়াদাওয়া।
বহু পুরোনো বন্ধুদের এখন ভরা সংসার। অন্ততঃ দশ বছর আগে তোলা এই ছবিতে বাঁদিকে প্রতীক সরকার, কান্তি সরকার ও ডানদিকে অনির্বাণ দে, প্রীতি দে এবং তাদের দুই পরিবারের সন্তানদের দেখা যাচ্ছে।
অক্টোবর মাসে দুর্গাপুজোতেও ওই মন্দিরে এই প্রথম বাঙালিদের পুজোয় কয়েকশো মানুষের ভিড়। শাঁখ, উলুধ্বনি, কাঁসরঘন্টা, আর রেকর্ডে ঢাক বাজিয়ে সমবেত নৃত্য। সেই ট্র্যাডিশন আজ পর্যন্ত অলব্যানির পুজোয় চলছে। সেখানে আলাপ হলো দুজন উল্লেখযোগ্য মানুষের সঙ্গে। শ্রীরূপা সরকার আলাপ করিয়ে দিলো তার বান্ধবী সেমন্তী ঘোষের সঙ্গে। জানা গেলো, তিনি শঙ্খ ঘোষের মেয়ে, এবং আনন্দবাজারের সাংবাদিক। যোগাযোগটা সেই থেকে রয়েই গেছে।
আর আলাপ হলো ভার্মন্টের ক্যাসলটন ইউনিভার্সিটির মিডিয়া স্টাডিজের অধ্যাপিকা সংযুক্তা ঘোষের সঙ্গে। সে কখনো কোনো অনুষ্ঠানে আসেনা। আমি তার খোঁজ করে তাকে ডেকে নিয়ে এসেছিলাম। প্রগতিশীল, লেফটি দিল্লির বাঙালি। সংযুক্তার সঙ্গে আলাপ হওয়া ছিল যেন ঈশ্বরের আশীর্বাদের মতো। কারণ, সে আমাকে প্রথম বলে আমেরিকার প্রগতিশীল দিকটার কথা। সে আমাকে দ্য নেশন ম্যাগাজিন পড়তে দেয়, মাদার জোন্স নামক প্রখ্যাত প্রতিবাদী মহিলার কথা বলে। সংযুক্তা আমাকে বলে, নোম চমস্কি বলে একজন মানুষ আছেন এই আমেরিকায়, যাঁর নাম সারা পৃথিবীর মানুষ জানে, কিন্তু মার্কিন মিডিয়া তাঁর কথা কখনো বলে না।
উৎপল ও সীমা নামের এক দম্পতি তাঁদের ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে আরো অনেক উত্তরে অ্যাডিরনড্যাক্স পর্বতের মধ্যে এক ক্ষুদ্র শহরে থাকেন। তাঁকেও ডেকে নিয়ে আসা হলো। জানা গেলো, সীমা নাকি আমাদের সেই কার্বনডেল এসআইইউ থেকেই বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পাশ করা মেয়ে।
মিডিয়া স্টাডিজ ও উইমেন্স স্টাডিজের অধ্যাপিকা ডঃ সংযুক্তা ঘোষ।
তাঁদের মেয়ে কিন্তু কখনো এতো মানুষ দেখেনি। আমাদের ওয়েস্ট হলের নববর্ষ অনুষ্ঠানে এসে সে ভয়ে, আতঙ্কে জড়োসড়ো হয়ে মায়ের কোলে মুখ লুকিয়ে বসে থাকলো। তারপর সে দেখলো সিকিউরিটি গার্ড কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষকে। তখন সে এমন কান্না জুড়লো যে উৎপলদা তাকে নিয়ে বাকী সময়টা হলের বাইরেই কাটাতে বাধ্য হলেন।
সে কখনো কোনো কালো মানুষকে আগে দেখেনি।
(চলবে)
*আমেরিকা-জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রখ্যাত মানবধিকার কর্মী ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলামে চলছে ‘মেরিকামায়া সাতকাহন’।
ধারাবাহিকভাবে প্রতি শুক্রবার সন্ধে ৬টায় প্রকাশিত হচ্ছে শুধুমাত্র বঙ্গদর্শন-এ।
‘মেরিকামায়া সাতকাহন’-এর সমস্ত পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
