![]()
টেস্টঅ্যাটলাসের ‘দ্য বেস্ট র্যা পস্ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর তালিকায় ষষ্ঠ
কলকাতার নিজস্ব যেসব খাবার দেশ-বিদেশে জনপ্রিয়, তার মধ্যে অন্যতম এই ঐতিহাসিক রোল। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, এই রোল খেয়েছেন, অথচ তার প্রেমে পড়েননি এরকম খাদ্যরসিক বোধহয় পাওয়া যাবে না। আর সেকারণেই, জনপ্রিয়তার নিরিখে এবার বিশ্বের সেরা র্যা পস্ (Wraps)-এর তালিকায় উঠে এসছে ভারত তথা কলকাতার কাঠি রোলের নাম।
শোনা যায়, নিউ মার্কেট চত্বরের রেস্তোরাঁর বিফ কাবাব ছিল ইংরেজদের পছন্দের। কাঠি বা স্কিউয়ারে গাঁথা, সুস্বাদু ধোঁয়া ওঠা বিফ কাবাবের টুকরো দিয়ে মুড়ে ফেলা পরোটাই পরিচিতি পায় ‘কাঠি রোল’ নামে।
![]()
সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসছে টেস্টঅ্যাটলাসের ‘দ্য বেস্ট র্যা পস্ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর তালিকা। যেখানে গ্রিসের জাইরোস ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাংচু সামের পরে, ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে কলকাতার আইকনিক কাঠি রোল। তালিকায় প্রথমস্থানে রয়েছে গ্রিসের র্যা পজাতীয় খাবার ‘গাইরোস’, দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার খাবার ‘সাংচু সাম’, তৃতীয়স্থানে রয়েছে তুর্কির খাবার ‘তানতুনি’, চতুর্থস্থানে রয়েছে মেক্সিকোর খাবার ‘এনচিলাডাস সুইজাস’, পঞ্চমস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাবার ‘কার্নে আসাদা বুরিটো’।
প্রসঙ্গত, ১৯৩০ সালে কলকাতার নিজাম’স রেস্তোয়াঁয় আইকনিক এই রোলের জন্ম। শোনা যায়, নিউ মার্কেট চত্বরের রেস্তোরাঁর বিফ কাবাব ছিল ইংরেজদের পছন্দের। কাঠি বা স্কিউয়ারে গাঁথা, সুস্বাদু ধোঁয়া ওঠা বিফ কাবাবের টুকরো দিয়ে মুড়ে ফেলা পরোটাই পরিচিতি পায় ‘কাঠি রোল’ নামে। কোনও এক সাহেবকে খুশি করতেই নাকি চটজলদি বানিয়ে ফেলা হয়েছিল খাবারটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে মাংসের পুর। বিফ কাবাবের বদলে চিকেন, মাটন, এগ, পনির, ফিশ নানা স্বাদের কাঠি রোল এসেছে রসনা তৃপ্তি করতে।
