দীপাবলিতে বাজি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির ডাক দিয়েছে চিকিৎসক সংগঠনগুলি
করোনা আবহে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন আলোর উৎসবে বাজি যাতে কোনোভাবেই না ব্যবহার করা হয়। তাতে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এলেন পূর্ব কলকাতার কালিকাপুর বাজিবাজার সমিতি। শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাজি ব্যবসায়ীরা বৈঠক করেন সম্প্রতি। ব্যবসায়ীদের ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন টালা পার্ক, শহিদ মিনার, কালিকাপুর এবং হাওড়ার বাজিবাজার সমিতির প্রতিনিধিরা। বৈঠকের শুরুতেই বাজিবাজারের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলেন কালিকাপুর বাজিবাজার সমিতির সম্পাদক শ্যামাপ্রসাদ মজুমদার।
তিনি বলেন, দীপাবলিতে বাজির ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির ডাক দিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসক সংগঠনগুলি। এই পরিস্থিতিতে বাজিবাজার করা মানে সাক্ষাৎ মৃত্যুকে ডেকে আনা। তাই এ বছর তাঁরা বাজিবাজার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পাশাপাশি এ-ও জানান, আতসবাজি এবং শব্দবাজি বিক্রি ঠেকাতে পুলিশ ও প্রশাসনকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র জানিয়েছেন, “বাজি বিক্রি এবং নিষিদ্ধ বাজি ধরপাকড়ের কাজ পুলিশ করবে।” কালিকাপুর বাজিবাজার সমিতির সিদ্ধান্তে খুশি চিকিৎসকমহল থেকে শহরের সাধারণ মানুষ।