“সন্তানের সঙ্গে অভিভাবকের সম্পর্ক আরও নিবিড় করে তোলে আমার গল্প” – আনা গোঞ্চারোভা

রাশিয়ান শিশু সাহিত্যিক আনা গোঞ্চারোভার একান্ত সাক্ষাৎকার

এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার থিম দেশ রাশিয়া। সেই উপলক্ষ্যে বহু নামি রাশিয়ান সাহিত্যিক বইমেলায় আসছেন, পাঠকদের সঙ্গে আড্ডা মারছেন। বইমেলায় রাশিয়ার স্টলেই এসেছিলেন আনা গোঞ্চারোভা। রাশিয়ার এক বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক তিনি। সঙ্গে একজন মনোবিদ, শিক্ষাবিদ এবং শব্দবিদও বটে। রাশিয়ার বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠানে থাকেন, পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা। লিখেছেন প্রচুর রূপকথার গল্প, কবিতা, এবং আরও নানান সব বই। তাঁর সৃষ্টি করা দুটি চরিত্র ‘এলিয়া’ এবং ‘এনিয়া’ খুব জনপ্রিয়। এরা রকুন প্রজাতির এক ধরনের প্রাণী, অনেকটা ভালুকের মতো। তবে আনার কল্পনায় এরা মানুষই হয়ে উঠেছে। 

তাঁর ছেলে যখন খুব ছোটো, তাকে রূপকথার গল্প শোনাতেন আনা। সেই গল্পগুলোই পরে বই হয়ে ওঠে। তাঁর বইয়ে যেমন স্বপ্নের মায়াময় জগতের আকর্ষণ থাকে, তেমনি থাকে শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় কিছু পাঠ। কচিকাঁচাদের আরও বুদ্ধিমান, আরও দয়ালু গড়ে তুলতে, সন্তান এবং অভিভাবকের সম্পর্ক আরও অন্তরঙ্গ করে তুলতে মনোবিদ্যার প্রয়োগ করেন তিনি। বইয়ের মধ্যে এমন সব খেলা রেখে দেন, বাচ্চারা তাদের বাবা-মার সঙ্গে যেগুলো সহজেই খেলতে পারে। 

বইমেলায় আনা গোঞ্চারোভার সঙ্গে আড্ডায় মেতেছিলেন বঙ্গদর্শনের দুই প্রতিনিধি – শ্রেয়ণ এবং শ্রীময়ী ভট্টাচার্য। একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এল তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির প্রেরণা, কলকাতা বইমেলা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং আরও কিছু প্রসঙ্গ। এবারের বইমেলায় তাঁর বই প্রথম অনুবাদ করা হয়েছে বাংলায়। দে’জ থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘এনিয়া এবং এলিয়ার প্রথম গল্প’। আনা জানালেন, বাংলায় তাঁর বই অনূদিত হওয়াতে তিনি গর্বিত।  আনা গোঞ্চারোভার সাক্ষাৎকারটি দেখতে এবং শুনতে ক্লিক করুন লিংকে। 

বিশেষ কৃতজ্ঞতা – গৌতম ঘোষ, গোর্কি সদন। 

Developed by DXDasia