
চা বাগানের অভুক্ত মেয়েদের খেলার মাঠে নিয়ে এসেছেন তিনি। তৈরি করেছেন ফুটবলার। সম্মানের মুকুট পরিয়েছেন তাদের মাথায়। ভবানী মুণ্ডা। ডুয়ার্সের চা বাগান আর জঙ্গলেই বেড়ে ওঠা তাঁর। সংরক্ষণশীল আদিবাসী পরিবারের মেয়ে ভবানীর সাত বছর বয়স থেকেই মাঠ ও ফুটবলের সঙ্গে প্রেম। লড়তে লড়তে আজ নিজেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন ফুটবলার হিসেবে। শুধু তাই নয়, আদিবাসী মেয়েদেরও ঘর থেকে নিয়ে এসে ফুটবলার তৈরি করেছেন ভবানী মুণ্ডা।
৫৫ জনের টিম আজ ভবানীর সঙ্গে। বিভিন্ন স্থানে ফুটবল খেলে প্রশংসাও অর্জন করেছে তাঁর টিম। ২০১৫তে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীকে বঙ্গরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন। তবে, ভবানীর লড়াই এখন আরও জোরদার। বিয়ের পরে সংসার আর নিজের চা-ঘুগনির দোকান সামলিয়েও মেয়েদের ফুটবল শেখাতে পিছপা নন তিনি। বলেন, একটা চাকরি পেলে আরও মজবুত হবে লড়াই। খেলোয়ার মেয়েরা যাতে নিয়মিত স্কুলে মিড ডে মিল পায়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ভবানীর টিমের মেয়েদের কয়েকজন ফুটবলে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করেছে। যোগ্য প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা পেলে মেয়েরা আরও উজ্জ্বল করবে বাংলার মুখ – এমনটাই আশা ভবানীর।