
পুজোর মরসুমে ভ্রমণের নতুন ঠিকানা হতে পারে ‘মসলিন সার্কিট’। সার্কিট হাউসে থাকা আর মসলিন তৈরি হওয়া দেখা। এমনই এক অভিনব উদ্যোগ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ এবং সোসাইটি অফ কিন্ডলিং হ্যান্ডিক্রাফট্স অ্যান্ড ইন্ডিজিনাস আর্টস(সখীয়া) সংস্থা দ্বয়। এর মাধ্যমে বাংলার তাঁতিদের বোনা কাপড় এক নতুন মাত্রা পাবে। এইরকম প্রচেষ্টা সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে যে, মসলিন চাষ রাসায়নিক প্রভাবমুক্ত। চাষ করতে কীটনাশক বা রাসায়নিক সার ব্যবহার করা যায় না। আবার স্বাস্থ্যের পক্ষেও উপযোগী।
বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের কাছে অকাল পৌষ ও শশীনাড়া, নবদ্বীপ এবং মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে চাষ করা হচ্ছে মসলিনের। ইতিমধ্যেই বর্ধমানেই তৈরি হয়েছে পাঁচশো কাউন্টের মসলিন। এখানকার একটি শাড়ি এতই মসৃণ যে আংটির মধ্যদিয়েই গলে যেতে পারে বলে যাচ্ছেন চাষীরা। গতবছরের মত এবারও অনেক বিদেশিরা আসছে এই সব মসলিন সর্কিট হাউজে। এবার অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেন থেকে আসছে পর্যটকরা। পর্যটকদের জন্য রাখা হবে শৌচালয়, বিশুদ্ধ পানীয় জল, পর্যটকদের বিশ্রাম কক্ষ। পর্যটকরা দেখতে পারবেন মসলিন চাষ, তুলো থেকে চরকার মাধ্যমে সুতো কাটা, মসলিন বোনা। পশ্চিমবঙ্গ খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদের চেয়ারম্যান গৌরী দত্ত জানালেন, বিশ্ব জুড়েই পর্যটকদের রুচি পরিবর্তন হচ্ছে। সেখানে মসলিন সার্কিট নতুন মাত্রা যোগ করবে। ১৯ সেপ্টেম্বর মহালয়ার পরের দিনই এই আনুষ্ঠানিক উৎবোধন করা হবে।