
‘গোর্খাল্যান্ড’ কথাটি মুছে ফেলতে হবে পাহাড়ের সব সাইনবোর্ড থেকে। এমনটাই দাবি ‘বাংলা ও বাংলাভাষা বাঁচাও কমিটি’-র সভাপতি ডাঃ মুকুন্দ মজুমদারের। একই সঙ্গে, দশম শ্রেণি পর্যন্ত রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাংলা শেখা বাধ্যতামূলক করা এবং সমস্ত সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারেরও দাবি তুলেছেন তিনি।
দার্জিলিং-এ সব সাইনবোর্ড নেপালি ও ইংরাজিতে লিখতে হবে, বাংলা থাকবে না কোথাও – গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল গুরুঙ্গের এই দাবির প্রতিবাদে পথসভা করেছেন মুকুন্দবাবুরা। পোড়ানো হয়েছে গুরুঙ্গের কুশপুতুলও। পাহাড়ে ঐতিহাসিক বৈঠক ও মোর্চার উন্নয়নবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জিনিয়েছেন তাঁরা। মুকুন্দবাবুর দাবি – ব্যবসাবাণিজ্য, শিল্পস্থাপন ও ঋণ প্রদানে বাঙালিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বাংলা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বহুদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন মুকুন্দ মজুমদার। এর আগেও, ২০০৭ সালে শিলিগুড়িতে নিজের জমিজমা বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করেন আন্দোলন করার জন্য। এখন অশীতিপর বয়সে আবার বাংলা ভাষা ও বাঙালির স্বার্থে নেমেছেন পথে। তাঁর কথায়, দাবি পূরণ না হলে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করে যাবেন তিনি।