
ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়েছে অ্যামবুলেন্স, আর পুলিশের পাইলট কারের সাইরেন শুনে কনভয়কে জায়গা করে দিতে ব্যস্ত ট্রাফিক পুলিশ। রাস্তার এই চেনা ছবিটা পালটাতে এবার উদ্যোগী হল রাজ্যসরকার। পুলিশের পাইলট কারের সাইরেন এবং অ্যামবুলেন্সের সাইরেন একরকম হওয়ায় অনেক সময়ই দুয়ের মধ্যে পার্থক্য করা যায় না। যার ফল ভোগ করতে হয় রোগী এবং তাঁর আত্মীয়দের। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, রাস্তায় অ্যামবুলেন্সকে অগ্রাধিকার দিতে আলাদা করতে হবে সাইরেনের আওয়াজ।
দুটো সাইরেনের আওয়াজ কেমন হবে? পরিবহণ দপ্তরের সুপারিশ অ্যামবুলেন্সের ক্ষেত্রে ‘ওয়েটিং সাউন্ড এফেক্ট’ ব্যবহার করা হোক, এতে সাইরেনের আওয়াজ ওঠানামা করবে। আর পুলিশের গাড়িগুলির ক্ষেত্রে ‘পাসিং সাউন্ড এফেক্ট’ ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। তবে দুটি গাড়ির সাইরেনের শব্দমাত্রা রাজ্য পরিবেশ দপ্তরের স্থির করে দেওয়া মাত্রার ভিতর রাখতে হবে।