‘আমার মতো অনেক কর্মীই বিজেপি ছেড়ে নির্দল প্রার্থী হবেন’, ইস্তফা দিয়ে বললেন অলোক

ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা আসনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন তিনি

“বিজেপি এখন তৃণমূলের ‘বি টিম’ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলত্যাগীরা বিজেপিতে এখন নেতাগিরি শুরু করেছেন। ফলে বিজেপির বহু পুরোনো কর্মীরা ভোটের মুখে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। আর এই তৃণমূলত্যাগী ‘বি টিম’ নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না কোনওমতেই। রাজ্য জুড়ে তাই বহু আদি বিজেপি কর্মী এবার নির্দল হিসাবে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন।” বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই সব মন্তব্য করেছেন অলোক সেন।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জলপাইগুড়ি জেলার ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন। শুক্রবার তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এবার দলের আদি বিজেপি কর্মী হিসাবে পরিচিত ১১৭ জন টিকিট পাননি। তাঁরা সকলেই অসন্তুষ্ট। তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই আসন্ন নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন বিভিন্ন কেন্দ্রে। তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রার্থীদের হয়ে তাঁরা কেউ নির্বাচনে পরিশ্রম করতে রাজি নন।

অলোকবাবুর কথায়, “আমরা পরিশ্রম করে বিজেপির সংগঠন তৈরি করেছি। আর আমাদেরই গুরুত্ব নেই! তৃণমূল থেকে লোকজন এনে তাদেরকে ভোটে টিকিট দেওয়া হচ্ছে।” ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী শিখা চ্যাটার্জীকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পাওয়া শিখা চ্যাটার্জী কোনও ফ্যাক্টর নয়, লড়াই হবে তৃণমূলের গৌতম দেবের সঙ্গে।

এদিকে, শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা আসনে নির্দল হিসাবে শুক্রবার মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন দিলে শৈব্য। তিনি বলেছেন, আমি আদি বিজেপি। অথচ দল কোনও গুরুত্ব দিল না। তৃণমূল থেকে আসা এক নেতা বিজেপির সব প্রার্থী ঠিক করেছেন, যাঁরা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছেন তাঁরা প্রাধান্য পেয়েছেন টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে। এই বিজেপি সেই আদি বিজেপি নয়। দিলে শৈব্যর পাশাপাশি অলোক সেন এদিন দাবি করেন, এবার বিজেপির ফল ভালো হবে না। দেখতে থাকুন আপনারা, সব আদি বিজেপি কর্মী বসে গিয়েছেন। 

Developed by DXDasia