
ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমেরিকা-জীবন এবং স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন – পর্ব ১৯
ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন ক্যাম্পাস
জোনাথন আর মীনা স্মিথ থাকতো আমাদের কার্ডিনাল কোর্টেই। অনেকটা আমাদের মতোই ফ্যামিলি।
আমার মতোই জোনাথন মাস্টার্স ডিগ্রি করতো কোনো একটা বিষয়ে। শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান, কিন্তু স্বচ্ছল নয়। ছাত্র অবস্থায় আর কেই বা স্বচ্ছল হতে পারে? আমাদের মতোই গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের টাকায় ওদের চলতো। এসব দিক থেকে বিদেশি ছাত্র আর মার্কিন ছাত্রদের মধ্যে বিশেষ কোনো তফাৎ নেই। সবাই দারিদ্র্যপীড়িত, আর সবাই কোনো না কোনোভাবে এক্সট্রা কিছু টাকা রোজগারের চেষ্টা করছে। পার্থক্য একটাই – বিদেশি স্টুডেন্টদের ক্যাম্পাসের বাইরে কোথাও কাজ করা আইনবিরুদ্ধ। এবং ছাত্র নয় যে – যেমন ছাত্রের স্ত্রী – তারা কোথাও কাজ করতে পারবে না। ধরা পড়লেই পত্রপাঠ বিদায়। যতদূর মনে পড়ে, জোনাথন ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে কাজ করতো আমাদের ক্যাম্পাসের ছোট্ট শহর নরম্যালে একমাত্র ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে – ওই যেখান থেকে আমি আমার পঞ্চো কিনেছিলাম। বইপোকা ছিল, তাই ওই স্টোরে বইয়ের ডিপার্টমেন্টেই কাজ করতো।
ওর বউ মীনা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো একটা জায়গা থেকে এসেছিলো – জ্যামাইকা বা গায়ানা থেকে – যেমন আরো লক্ষ মানুষ নানা কারণে আমেরিকায় আসে। মীনার গায়ের রং কালো। ওদের একটা মেয়ে ছিল, তখন তার সাত আট বছর বয়েস। তার নাম নাওমি। গোলগাল, হাসিখুশি মেয়েটা। ইস্কুল ছুটির পর আমাদের বাড়িতে মাঝে মাঝে হানা দিতো, আর মুক্তির কাছ থেকে কেক, বা বিস্কুট বা যা হোক একটা কিছু খেয়ে যেতো। আমেরিকায় কেউ কারুর বাড়িতে আগে থেকে না জানিয়ে আসে না, এবং বেশির ভাগ আমেরিকান হঠাৎ কেউ এসে পড়লে তা মোটেই পছন্দ করে না। কিন্তু আমরা হলাম বাঙালি, ভারতীয়। তার ওপর আবার ভয়াবহ নিঃসঙ্গতা দেশ ছেড়ে চলে আসার পর। জোনাথন আর মীনার সঙ্গে আমাদের খুব বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিলো, আর ওদের মেয়েটা আমাদের বাড়িতে এলে আমরা খুব খুশিই হতাম।
বন্ধু আর প্রতিবেশীর অভাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে থাকার সময়ে তেমনভাবে অনুভব করিনি – বিশেষ করে ম্যারেড স্টুডেন্ট হাউসিংগুলোতে থাকার সময়ে। একটা আলগা সমাজ গড়ে উঠেছিল।
আমেরিকার ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বিবাহিত ছাত্রছাত্রীদের এই হাউসিংগুলো প্রায় সর্বত্র একরকম। বিশেষ করে নরম্যাল বা আমার পরের স্কুল সাদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটির আর এক ছোট্ট শহর কার্বনডেল, ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় যেখানে – সেই আরব্যানা-শ্যাম্পেন, কিংবা ওই যে আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলেছিলাম, বা আমাদের বন্ধু নাগেশ্বর রাও যখন প্রথম নত্র ডেম ইউনিভার্সিটিতে এসেছিলো, সেখানে। আরো দেখেছি কনফারেন্সে পেপার দিতে গিয়ে ম্যাডিসন শহরের ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন, দক্ষিণে এথেন্স নামক ক্ষুদ্র শহরে ইউনিভার্সিটি অফ জর্জিয়া, বা নক্সভিল শহরের ইউনিভার্সিটি অফ টেনেসি। নর্থ ক্যারোলাইনার চ্যাপেল হিল, যার কথা শংকরের “এপার বাংলা ওপার বাংলায়” আছে। সবজায়গাতেই মোটামুটি একরকম। এই বিশাল দেশে যে কত হাজার এরকম ছোটো ছোটো শহর আছে, আর তার ভেতরে ছোটোবড়ো ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস আছে, তা বলে শেষ করা যায় না।

সাদার্ন হিলস হাউসিং – যেখানে প্রথম এসে উঠেছিলাম
নিউ ইয়র্ক, শিকাগো, লস এ্যাঞ্জেলেস, হিউস্টন, ফিলাডেলফিয়া, বস্টন – এসব বড়ো বড়ো শহরের ক্যাম্পাস অবশ্য আমাদের কলকাতা, মুম্বাই বা ঢাকার মতোই। আলাদা একটা অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স বলে তেমন কিছু থাকে না। প্রধান শহরের মধ্যেই একটা জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়, সেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাস বা ট্রেন ধরে স্টুডেন্টরা পড়তে আসে, বা কাজ করতে আসে। আমেরিকায় অটো বা টোটো নেই, এবং সাইকেল চালিয়ে পড়তে যাওয়া বা কাজে যাওয়ার কালচার ইউরোপের মতো বা জাপান, কোরিয়ার মতো নেই। স্কুটার চালানোর কালচারও নেই। তাই মেট্রো বা সাবওয়ে ট্রেন ও বাসই ভরসা। যাদের গাড়ি আছে, তারা গাড়ি চালিয়ে যায়। পনেরো ষোলো বছর বয়েস থেকেই এদেশে ছেলেমেয়েরা গাড়ি চালাতে শেখে, এবং হাই স্কুলের গণ্ডী পেরোলেই নব্বই শতাংশ ছেলেমেয়েই বাবামায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে নিজের জীবন নিজে গড়ে তোলার চেষ্টা করে। বাবা-মা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করে না, এবং আমাদের দেশের মতো হাত ধরে কলেজে পৌঁছেও দেয় না।

নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি – শহরের মধ্যেই ছড়ানো ক্যাম্পাস
হায়ার সেকেণ্ডারি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে, আর মা খাইয়ে দিচ্ছে, তারপর হাত ধরে রাস্তা পার করে ইস্কুলে পৌঁছে দিচ্ছে – এ দৃশ্য কলকাতা শহরে যতই “স্বাভাবিক” হোক না কেন, আমেরিকায় তা সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য মনে হবে। আমার ধারণা, ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরে কোথাও এ অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়বে না।
জোনাথন আর মীনার মেয়ে গোলগাল মোটাসোটা নাওমি সকালবেলা ইস্কুলে চলে যেত। এদেশে সব ইস্কুলের জন্যেই যেরকম হলুদ রঙের বাস আসে প্রাইমারি আর মিডল স্কুলের ছেলেমেয়েদের নিয়ে যাওয়া জন্যে, ওখানেও আসতো। আমাদের মেয়ে তখন একেবারেই শিশু। সেই যে যখন মুক্তি বাড়িতে বসে বেবিসিটিং করতো – তার একটা গল্প-হলেও-সত্যি গল্প আগেই বলেছি। অধিকাংশ ছেলেমেয়েই ইস্কুলের পর কোনো বেবিসিটারে বাড়িতেই কয়েক ঘণ্টা থাকে। তারপর বাবা কিংবা মা এসে নিয়ে যায়। মীনা যেহেতু বাড়িতেই থাকতো, তাই নাওমিকে অন্য কোথাও থাকতে হতো না। ওই মাঝে মাঝে মুক্তি আন্টির বাড়িতে এসে কেক খেয়ে যেতো। প্রায় প্রতিদিন আসতো আর এক শ্বেতাঙ্গ মার্কিন দম্পতির চার বছরের ছেলে জ্যারেড, আর তার এক বছরের বোন মেরিডিথ। তাদের বাবা মা দুজনেই আই এস ইউ’র গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট ছিল, ফলে বাড়িতে তুলকালাম। কারুর কোনো সময় নেই, পড়াশোনা ও রিসার্চের বিশাল চাপ, আর এদিকে ছোটো ছোটো দুটো বাচ্চা। ওদের জীবনে স্ট্রেস এতো বেশি ছিল যে বাচ্চাদুটোকে একেবারেই সময় দিতে পারতো না।
তার ফলও আমরা চোখের সামনেই দেখেছি। সেই চার বছরের ছেলে জ্যারেড কিন্ডারগার্টেন ইস্কুল থেকে আমাদের বাড়িতে এসেই খেতে চাইতো। আর প্রথমেই বলতো, “আই ওয়ান্ট মোর।” মানে, তখনও ওকে কিছু দেওয়াই হয়নি। কিন্তু সে আগেই বলে দেবে সে আরো চায়। ভীষণ দুরন্ত একটা বাচ্চা। একবছরের বোনটাকে মাঝে মাঝেই মারতো। মাথা ঠুকে দিতো দেওয়ালে। অবোধ মেরিডিথ মার খেয়ে কাঁদতো। একবার তো এমন মাথা ঠুকে দিলো যে রক্তারক্তি। আমরা তো এসব দেখে একেবারে হাঁ। আমেরিকা, তার ওপরে হোয়াইট, তার ওপরে উচ্চশিক্ষিত ফ্যামিলি। চিরকাল তো শুনে এসেছি, সাদারা হলো সবাই দেবদূত, আর কালোরা হলো সবাই অপরাধী, ক্রিমিনাল। অদ্ভুত দৃশ্য চোখের সামনে সব খুলে যাচ্ছিল একের পর এক।
এর পর আরো আছে। একবার রাগ করে জ্যারেড আমাদের দরজা খুলে কোথায় যেন পালিয়ে গেলো! সে এক ভীষণ ভয়ের ব্যাপার। আমাদের কার্ডিনাল কোর্টের একেবারে রাস্তার দিকের একটা বাড়ির দোতলায় আমরা থাকতাম। পাশ দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে গাড়ি যাচ্ছে হু হু করে। বাচ্চাটা কোথায় গেলো? তখন সেল ফোন এসব কিছুই হয়নি। আমি ডিপার্টমেন্টে। মুক্তি বাড়িতে – আমাদের মেয়েকে নিয়ে, আর ওদের দুজনকে নিয়ে। খবর দেওয়ারও কোনো উপায় নেই।
বাড়ি ফিরে এসে শুনি এই ব্যাপার। দৌড়ে বেরোলাম জ্যারেডকে খুঁজতে। মুক্তির তো মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বাচ্চাটা গেলো কোথায়? আমি পুরো কমপ্লেক্সটায় ঘুরে ঘুরে খুঁজতে লাগলাম। কোথাও পাচ্ছিনা তাকে। যদি হারিয়ে যায়? যদি কেউ তুলে নিয়ে যায়? যদি ওই তীব্রগতির গাড়ির রাস্তায় চলে যায়? তখন?
শেষকালটায় আমাদের কমপ্লেক্সেরই অন্য কোনের একটা বাড়ির সিঁড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া গেলো। অনেক বুঝিয়ে কুকি টুকি দিয়ে, ক্যান্ডি দিয়ে তাকে বাড়ি নিয়ে এলাম। তারপর আবার এক কাণ্ড। টম আর আইলিন স্কুল থেকে ফিরে এসে ছেলেমেয়েকে তুলে নিয়ে যেতে এলো তাদের গাড়িতে। এবং কাহিনি শুনে চার বছরের ছেলেটাকে টম বেধড়ক পেটাতে লাগলো আমাদের সামনেই। আইলিন লজ্জায় মাথা নিচু করে আমাদের সোফাতে বসে থাকলো মেয়েটাকে শীতের পোশাক পরিয়ে দিতে দিতে।
বুঝলাম মারধরের শিক্ষাটা বাচ্চা জ্যারেড কোথা থেকে পেয়েছে।
জোনাথন আর মীনা তাদের নাওমিকে কিন্তু এতো আমাদের দেশের মতো করে মানুষ করেছিল। মেয়েটা (এবং তার বাবা-মা দুজনেই) ভীষণ খেতে ভালোবাসতো, আর তিনজনেই পাল্লা দিয়ে আরো বেশি মোটা হচ্ছিলো। তাই নিয়ে আমরা হাসতাম। কিন্তু হ্যাপি ফ্যামিলি বলতে যা বোঝায়, তা হলো ওই স্মিথরা। ওরা খৃস্টান ছিল, কিন্তু কোনো ডিনমিনেশনের ছিল, ঠিক জানি না। তখন ওসব বুঝতামও না, আর জিজ্ঞেসও করিনি কখনো। কিন্তু ওদের চার্চ নিশ্চয়ই খুব লিবারাল ছিল, কারণ প্রথম কথা, ওদের চার্চে নিয়ে যাবার জন্যে একদিনও আমাদের বলেনি। মীনা ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে আসার জন্যে ইন্ডিয়ান কালচার মোটামুটি ভালোই জানতো, আর আমরা যে হিন্দু তাও জানতো। আমাদের মেয়েকে নাওমির রংচঙে ক্যারিবিয়ান ড্রেস মাঝে মাঝেই দিয়েছে। পুরোনো, কিন্তু একেবারেই যত্ন করে তুলে রাখা। ফেলে দেওয়ার মতো জিনিস কখনো আমাদের দেয়নি। মুক্তি রান্না করে খাবার দিয়েছে ওদের। ওদের রান্না ওরাও আমাদের দিয়েছে।
ওদের চার্চ কিন্তু ছিল খুব অদ্ভুত। মনে আছে একটা কথা, জোনাথন বলেছিলো, ওরা ক্রিসমাসে বাচ্চাদের কোনো গিফট কিনে দেয় না। আশ্চর্য লেগেছিলো শুনে, কারণ আমরা জানতাম ক্রিসমাসে খ্রিস্টানরা বাচ্চাদের নতুন জামাকাপড় কিনে দেয়, নানা উপহার দেয়। আমাদের দেশের সেন্ট নিকোলাস বা দাড়িবুড়ো ফাদার ক্রিসমাস যে আমেরিকায় নাম বদলে স্যান্টা ক্লস হয়ে গেছে, তাও ততদিনে জেনে গেছি। একটা দুটো ক্রিসমাস তখনই আমেরিকায় পার হয়ে গেছে।
জিজ্ঞেস করলাম, “বাচ্চাদের উপহার দেওয়াতে অন্যায় কী আছে?”

গরিব লোকের দশা এই “শ্রেষ্ঠ” দেশে
জোনাথন আমাকে বোঝাতে বসলো যে ক্রিসমাস যেহেতু আমেরিকায় একটা সস্তা কর্পোরেট লঘুতায় পরিণত হয়েছে, এবং বিগ মিডিয়া যেহেতু এই ভোগবাদকে ভগবান যীশুর নামে একটা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পরিণত করেছে, তাই ওদের চার্চ এই কনজিউমার কালচারের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। “উই ডোন্ট ওয়ান্ট কর্পোরেটাইজেশন অফ ক্রিসমাস।” জোনাথন আমাকে বলেছিলো তার পুরোনো গাড়ি কোনো এক রবিবার সারাতে সারাতে। রবিবার কার্ডিনাল কোর্টের সর্বত্রই একই ছবি। গরিব ছাত্ররা তাদের ভাঙা গাড়ি সারাচ্ছে হুড খুলে আঁকশি দিয়ে আটকে, ভেতরে মুখ নামিয়ে। আমি গাড়ির কিছুই জানি না। আমাদের সেই মান্ধাতার আমলের ভ্যালিয়েন্ট গাড়িও মাঝে মাঝেই নানাপ্রকার দুর্বোধ্য শব্দ করে, বিরক্তি ও উষ্মা প্রকাশ করে। জর্ডানের বন্ধু মোহাম্মদ, আর এই জোনাথন মাঝে মাঝেই এসে উঁকি দিয়ে দেখে কী সমস্যা। জোনাথন একটা অদ্ভুত জ্ঞানী ছেলে। ইতিহাস থেকে রাজনীতি থেকে গাড়ি থেকে সব বিষয়েই তার অগাধ পাণ্ডিত্য।
“ইউ নীড এ কাপল অ’ স্পার্ক প্লাগস।” জোনাথন নিদান দিলো। “ওয়ন্ট কস্ট ইউ মাচ। লেটস গো টু কে-মার্ট।” সঙ্গে করে নিয়ে গেলো কে-মার্ট নামক সুপারমার্কেটে। কিনে নিয়ে এসে নিজেই বদলে দিলো স্পার্ক প্লাগ।
জোনাথনের কাছেই আমি প্রথম শিখেছি আমেরিকার মিডিয়া ও তার গভীর, ভয়ঙ্কর, আগ্রাসী বাণিজ্য নিয়ে।
(চলবে)
*আমেরিকা-জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রখ্যাত মানবধিকার কর্মী ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলামে চলছে ‘মেরিকামায়া সাতকাহন’।
ধারাবাহিকভাবে প্রতি শুক্রবার সন্ধে ৬টায় প্রকাশিত হচ্ছে শুধুমাত্র বঙ্গদর্শন-এ।
‘মেরিকামায়া সাতকাহন’-এর সমস্ত পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
