স্কুলছুট, নাবালিকা বিয়ে, মানব পাচার রুখে দিচ্ছে মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল

সাংবাদিক শিবপ্রিয় দাশগুপ্তের কলামে ‘আমাদের ইস্কুল’ – পর্ব ২৩

ই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও সরকারি বাংলা মাধ্যম স্কুলে ৫ হাজার পড়ুয়া আছে কিনা সেটা একটা বড়ো প্রশ্ন। স্কুলের হস্টেলে থেকে প্রায় ১ হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছে। চাষি, মাঝি, মৎস্যজীবী, কলকাতায় “বাবুদের বাড়ি” কাজ করতে আসা মানুষদের, পরিযায়ী শ্রমিকদের ছেলেমেয়েরাই সংখ্যায় বেশি এই স্কুলে। তারাই নিজেদের যোগ্যতায় কেউকেউ এই স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে দেশে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় রত। পড়ুয়াদের মধ্যে আছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি)-র ছেলেমেয়েরা। সুন্দরবনের একটা প্রত্যন্ত এলাকায় এমন একটা স্কুল, ঠিক যেন গল্পের মতো! যখন বাংলা মাধ্যম স্কুল শহর-সভ্যতায় বন্ধ হওয়ার মুখে, তখন কোন শক্তিবলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর গ্রামের ‘কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল’ নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বিপুল শক্তি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মানুষের মতো মানুষ করে চলেছে?

স্কুল চত্বর

১৯৪৮ সালের ২৩ জানুযারি স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগী যুবক, যাঁরা শিক্ষার আলোয় কিছুটা আলোকিত হয়েছিলেন, তাঁরা ভাবলেন, এলাকার শিক্ষা বিস্তারের জন্য একটা স্কুল তৈরির দরকার আছে। তাঁদের উদ্যোগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে গড়ে উঠেছিল আজকের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল। প্রথমে স্কুল শুরু হয়েছিল পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে। তারপর জুনিয়ার হাইস্কুল হয় ১৯৫৪ সালে। ১৯৬৪ সালে হয় হাই স্কুল। তারপর ১৯৯৮ সালে এসে উন্নীত হয় উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে। ২০০৪ সালে উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। কথাগুলো বলছিলেন স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক, যাঁকে এই স্কুলের রূপকার বললেও অত্যুক্তি হয় না, সেই চন্দন মাইতি।

চন্দনবাবু বলছিলেন, “আমি কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে আসি ২০০৩ সালে। এসে দেখেছিলাম স্কুলে ১ হাজার ছাত্রছাত্রী কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষিকা ১২ জন। যখন যাদবপুর হাই স্কুলে শিক্ষকতা করতাম, ভাবতাম গ্রামের দিকে কোনও স্কুলে কাজ করি। তারপরেই এই স্কুলে চলে আসা। স্কুলের ছাত্রছাত্রী যেমন প্রচুর ছিল, জায়গা জমিও ছিল ঢের। শুরুতে যে যুবকদের উদ্যোগে স্কুল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তাঁদের উদ্যোগে রামকৃষ্ণ মিশন লোক শিক্ষা পরিষদ স্কুলে ‘স্বামী বিবেকানন্দ সংঘ’ নামে একটি সংঘ তৈরি করে। ওই যুবকরা চেয়েছিলেন, ২০/২২ বিঘার মতো জায়গায় মানুষের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে,  স্কুলটাকে আরও উন্নত পরিকাঠামো দিয়ে সাজিয়ে তুলতে। কিন্তু, যেকোনও কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০০৩ সালে আমি এসে দেখেছি, কয়েকটি মাত্র শ্রেণিকক্ষ, জানালা-দরজা নেই, অনেক দূরে শৌচালয়। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বাচ্চারা পড়াশোনা করছে। তবে সেদিনের চেহারা আজ পাল্টে গেছে। ১২ জন শিক্ষকের সংখ্যাটা আজ বেড়ে ৭৫ জন স্থায়ী শিক্ষকে পৌঁছেছে। অশিক্ষক কর্মচারীর সংখ্যা ৩ থেকে বেড়ে ৭ জন হয়েছে। লাইব্রেরিয়ানের পোস্ট স্যাংশন করাতে হয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগ ছিল না, তা শুরু করতে হয়েছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষা চালু করা হয়েছে। সেখানে ২ বছরের কোর্সে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক পাঠক্রমে শিক্ষা দেওয়া হয়। আবার ৬ মাস করে তিন বারেরও একটা বৃত্তিমূলক পাঠক্রমের ব্যবস্থা আছে, যেখানে কম্পিউটারের কোর্স, বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পড়ানো হচ্ছে।”

স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক চন্দন মাইতি

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে ছেলেমেয়েরা পড়ার জন্য ভর্তি হলেও খুব স্বাভাবিক কারণেই মাঝপথে পড়া ছেড়ে দিতে অনেকেই বাধ্য হত আর্থিক কারণে। তার উপর ছিল অল্প বয়সে, অর্থাৎ সেভেন, এইটে পড়া নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার প্রবণতা এবং মানব পাচারের মতো ঘটনা।

চন্দন মাইতি’র কথায়, “এই মানব পাচার রুখতে আমি স্কুলে একটি ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ গ্রুপ তৈরি করি। এই স্বয়ংসিদ্ধা গ্রুপে ছাত্রছাত্রীদেরই রাখলাম। শুরু হল কম বয়সে বিয়ে না দিয়ে পড়াশোনা করানোর পক্ষে প্রচারাভিযান। রোখা শুরু হল কম বয়সী মেয়েদের পাচার করার জঘন্য অসামাজিক কাজ। স্কুলে স্বয়ংসিদ্ধা গ্রুপের পাশাপাশি এনসিসি, এনএসএস, কিশোর বাহিনী যুক্ত হল। এই বার আমরা সম্মিলিত ভাবে গ্রামে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বোঝাতে শুরু করলাম কেন নাবালিকাদের বিয়ে না দিয়ে লেখাপড়া করানো জরুরি। নারী পাচারে বিরুদ্ধে সজাগ করতে শুরু করলাম গ্রামের মানুষদের। এর পুরো কাজটাই কিন্তু স্কুলের তরফে, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকারাই করে চলেছি।” 

হিউম্যান ট্রাফিকিংয়ের একটা পকেট এখানে ছিল। থানা, পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় সেটা রুখতে শুরু করেন চন্দনবাবুরা। এই কঠিনতম লড়াই শুরু করার পর প্রথমে কিছুটা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়লেও, আস্তে আস্তে এই সচেতনতা ও মানব পাচার বন্ধের ইতিবাচক দিক ও স্কুলে পড়ার উপকারিতা বুঝতে পেরে গ্রামবাসীরা তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ান। এর ফলে ২০০৩ সালের ১ হাজার ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩০০-তে। টিচিং, নন টিচিং স্টাফ মিলে এখন প্রায় ৭৫ জন। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ শিক্ষিকা। তবে, গ্রামের মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে বন্ধ করার পর দেখা গেল ওদের বাড়ির অভিভাবকরা ওদের পড়া ও খাওয়াদাওয়ার খরচ চালাতে পারছেন না। কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে তখন হস্টেল চালু হল। এখন মেয়েদের জন্য মোট তিনটে হস্টেল আছে। একটা পঞ্চম থেকে অষ্টম, একটা নবম থেকে দশম, একটা একাদশ, দ্বাদশ। এছাড়াও ছেলেদের জন্য আলাদা হস্টেল আছে। 

ছেলে ও মেয়েদের হস্টেল মিলিয়ে ৫০০ করে মোট ১ হাজার জন থাকে। এরা কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলেই পড়ে। হস্টেল পরিচালনার জন্য ২৫ জন কর্মী আছেন, যাঁরা হস্টেলের সমস্ত কাজ দেখাশোনা ও পরিচালনা করেন। হস্টেলের মেয়েদের পড়াশোনা শিখিয়ে, ভোকেশনাল কোর্সে পড়িয়ে চাকরি পাওয়ার উপযুক্ত করে তোলার পর প্রায় সবাই এখন চাকরি করছে। চন্দন মাইতি আরও বলছিলেন, “এখানেই শেষ নয়। যে সমস্ত মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে গেছে, যাঁরা সংসার, সন্তান নিয়ে ব্যস্ত, তাঁদেরও একটা অংশকে আমরা ভোকেশনাল কোর্সে পড়িয়ে, দূরশিক্ষার মাধ্যমে সরকারি ভাবেই মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পাশ করানোর ব্যবস্থা করাই। তারপর এঁদের চাকরির উপযোগী করে তুলি। এঁরাও তারপর চাকরি বা স্বনিযুক্তির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে ভলো ভাবে বাঁচতে পারছেন।”

স্কুলের হস্টেল

স্কুলের একটি অডিটোরিয়াম দরকার ছিল। বর্তমানে ২৫০০ জন আসন সংখ্যার একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অডিটোরিয়াম স্কুলে তৈরি হয়েছে। যেখানে স্কুলের অনুষ্ঠান হয়। গেস্ট হাউস, স্কুলের ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা দুটো জিম, বিশাল খেলার মাঠ রয়েছে। এখন সুইমিং পুল করা হচ্ছে, ইনডোর গেমের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সোলার লাইটিং সিস্টেমের ব্যবস্থা আছে। এই  স্কুল নিজের উদ্যোগে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডের মাধ্যমে সেই বিদ্যুৎ গ্রামে সরবরাহ করছে। রোটারি ক্লাব অফ ক্যালকাটার সহায়তায় পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্য, জীববীদ্যার অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি তৈরি হয়েছে। কম্পিউটার শিক্ষার জন্য তিনটি বড়ো কম্পিউটার ল্যাবরেটরি তৈরি হয়েছে। ক্রিকেটার শচিন তেন্ডুললর এই স্কুলের জন্য অর্থ সাহায্য করেছেন। স্থানীয় সবুজ সংঘ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহায়তা করেছে। মুক্তি নামের আরও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্কুলের বিউটিফিকেশনের কাজ ও সচেতনতামূলক কাজে সহায়তা করে।

চন্দনবাবু বললেন, “এ ভাবে সার্বিক উন্নয়ন যখন হতে শুরু করল তখন আমরা ওয়াল ম্যাগাজিন, পত্রিকা বার করা শুরু করলাম। সারা বছর ধরে নানান অনুষ্ঠান, খেলাধুলা তো আছেই। খেলাধুলার মান অত্যন্ত ভালো। স্কুলের ছাত্র রাহমতুল্লা মোল্লা ২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমসে অ্যাথলেটিক্সে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিল এবং বেজিং অলিম্পিকে চতুর্থ স্থান পেয়েছিল। শুভাশীষ নাটুয়া নামে স্কুলের এক ছাত্র এখন ইউএসএ-তে ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করছেন, তাঁকে ‘ইন্টারন্যাশনাল আইজ্যাক নিউটন অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত করা হয়েছে। শুভাশীষ অত্যন্ত গরিব চাষি পরিবারের সন্তান।"

চন্দনবাবুর থেকেই জানা গেল, গত বছর নেট পরীক্ষায় সফল হয়ে এই স্কুলের ছাত্র, নিজানুর পিয়াদা এখন ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে এমবিবিএস পড়ছে। এই বছর অর্থাৎ ২০২৩-এ, আমাদের স্কুলের ছাত্র নিশান মণ্ডল নেট-এ উত্তীর্ণ হয়েছে। সেও অত্যন্ত গরিব বাড়িরই ছেলে, নদীর পাড়ে বাড়ি। কাউন্সেলিংয়ে নিশান কলকাতায় ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাবে বলেই আশা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, বিজ্ঞান চর্চা সবেই সমান নজর দেওয়া হয়। দেশ, বিদেশে ছড়িয়ে আছে এই স্কুলের ছাত্রছাত্রী। 

“স্কুলের নিবেদিত প্রাণ শিক্ষাকর্মীদের জন্যই আমরা এই কাজ সফল ভাবে করতে পারছি। এর পাশাপাশি আয়লা, আমফান, ইয়াস এই সব প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবন এলাকায় ত্রাণের কাজ করেছি, কোভিডের সময়েও মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিয়েছি, চিকিৎসায় সহায়তা করেছি, পুরোটাই স্কুলের উদ্যোগে। আমাদের স্কুল অকারণ ছুটি হয় না। গরমের ছুটি, পুজোর ছুটিতেও হস্টেল চলে। বিভিন্ন এনজিও আমাদের সহায়তা করে। স্টিল অফরিটি অফ ইন্ডিয়ার সহায়তায় আমরা সেল ভবন তৈরি করেছি, তিনটি ডাইনিং হল করেছি, যেখানে মিডডে মিল খাওয়ানো হয়। অত্যাধুনিক কিচেন করা হয়েছে। সরকারি সহায়তায় ক্যান্টিন করা হয়েছে।” বলছিলেন চন্দনবাবু।

হিউম্যান ট্রাফিকিংয়ের একটা পকেট এখানে ছিল। থানা, পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় সেটা রুখতে শুরু করেন চন্দনবাবুরা। এই কঠিনতম লড়াই শুরু করার পর প্রথমে কিছুটা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়লেও, আস্তে আস্তে এই সচেতনতা ও মানব পাচার বন্ধের ইতিবাচক দিক ও স্কুলে পড়ার উপকারিতা বুঝতে পেরে গ্রামবাসীরা তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ান। এর ফলে ২০০৩ সালের ১ হাজার ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩০০-তে। টিচিং, নন টিচিং স্টাফ মিলে এখন প্রায় ৭৫ জন। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ শিক্ষিকা। তবে, গ্রামের মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে বন্ধ করার পর দেখা গেল ওদের বাড়ির অভিভাবকরা ওদের পড়া ও খাওয়াদাওয়ার খরচ চালাতে পারছেন না। কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলে তখন হস্টেল চালু হল।

২০১৪ সালে সার্বিক ভাবে রাজ্যের সেরা স্কুল হিসাবে রাজ্য সরকারের তরফে ‘যামিনী রায় পুরস্কার’ পেয়েছে কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল। ২০১৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের বন ও পরিবেষা মন্ত্রক থেকে কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল দেশের মধ্যে সেরা পুরস্কার পায়। এনসিসিতে সেরার পুরস্কার পেয়েছে এই স্কুল। স্কুলে স্মার্ট ক্লাস রুম আছে। এ বছরই স্কুলটি ৭৫ বছর পূর্ণ করেছে। সেই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান, কর্মসূচি চলছে। বিহার থেকে এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে পড়তে আসে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে স্কুলের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পাশ করে। এই স্কুলের ওপর গ্রামের মানুষের ভরসা দিন দিন মজবুত হয়েছে। পরিবারগুলো ভরসা করে এই স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়তে পাঠায়৷ 

 ‘যামিনী রায় পুরস্কার’

শিয়ালদা থেকে ট্রেনে করে মথুরাপুর স্টেশনে নেমে অটো রিকশায় উঠে চার কিলোমিটার পথ গেলেই এই মানুষ তৈরির কারখানা—কৃষ্ণপুর হাই স্কুল। পাঠক-পাঠিকারা পৌঁছে গিয়ে নিজের চোখে দেখে আসতেই পারেন এই উদ্যোগ। 

তথ্য সূত্র : চন্দন মাইতি, প্রধান শিক্ষক, কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল

ছবি :সংগৃহীত

*কলকাতা, শহরতলি বা জেলার কোনও না কোনও স্কুলের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে গর্বের ইতিহাস রয়েছে, রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বুনিয়াদি গল্প। এবার সেদিকেই ফিরে তাকিয়ে চলছে নতুন ধারাবাহিক ‘আমাদের ইস্কুল’। সমস্ত পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন। চোখ রাখুন প্রতি বুধবার সন্ধে ৬টায়, শুধুমাত্র বঙ্গদর্শনে।           

Developed by DXDasia