যাদবপুরে অকারণে নিগৃহীত বাংলার অধ্যাপক
“মানুষ হতে মানুষ আসে, বিরুদ্ধতার ভিড় বাড়ায়/ তুমিও মানুষ, আমিও মানুষ, তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়”- কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় এই লাইনগুলি লিখে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু বাঙালি এই লাইনগুলি ভোলেনি। খুব বাস্তব আর দৃঢ়চেতা শব্দগুলো ক্রমশ হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের স্বর। এর পাশাপাশি কিংবা প্রসঙ্গত আরেকটি ছবি- একজন অধ্যাপককে কোনো কারণ ছাড়াই নিগ্রহ করল এক ছাত্র। সকলে যখন হতবাক, সকলে যখন রাগে আর ঘৃণায় ফুঁসছে, তখন সেই নিগৃহীত অধ্যাপক বললেন, “ছেলেটি আমাকে মেরেছে ঠিকই, তা বলে তোমরাও ওকে মেরো না। ক্ষমা করে দাও ছেলেটিকে। ওর গায়ে যেন হাত না লাগে একটু দেখো তোমরা। খেয়াল রেখো। আমার লক্ষ্মী ছেলেরা”। হুবহু মিলে যাচ্ছে লাইনগুলো- তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়। এই কথাগুলো আসলে ভণিতা। আসল ছবিটা ভীষণ ভয়ংকর।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কাফি শুক্রবার দুপুর সওয়া দুটো নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলেন। এমন সময় লাল টি-শার্ট পরা একটি ছেলে (নাম রাজেশ সাঁতরা, বাস- আরামবাগ, হুগলি) তাঁর উপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাঁর চুলের মুঠি ধরে মারতে শুরু করে। অধ্যাপক মার খেয়ে মাটিতে পড়ে যান। এই কাণ্ড দেখে আশেপাশের লোকজন এবং ছাত্ররা ছুটে এসে অধ্যাপককে উদ্ধার করে। আব্দুল কাফিকে নিয়ে যাওয়া হয় কেপিসি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা চলে। ২০১৫ সালে স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করেছে রাজেশ এবং সে বাংলা বিভাগেরই ছাত্র ছিল। এই হামলা চালানোর আগে সে নাকি বাংলা বিভাগে চেঁচামেচিও করেছিল। সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে জানা গিয়েছে কয়েকদিন ধরেই অধ্যাপক আব্দুল কাফির ঘনিষ্ঠজন ও ছাত্রদের ফেসবুক পোস্টে কখনও কমেন্ট, কখনও ব্যক্তিগত মেসেজ করে বলত, “একটু আব্দুল কাফিকে বলবেন রাজেশ সাঁতরার ফেসবুক মেসেঞ্জারটা সিন করতে”। কথাটিকে হালকাভাবেই নিয়েছিলেন সবাই। কিন্তু এর পরিণাম হল ভয়ংকর। তা শুক্রবারের ঘটনার পর পরিস্কার।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কাফি
ছেলেটির ক্ষোভের কারণ স্পষ্ট জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, মানসিক কোনও অবসাদ থেকেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে তাকে আটক করে রেজিস্ট্রারের ঘরে নিয়ে যান। প্রথমে জানা যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে থানা-পুলিশ না করে সহানুভুতির সঙ্গে দেখছেন। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, উপাচার্য সুরঞ্জন দাস বলেছেন, এই ধরণের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। তাহলে তো প্রতিদিনই এই ধরণের ঘটনা ঘটবে। তারপরেই যাদবপুর থানার পুলিশকে খবর দেন রেজিস্ট্রার। অবশেষে পুলিশ এসে অভিযুক্ত রাজেশকে যাদবপুর থানায় আটক করে নিয়ে যায়।
ডাক্তার নিগ্রহ থেকে শিক্ষক নিগ্রহ কিংবা মুক্তচিন্তকদের কথা বন্ধ করে দেওয়া- এসব আকছার ঘটনা। আমাদের কি গা সওয়া হয়ে যাচ্ছে? আমাদের কি অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে? নীতিশিক্ষা বিসর্জন দিয়ে কী পাচ্ছি আমরা? এমন ঘটনা তো রোজই ঘটছে কোথাও না কোথাও। উপযুক্ত শাস্তি কি পাচ্ছে অভিযুক্তরা? এমন প্রশ্নের মুখে পড়ে তাজ্জব গোটা দেশ। কারা দেবে এই উত্তর? আব্দুল কাফি বাংলা বৈষ্ণব সাহিত্যের ক্লাস নেন। সেখানে ভালোবাসার কথা বলা আছে। বলা আছে মানুষে মানুষে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও। শিক্ষা যে আসলে পুঁথিগত নয়, তা প্রতিদিনের অভ্যাসে মজ্জায় গ্রহণ করতে হয়, প্রমাণ করলেন অধ্যাপক। শিখিয়ে দিলেন ক্ষমার চোখে দেখা এই আজব দুনিয়া। প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে ফিরে আসে, “ওর গায়ে যেন হাত না লাগে একটু দেখো তোমরা। আমার লক্ষ্মী ছেলেরা।” মুখে থাকে হাসি। কারণ তাঁর মতো শিক্ষকদের ভিত বড্ড চওড়া। তাঁরা ভালোবাসতে শেখান। শিক্ষক-ছাত্রের জটিল দূরত্ব কাটিয়ে হয়ে ওঠেন প্রাণের বন্ধু। শুক্রবারের এই ঘটনার নিন্দা করেছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই খবর। প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত রাজেশ সাঁতরা এভিবিপি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ছাত্র রাজেশ সাঁতরা
ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে ‘এই প্রবণতাকে চিহ্নিত করা দরকার’ বলে অধ্যাপক আব্দুল কাফি গত মধ্যরাতে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন। হুবহু সেটি এখানে তুলে দেওয়া হল।
“দুশ্চিন্তা করছেন অনেকে, তাই প্রথমেই জানাই আমি ভালো আছি আপাতত। সামান্য চোট লেগেছিল, ওষুধ খেয়েছি।
এবার মূল প্রসঙ্গ।
আমাদের প্রাক্তন ছাত্র শ্রীরাজেশ সাঁতরা (২০১৫ সালে এম এ পাশ করেছে) আজ প্রকাশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমাকে আক্রমণ করে, নিগ্রহ করে। এই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে বহু মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, অসন্তোষ জানিয়েছেন,প্রতিবাদ করেছেন তীব্র ভাবে। আমার ছাত্ররা—বর্তমান এবং প্রাক্তন—ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছে নানা লেখায়, টেলিফোনে, ব্যক্তিগত মেসেজে। সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি, আলাদাভাবে উত্তর দিতে পারিনি। তবে তাঁদের উদ্বেগ আমাকে বিস্মিত করেছে, আবার তৃপ্তিও দিয়েছে খুবই। কিন্তু পুরো ঘটনা (ক্রম) নিয়ে নানা অস্পষ্টতা, নানা জল্পনা চলছে বলে বাধ্য হয়েই কয়েকটি কথা এখানে এই ফেসবুক ওয়ালে লিখতে হচ্ছে। যাতে আর বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
ঘটনার সূত্রপাত দিন কুড়ি আগে। রাজেশ আমাকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে একটি মেসেজ পাঠায়। সে আমার বন্ধু তালিকায় না থাকার ফলে সেই মেসেজ আমি চট করে দেখতে পাইনি। দিন কয়েক পরে আমাকে বেশ কয়েকজন জানান যে রাজেশ নামের কেউ একজন বারবার তাঁদের জানাচ্ছে, “আব্দুল কাফি যেন রাজেশের মেসেজটি দেখেন”। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে আমি আমার মায়ের চিকিৎসা নিয়ে ভয়ানক বিড়ম্বনায় আছি, দুরারোগ্য ব্যধির সঙ্গে লড়াই চালাতে হচ্ছে একটানা। ফলে ফেসবুকে খুব নিয়মিত থাকতে পারিনি। কিন্তু অনেকের কথা শুনে রাজেশের সেই মেসেজটি আমি দেখি এবং যারপরনাই বিব্রত ও বিড়ম্বিত হই। সেই মেসেজের একটি ছবি তোলা আছে, এখানে সেটি দিতেও পারতাম, কিন্তু তখনও দিইনি প্রকাশ্যে, আজও দিচ্ছি না। (যদিও কোনও কোনও বন্ধুকে সেই মেসেজের ছবি পাঠিয়েছিলাম, লিখেছিলাম, কী জবাব দেব এই মেসেজের, কী প্রতিক্রিয়া জানাব?আমি চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করছি। তাছাড়া আমার মা অসুস্থ, তাঁকে ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে এখন ভাবতে পারছি না।) সেই মেসেজে অতি কদর্য ভাষায় আমাকে এবং আমার এক সহকর্মী অধ্যাপক শাশ্বত ভট্টাচার্যকে গালাগাল দেওয়া হয়েছিল, খানিক হুমকিও ছিল। ফেসবুকের বন্ধুরা মাঝে মাঝেই আমাকে জানাচ্ছিলেন রাজেশের কথা—রাজেশ তাঁদের টাইমলাইনে গিয়ে বিরক্ত করছে বারবার। কেউ কেউ তাকে ব্লক করেও দিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পর বেশ কয়েকদিন পেরিয়েছে। গত ২০ জুলাই, শনিবার, সকাল আটটার সামান্য পরে রাজেশ আমার বাড়িতে চড়াও হয়। সেখানে প্রথমবার সে আমাকে আক্রমণ করে, আঘাত করে। যদিও পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন এসে পড়ায় দ্রুত সে বেরিয়ে যায়। আমি স্বাভাবিক ভাবেই হতচকিত হয়ে পড়ি। বন্ধুদের কয়েকজনেকে জানাই সে ঘটনার কথা। তাঁরা প্রায় সকলেই বলেন থানায় জানাতে। দুটি কারণে সেদিন আমি পুলিশের কাছে ঘটনাটি জানাইনি। প্রথমত মায়ের ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট এখন মধ্যপথে, এর মাঝখানে এই ঘটনা্র অভিঘাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হবার ভয় এবং দ্বিতীয়ত, প্রাক্তন হলেও সে আমার একদা-ছাত্র। তার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে আমার দ্বিধা হচ্ছিল। বরং তার অভিভাবকদের কারও সঙ্গে যদি যোগাযোগ করা যায়, যদি তাঁদের সঙ্গে একবার কথা বলা যায় সেই চেষ্টাই আমি করি। কিন্তু কোনও ভাবেই তার পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বা বাড়ির ফোন নম্বর জোগাড় করে উঠতে পারিনি এই কদিনে।
তারপর ২৬তারিখ দুপুরে সে বাংলা বিভাগে এসে উপস্থিত হয়। প্রথমে বিভাগীয় প্রধানের ঘরে গিয়ে অধ্যাপক শাশ্বত ভট্টাচার্য এবং শেখর সমাদ্দারের খোঁজ করে। বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করে এবং ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। সেই সময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলাম। আচমকা সে আমার সামনে এসে দাঁড়ায় এবং বলে “বলুন কী বলবেন”। আমি কিছু বলার আগেই হাত চালায়। চশমার কাচ ভেঙে পড়ে, সামান্য চোখের পাশে এবং ঠোঁটে আঘাত লাগে। এসব সামান্য আঘাত। বলা বাহুল্য, গভীরতর আঘাত লেগেছে অন্যত্র।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা এবং ছাত্রদের একাংশ এরপর তাকে রেজিস্ট্রার ও প্রোভিসির অফিসে নিয়ে যায়। তাদের ক্ষোভ এবং উত্তেজনা কমাতে চেষ্টা করি আমি তখন, কারণ অনেকেই তখন মারমুখী, উদ্বিগ্ন, উত্তেজিত। পুলিশ আসে। আমাকে পূর্বাপর ঘটনা লিখে জানাতে বলা হয়। হাসপাতালের প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমি সমস্ত ঘটনা লিখিত ভাবে জানাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সমিতির বন্ধুরা তখন হাজির হয়েছেন। আমাকে ভরসা দিচ্ছেন। সহমর্মিতা জানাচ্ছেন।
পুলিশ অফিসারকে আমি সহ-উপাচার্যের সামনেই অনুরোধ করি, তাকে যেন অত্যাচার না করা হয়, যেন বড় কোনও সাজার মুখে ঠেলে না দেওয়া হয়। ঘটনার বিবরণ আমি দিয়েছি, এর রহস্য কী তা অনুসন্ধান করতে অনুরোধ জানিয়েছি। বলেছি, আমি কেবল জানতে চাই কেন সে এই আচরণ করছে, কেন তার আমার প্রতি ক্রোধ, কেন সে বারবার আক্রমণ করছে। নিশ্চয় সে কোনও একটি ধারণার দ্বারা গভীর ভাবে বিচলিত হয়ে আছে। তার সেই “ধারণা” কী করে হল—সেইটুকুই আমার জানা দরকার। তার ভুল ভাঙানোটাই আমার মূল চাহিদা। অফিসার আমাকে বলেন, তিনি চেষ্টা করবেন।
বাস। এইটুকুই ঘটনা। এইটুকুই আমার বলার। সন্ধ্যের পরে বিপর্যস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে শুনি ফেসবুকে এই ঘটনার নানা “কারণ” অনুমান করা শুরু হয়েছে। ছেলেটির সঙ্গে কোনও কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের যোগাযোগ নিয়ে কথা বলা হয়েছে। আমি তেমন কোনও “যোগ” বিষয়ে কোথাও কিছু বলিনি, কোনও প্রমাণ বা তথ্যও আমার কাছে নেই। আপনাদের সকলের কাছে আবেদন কোনও তথ্য প্রমাণ ছাড়াই এমন কথা বাতাসে ভাসিয়ে দেবেন না দয়া করে। তাতে ছেলেটির ক্ষতি হয়ে যেতে পারে অকারণে। আমার তা উদ্দেশ্য নয়। সে নিশ্চয় কোনও ভুল ধারণায় আক্রান্ত। হয়তো কেউ ওকে ব্যবহার করছে, হয়তো ও অসুস্থ। আমি ওর সঙ্গে কথা বলতে চাই, ওর অস্থিরতার কারণ জানতে চাই। ও যদি অসুস্থ হয়ে থাকে তাহলে ওর নিরাময় চাই। আমি বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক, আমার উপরের তিনপুরুষ মাষ্টারি করে এসেছেন। আমি আর কী চাইতে পারি বলুন?
আজ বেশি রাতে ছেলেটির বাবা কোথাও থেকে আমার ফোন নম্বর জোগাড় করে ফোন করেছিলেন আমাকে। তিনিও স্তম্ভিত। খুবই দুঃখ প্রকাশ করলেন। ছেলের আচরণে বিড়ম্বিত। আমি তাঁকেও বলেছি ছাত্রের (প্রাক্তন) ক্ষতি চাই না। প্রশাসনিক ভাবে আইনি পদ্ধতি যা হচ্ছে তাতে আমি আগ বাড়িয়ে কোনও ভূমিকা নেব না। ছেলেটি নিশ্চয় ভুল স্বীকার করে নেবে, সে নিশ্চয় সুস্থভাবে ভেবে দেখবে কী সে করেছে আসলে—এইটেই প্রত্যাশা।
আসুন দয়া করে প্রবণতাটিকে চিহ্নিত করি আমরা, সচেতন হই। কেউ আমাদের ক্রোধ ব্যবহার করে নিচ্ছে না তো… সেইটে ভেবে দেখি বারবার। কীভাবে ঘৃণার দ্বারা চালিত হচ্ছি আমরা, যে-কোনও ঘটনাতেই হাত চালিয়ে দিচ্ছি যেখানে-সেখানে—ভেবে দেখি সবাই। দুম করে সিদ্ধান্ত নেবার আগে পাঁচবার ভাবি।
সকলকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।”

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট