
নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হকার্স কর্নারের উদ্ধোধনও করেন মুখ্যমন্ত্রী
পয়লা বৈশাখের উপহারস্বরূপ কালীঘাটে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো নতুন স্কাইওয়াকের দরজা। কথা মতো নববর্ষের আগেই, সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলেন কালীঘাট স্কাইওয়াকের। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া স্কাইওয়াকের কাজ করোনা সংক্রমণের সময় লকডাউনের কারণে বেশ কয়েকবার থমকে গিয়েছিল। আট বছর অপেক্ষার পর শেষমেশ সেই প্রয়াস সফল হল। নতুন এই স্কাইওয়াকটি পুণ্যার্থীদের মন্দিরে পৌঁছোনোর পথ সহজ করবে।

দৈর্ঘ্য ৪৩৫ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৫ মিটার। চলন্ত সিঁড়ি রয়েছে দু’টি। লিফট ও সিঁড়ি আছে তিনটি। কালীঘাট স্কাইওয়াক নির্মাণে প্রাথমিক বাজেট ছিল ৭৭ কোটি টাকা। তবে কাজের বিলম্বের কারণে খরচ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল।
উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক তৈরির পরেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন কালীঘাটেও স্কাইওয়াক তৈরি করবেন। সেই প্রতিজ্ঞাই পূর্ণ হল এবার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মুখ্যমন্ত্রী স্কাইওয়াক পরিদর্শনে যান। স্কাইওয়াকে প্রবেশপথটি তৈরি হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড এবং হাজরা রোড থেকে। দৈর্ঘ্য ৪৩৫ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৫ মিটার। চলন্ত সিঁড়ি রয়েছে দু’টি। লিফট ও সিঁড়ি আছে তিনটি। কালীঘাট স্কাইওয়াক নির্মাণে প্রাথমিক বাজেট ছিল ৭৭ কোটি টাকা। তবে কাজের বিলম্বের কারণে খরচ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল।

উল্লেখ্য, কালীঘাট মন্দিরও নতুন ভাবে তৈরির পর পুরোপুরি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। গত কয়েক বছর ধরে মন্দির সংস্কারের কাজ চলছিল। সেই সব কাজ শেষ হল ১৪৩২ বঙ্গাব্দ শুরুর প্রাক্ সন্ধ্যায়। স্কাইওয়াকের পাশাপাশি নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হকার্স কর্নারের উদ্ধোধনও করেন মুখ্যমন্ত্রী।
