‘দায়সারা কাজ নয়, পদক্ষেপ নিন’, কলকাতা হাইকোর্টের ক্ষোভের মুখে কমিশন

ভোটের ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় সক্রিয়তা দেখাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন

কোভিড পরিস্থিতিতে রাজ্যে আট দফায় ভোট চলছে। ভোট আবহে স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচার বন্ধ করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলা হয়। কোভিড পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় সক্রিয়তা দেখাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন, ষষ্ঠ দফার ভোটের মধ্যেই বৃহস্পতিবার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণের কথা জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে কমিশনের সক্রিয়তার উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন শেষনের কথাও উল্লেখ করে হাইকোর্ট।

কমিশনের অদক্ষতার উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনের হাতে অনেক ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু সেই ক্ষমতা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। মনে হয় টি এন শেষনের কথা কমিশন ভুলে গিয়েছে। শেষনের ১০ শতাংশ কাজ এই কমিশন করতে পারবে কি না আমার সন্দেহ।’’

 

করোনা আবহে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে দায়ের করা একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানিপর্বে প্রধান বিচারপতি থোট্টাথিল ভাস্করণ নায়ার রাধাকৃষ্ণনের বেঞ্চ জানিয়েছে, কমিশন দায়সারা ভাবে কাজ করছে। বহু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নির্দেশিকা জারি করেই দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে। সঠিক ভাবে করোনা বিধি মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে নজরদারি হচ্ছে না। এ ভাবে মানুষের উপর সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়মুক্ত হওয়া যায় না।

 

Developed by DXDasia