
বুধবার বিকেলেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করলেন তৃণমূলনেত্রী
ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতা ফিরেই, কথামতো বুধবার বিকেলেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১১ মার্চ ইস্তেহার প্রকাশের কথা ছিল তাঁর। কিন্তু আগের দিন নন্দীগ্রামে আহত হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। পিছিয়ে যায় কর্মসূচি। ইস্তেহার প্রকাশে যা বললেন মমতা—
আমাদেরকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যাতে বাংলার উন্নয়ন থেমে না থাকে, তাই তৃতীয়বার বাংলার মানুষের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার লক্ষ্যে আমার আন্তরিক প্রতিশ্রুতি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি, যার মাধ্যমে উন্নততর বাংলা তৈরির পথে আমরা এগিয়ে যাব। বিগত দশ বছরের উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে, আগামী পাঁচ বছরে এই স্তম্ভগুলির পরিপূর্ণতাই আমার ১০ অঙ্গীকার। দেশের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি গড়ব আমরা এবং বার্ষিক ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান করা হবে। প্রথমবার বাংলার প্রত্যেক পরিবারের ন্যূনতম মাসিক আয় সুনিশ্চিত করার জন্য নতুন প্রকল্প শুরু করা হবে যেখানে ১.৬ কোটি যোগ্য পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বাংলার পড়ুয়াদের জন্য নতুন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ১০ লক্ষ টাকা ক্রেডিট লিমিট থাকবে মাত্র ৪% সুদে। বার্ষিক ১০,০০০ একর পিছু সহায়তা করা হবে প্রান্তিক কৃষকদের। আর এটা বাংলার সকল বসবাসকারীদের প্রতি আমার প্রতিজ্ঞা যে আপানদেরকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি আমি পূরণ করব।
১০ বছরে ১১০ শতাংশ কাজ করেছি।
ক্ষমতায় ফিরলে প্রতি পরিবারকে বছরে ৬ হাজার টাকা। সাধারণ পরিবারকে মাসে ৫০০ টাকা। তফশিলি পরিবারকে মাসে ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
করোনার জন্য ১ বছর কাজ করা যায়নি। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মেয়েদের জন্য আরও বেশি স্কুল কলেজ তৈরি হবে।
আরও অনেক জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় নিয়ে আসা হবে।
কৃষকেদের বার্ষিক ১০ হাজার টাকা। ১ কাঠা জমি থাকলেই সেই কৃষকে বছরে ১০ হাজার টাকা সাহায্য।
কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, দুয়ারের সরকার চলবে। বছরে ৪ বার করে দুয়ারে সরকার হবে।
রাজ্যের প্রত্যেক পরিবারের নূন্যতম আয় সুনিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ পরিবারকে ৫০০ টাকা। তফশিলি পরিবারকে প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।
শিক্ষার জন্য এই ক্রেডি কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে। কোনও জামিন লাগবে না।
স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আনা হবে। ১০ লাখ ক্রেডিট লিমিট, ৪ শতাংশ সুদে।
খাদ্যসাথী প্রকল্পে নতুন ব্যবস্থা। বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন।
মে মাস থেকে বিধবা ভাতা বেড়ে মাসে ১ হাজার টাকা হবে।
১ কোটি ৭৫ লাখ কর্মদিবস তৈরি করেছি।
বছরে ৫ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা।
১০০ দিনের কাজে আমরাই দেশের প্রথম।
তৃণমূল সরকারের কাজ বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে।
