
তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে মতুয়া সঙ্ঘ, পাহাড়ের জিএনএলএফ
কাশীপুর-বেলগাছিয়া এবং চৌরঙ্গী, এই দুই কেন্দ্রেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে অস্বস্তিতে পড়েছিল বিজেপি। চৌরঙ্গী কেন্দ্র থেকে টিকিট পেয়েও বিজেপিতে ‘না’ বলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর স্ত্রী শিখা মিত্র। অন্যদিকে, কাশীপুর-বেলগাছিয়ার ক্ষেত্রেও ঘটে একই একই ঘটনা। এই দুই কেন্দ্রেই এবার প্রার্থী বদলাল গেরুয়া শিবির সঙ্গে ঘোষিত হল রাজ্যের আরও ১৩টি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা।
প্রার্থী তালিকায় মতুয়াদের গুরুত্ব না থাকা নিয়ে দিন দুই আগে থেকেই অসন্তোষ চলে আসছিল বিজেপির অন্দরে। মতুয়াদের দাবি জানতে গতকালই বনগাঁর সাংসদ সুব্রত ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরই উল্লেখযোগ্যভাবে গাইঘাটা থেকে প্রার্থী হলেন সুব্রত ঠাকুর। এই পরিস্থিতিতে বাগদা থেকে বিদায়ী বিধায়ক বিশ্বজিত দাসকে প্রার্থী করল গেরুয়া শিবির। অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে আলিপুরদুয়ার থেকে সরিয়ে প্রার্থী করা হল বালুরঘাটে। পাহাড়ের তিন আসনে জিএনএলএফের (GNLF) সঙ্গে জোটে প্রার্থী ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির।
এক নজরে বিজেপির সদ্য ঘোষিত ১৩ প্রার্থীদের নাম:
করণদীঘি: সুভাষ সিনহা
ইটাহার: অমিতকুমার কুণ্ডু
বাগদা: বিশ্বজিত দাস
বনগাঁ উত্তর: অশোক কীর্তনিয়া
গাইঘাটা: সুব্রত ঠাকুর
বালুরঘাট: অশোক লাহিড়ী
রাসবিহারী: লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা
বহরমপুর: সুব্রত মৈত্র
চৌরঙ্গী: দেবব্রত মাজি
কাশীপুর-বেলগাছিয়া: শিবাজী সিংহরায়
কালিম্পং: ডঃ সুভা প্রধান
দার্জিলিং: নীরজ জিম্মা
কার্শিয়ং: বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা
