
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছেলে-মেয়েদের বিয়ের গল্প
ঠাকুরবাড়ির নহবতে যখন সানাই বেজে উঠত, যখন দুয়ার ঘেঁষে দাঁড়াতো ঝলমলে পালকি তখনকার গল্পকথা আশ্চর্য এক মায়ায় জড়ানো। সেসব কাহিনি এখনকার দিনে রূপকথার গল্পের মতোই মধুর ও সুন্দর। ঠাকুরবাড়ির (Jorasanko Thakurbari) ছেলেমেয়েদের পরিণয় খুব সহজ ছিল না। পিরালি ব্রাহ্মণের ঘরে বিয়ের সম্বন্ধ পাওয়া এবং শুভ পরিণয় সুসম্পন্ন করা ছিল সবচেয়ে জটিল ও সংগ্রামের ঘটনা। কারণ পিরালি ঘরে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিলে, সেই পরিবার সমাজে পতিত ও একঘরে হয়ে যেত। এই ছিল সেকেলে, কুসংস্কারের ঠুলি পরা রক্ষণশীল সমাজের বিধান। ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিতে ঠাকুরপরিবার অনেক কাঠখড় পুড়িয়েছে। সে বাড়ির ছেলেদের বিয়ে দিয়ে পাত্রী নিয়ে আসাই হোক বা মেয়ের বিয়ের জন্য পাত্র অন্বেষণ! দুটি ক্ষেত্রেই পথ মসৃণ ছিল না। পথ আগলে দাঁড়াতো কামাল খাঁ জামাল খাঁর প্রাচীন গল্প। ঠাকুরবাড়ির সমাজে আকস্মিকভাবে পতিত হয়ে যাওয়ার কাহিনি। বিয়ের মতো সামাজিক সংযোগসেতু ঠাকুরবাড়ির ক্ষেত্রে হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভঙ্গুর ও বিপদসীমা উত্তীর্ণ।
পিরালি ব্রাহ্মণের ঘরে বিয়ের সম্বন্ধ পাওয়া এবং শুভ পরিণয় সুসম্পন্ন করা ছিল সবচেয়ে জটিল ও সংগ্রামের ঘটনা। কারণ পিরালি ঘরে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিলে, সেই পরিবার সমাজে পতিত ও একঘরে হয়ে যেত। এই ছিল সেকেলে, কুসংস্কারের ঠুলি পরা রক্ষণশীল সমাজের বিধান।
এসব কথা বলতে গেলে ঠাকুরবাড়ির বংশতালিকার দীর্ঘ ও প্রাচীন পথ ধরে উল্টোমুখে চলতে হবে। নতুন দিনের আলোয় দেখতে হবে উনিশ শতকের সে অন্ধকার সময়কে। ঠাকুর পরিবারের এক আদিপুরুষ ছিলেন রঘুনাথ আচার্য। তাঁর বংশধর জয়কৃষ্ণের দুই ছেলের একজন ছিলেন দক্ষিণানাথ। তিনি ছিলেন যশোর জেলার চেঙ্গুটিয়া পরগণার জমিদার। দক্ষিণানাথের চার ছেলে ছিলেন কামদেব, জয়দেব, রতিদেব ও শুকদেব। তখন খান জাহান আলি যশোরের চেঙ্গুটিয়া পরগণার কর্তৃত্ব লাভ করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে অন্যতম সহায়ক হিসেবে এসেছিলেন তাহের খাঁ নামের এক ধর্মান্তরিত মুসলমান। নবদ্বীপের পিরল্যা গ্রামে বসবাসের সূত্রে তিনি পিরল্যা খাঁ নামে পরিচিত ছিলেন। এই তাহের খাঁ রোজাচলাকালীন একটি লেবুর ঘ্রাণ নিয়েছিলেন এবং কামদেব রসিকতা করে বলে ফেলেছিলেন, ‘ঘ্রাণেন অর্ধভোজন’। পিরল্যা খাঁয়ের রোজা নষ্ট হয়। এই ঘটনার সূত্র ধরে জয়দেব ও কামদেবকে জোর করে গো মাংসের গন্ধ ও স্বাদ অনুভব করিয়েসমাজে পতিত করা হয়। গোঁড়া হিন্দুসমাজ তাঁদের গ্রহণ করে নি আর। কুসংস্কারগ্রস্ত সমাজ শুধু কামদেব বা জয়দেবকে নয়, তাঁদের আত্মীয় কুটুম্ব সকলকেই ‘পিরালী থাকের ব্রাহ্মণ’ আখ্যা দিয়ে এক নিষ্ঠুর শান্তি পেয়েছিল। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘যেসব পরিবার কুলাচার্যের অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হইয়া সমাজে পতিত হইয়া গেল, তাহাদেরই অন্যতম হইতেছে পিরালী ব্রাহ্মণ।’ দক্ষিণানাথের পুত্ররা সামাজিক অত্যাচারে ঘর ছাড়তে বাধ্য হলেন। এই ঘটনার জেরে তাঁরা তাঁরা অতিকষ্টে অনেক অর্থব্যয় করে আবার কখনও ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে পরিবারের মেয়েদের পাত্রস্থ করতেন। এইভাবেই শুকদেবের মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন পিঠাভোগের জমিদার জগন্নাথ কুশারী। সমাজের রোষদৃষ্টিতে শুধুমাত্র ‘পরিণয়ের অপরাধে’ তিনি ঘর ছাড়তে বাধ্য হন। দক্ষিণডিহিতে শুরু হয় তাঁর নতুন সংসার। কুশারীরা কেমন করে ঠাকুর হলেন সে গল্প আলাদা। কিন্তু এই সমাজে পতিত হওয়ার সূত্র ধরে ঠাকুর পরিবারের বিয়ের গল্পগুলি হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকর।

অনেকটা সময় গড়িয়ে যাওয়ার পরেও ঠাকুরবাড়িতে পাত্রী আসত যশোর থেকে। সেই সময়কার বুদ্ধিদীপ্ত তথাকথিত এনলাইটেন্ড তরুণদের অর্ধাঙ্গিনী হতেন গ্রাম্য বালিকারা। ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা ঠাকুরবাড়িতেই থাকতেন বিয়ের পর। কারণ তাঁদের বিয়ে করতেন যে তরুণরা তাঁরা বেশিরভাগই স্বগৃহ থেকে বিতাড়িত হতেন। দ্বারকানাথ ঠাকুরের আমল পার হয়ে দেবেন্দ্রনাথ (Debendranath Tagore) যখন সমাজে বেশ পরিচিত নাম, ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম স্তম্ভ তখনও ঠাকুরবাড়ির বিবাহরীতির খুব রদবদল হয়নি। দেবেন্দ্রনাথের স্ত্রী সারদাদেবীও ছিলেন যশোরের মেয়ে। তাঁকে যখন বিয়ের জন্য ঠাকুরবাড়িতে নিয়ে আসা হয়, তখন তাঁর মা উপস্থিত ছিলেন না। পরে মেয়ের বিয়ের খবর তাঁর কাছে প্রাণঘাতী সংবাদ হয়ে উঠেছিল। এইসব আবেগের কথা নিয়ে কেউ সেইভাবে চিন্তা করতেন না। এভাবেই একরাশ মনকেমনের মেঘ সঙ্গে নিয়েই ঠাকুরবাড়ির পরিণয়গুলি সম্পন্ন হত। ঠাকুরবাড়ির বিয়ের নিজস্ব কিছু রীতি ছিল। পুত্রবধূরা বেশিরভাগই আসতেন যশোরের পিরালি বংশ থেকে। প্রথমদিকে বাড়িরা দাসিরা গিয়ে খেলনা পুতুল যৌতুক দিয়ে মেয়ে পছন্দ করে এসে খবর দিত। কন্যাপক্ষকে আসতে হত কলকাতায় এবং গা ভর্তি গয়না পরে পালকি চড়ে আসতেন নতুন বৌ। এত বালিকা, এত সরল যে মনখারাপ করার মতো বোধ তৈরি হতে লেগে যেত আরো অনেক বছর। তখন তাঁরা শিক্ষার আলো পেয়েছেন, দেশ বিদেশ ঘুরেছেন, সমাজে আধুনিক মেয়েদের আদর্শ হয়েছেন। কিন্তু সেই অবোধ বালিকার মনকেমন পূর্বজন্মের স্মৃতির মতো হয়তো মনের কোণায় রয়েই যেত। ঠাকুরবাড়ির জামাইরা হতেন সুদর্শন, মেধাবী ব্রাহ্মণ যুবক। পিরালী বংশের মেয়েকে বিয়ে করার ‘অপরাধে’ তাঁদের বেশিরভাগই পরিবারে ত্যাজ্য হয়ে ঠাকুরবাড়িতেই রয়ে যেতেন।
দেবেন্দ্রনাথ ও সারদাদেবীর বড়ো মেয়ে সৌদামিনীর বিয়ে হয় মাত্র নয় বছর বয়সে। তাঁর স্বামীর নাম ছিল সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের বিয়ে হয় আনুমানিক ১৮৫৬ সালে। সারদাপ্রসাদ ঠাকুরবাড়িতেই থাকতেন। তিনি ঠাকুরবাড়ির কলকাতার সেরেস্তাদারের কাজ সামলাতেন। দেবেন্দ্রনাথের বড়ো ছেলে দ্বিজেন্দ্রনাথের সঙ্গে বিয়ে হয় যশোরের মেয়ে সর্বসুন্দরীদেবীর। বিয়ের দিন ছিল ১৮৫৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। সারদাদেবী ছেলের বিয়ের জন্য নিজে ডিজাইন বলে বিরাট এক পালঙ্ক তৈরি করিয়েছিলেন। খাটের ছত্রীতে বিরাট শুকপাখি ডানা মেলে আছে। তবে মিস্ত্রি শুকপাখি বানাতে গিয়ে জার্মান ঈগলের মতো ডানা মেলা পাখি বানিয়ে ফেলেছিল, সে অন্য কথা। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী জ্ঞানদানন্দিনী ঠাকুরবাড়িতে আসেন মাত্র সাত বছর বয়সে, ১৮৫৯ সালে। সারদাদেবী তাঁকে কোলে করে পালকি থেকে নামিয়েছিলেন। ১৮৬১ সালের ২৬ জুলাই বিয়ে হয়েছিল দেবেন্দ্রনাথের দ্বিতীয় মেয়ে সুকুমারীদেবীর। পাত্র ছিলেন দর্পনারায়ণ ঠাকুরের বংশের ছেলে হেমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। এটি ছিল ঠাকুরবাড়ির প্রথম ব্রাহ্মমতে বিয়ে। এই বিয়েতে তুলসিপাতা, বেলপাতা, কুশ, শালগ্রামশিলা, গঙ্গাজল ও হোমাগ্নি বর্জন করা হয়েছিল। এই বিয়ে ঠাকুর পরিবারে খুব তাৎপর্যপূর্ণ। এরপর গোঁড়া হিন্দু আত্মীয়স্বজন দেবেন্দ্রনাথের পরিবারকে ত্যাগ করেন। দেবেন্দ্র পরিবার পুরোদস্তুর ব্রাহ্ম হিসেবে সমাজে পরিচিত হন। পরিবারে প্রবেশ করে নতুন আলো। হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ে হয়েছিল ১৮৬৩ সালের ২৬ নভেম্বর। পাত্রী নীপময়ী, সাঁতরাগাছির মেয়ে। এই বিয়েতে প্রায় ২০০ জন ব্রাহ্ম বরযাত্রী গিয়েছিলেন। ব্রাহ্মমতে বিয়ে বলে প্রবল হিন্দুত্ববাদীদের খুব আপত্তি ছিল। তবু বিয়ে সম্পন্ন হয় নির্বিঘ্নে। ঠাকুরবাড়িতে বর কনে দুজনকেই উত্তরীয় পরানো হয় এবং শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। হেমেন্দ্রনাথ নিজের বিয়ের কথা লিখে গেছেন ‘আমার বিবাহ’ রচনাটিতে। দেবেন্দ্রনাথের আরেক ছেলে ছিলেন বীরেন্দ্রনাথ। ১৮৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নীপময়ীর বোন প্রফুল্লময়ীর সঙ্গে বিয়ে হয় বীরেন্দ্রনাথের। তাঁর বিয়েতে পুলিশ প্রহরা বসেছিল হিন্দু ব্রাহ্ম দ্বন্দ্বের কারণে। প্রফুল্লময়ীর লেখা ‘আমাদের কথা’য় বিয়ের গল্প লেখা আছে। তবে এই বিয়ে সুখের হয়নি। প্রায় সারাজীবনই বীরেন্দ্রনাথ উন্মাদ হয়েছিলেন। অসুখী দাম্পত্য প্রফুল্লময়ীর জীবনের পথ বড়ো কঠিন করে তুলেছিল।

স্বর্ণকুমারীদেবী ছিলেন দেবেন্দ্রনাথের আদরের মেয়ে। সেই আমলের অত্যন্ত সুন্দরী ও বিদুষী ছিলেন স্বর্ণকুমারী। তাঁর বিয়ে হয় জানকীনাথ ঘোষালের সঙ্গে। পিরালি ঘরের মেয়ে বিয়ে করায় তাঁর বাবা জয়চন্দ্র ঘোষাল তাঁকে ত্যাজ্য পুত্র করেছিলেন। জানকীনাথ কিন্তু ব্রাহ্মধর্মও গ্রহণ করেননি। ঘরজামাই হয়ে ঠাকুরবাড়িতে থাকেনওনি। দেবেন্দ্রনাথের আরেক মেয়ে শরৎকুমারীর সঙ্গে বিয়ে হয় যদুনাথ মুখোপাধ্যায়ের। তখন ১৮৬৬ সাল। যদুনাথ পাত্র হিসেবে খুব একটা ভালো ছিলেন না। নেশাও করতেন। তবু কেন যে দেবন্দ্রনাথ তাঁকে মেয়ের পাত্র হিসেবে নির্বাচন করেন তা আজও রহস্য। বর্ণকুমারীর বিয়ে হয় ১৮৬৯ সালে। তাঁর স্বামীর নাম সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন তিনি। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ কাদম্বরীর বিয়ে হয় ১৮৬৮ সালের পাঁচই জুলাই। এই দম্পতির প্রভাব রবীন্দ্রনাথের জীবনে অসীম। কিন্তু কাদম্বরীদেবীর আত্মহত্যা চিরবিচ্ছেদ তৈরি করে রবীন্দ্র জ্যোতিরিন্দ্রের সম্পর্কে। রবীন্দ্রনাথ-মৃণালিনীর (Rabindranath Tagore – Mrinalini Devi) বিয়ের ঘটকালি করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের মামা ব্রজেন্দ্রনাথ রায়ের পিসিমা আদ্যাসুন্দরী। তাঁদের বিয়ের তারিখ ছিল ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। রবীন্দ্রনাথ আবার নিজের বন্ধুদের নিজেই চিঠি লিখে নিমন্ত্রণ করেছিলেন —
‘আগামী রবিবার ২৪ অগ্রহায়ণ তারিখে শুভদিনে শুভলগ্নে আমার পরমাত্মীয় শ্রীমান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শুভবিবাহ হইবেক। ——-’ ইত্যাদি। ঠাকুরবাড়িতেই বিয়ে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের। কিন্তু বিয়ের আনন্দ উৎসবেই সৌদামিনীদেবীর স্বামী সারদাপ্রসাদের মৃত্যুর খবর আসে। শোকের ছায়া ঘনায়। কে জানত, রবীন্দ্রনাথ মৃণালিনীর সংসারও মৃত্যু দ্বারা খণ্ডিত হবে কয়েকবছর পর। এরপরেও ঠাকুরবাড়ির ছেলেমেয়েদের বিয়ে অত সহজ ছিল না। এই প্রসঙ্গে ইন্দিরাদেবীর লেখা ‘স্মৃতিসম্পূট’ বইটিতে তাঁর মন্তব্য মনে পড়ে, ‘কোনো ভালো হিদুঁ ঘরের ছেলের আমাদের ঘরে বিয়ে হবার সম্ভাবনা ছিল না। টাকাকড়ি দিয়ে বা বিলেত পাঠিয়ে যদিও বা ভদ্রঘরের কোনো ছেলেকে রাজি করানো যেত তো তার নিজের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছাড়তে হত। শুনেছি আমার সেজোকাকা হেমেন্দ্রনাথ এরকম লোভ দেখিয়ে কুলীনের ঘর ভাঙাতে খুব আনন্দ অনুভব করতেন আবার এ-ও শুনেছি যে, এরকম পলাতক ছেলের বাপ গলির মাথায় দাঁড়িয়ে পৈতে হাতে করে ছেলেকে অভিশাপ দিয়েছেন–’।
কুসংস্কার কত বড়ো বিড়ম্বনা! মনে আঁধার এইসব রত্ন চিনতে পারেনি। যাঁদের জীবনে ঠাকুরবাড়ির ছেলে মেয়েরা এসেছেন তাঁরা যে সৌভাগ্যের অধিকারী একথা আজ দ্বিধা দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে। মনে হয় ঠাকুরবাড়ির বিয়ে নিয়ে এই যে লড়াই তা পিরালি এবং ব্রাহ্মণের দ্বন্দ্ব হয়ে শুধু থাকেনি। পৌত্তলিক অপৌত্তলিক সমাজের দ্বন্দ্বের জটিলতায় পরিণত হয়েছিল। এর অন্তরালে পরবর্তীকালে পিরল্যা খাঁ এবং দেবেন্দ্রনাথের ব্রাহ্মধর্মের যুগপৎ অবস্থান ছিল।
সহায়ক গ্রন্থঃ
ঠাকুরবাড়ির বিবাহকথা, শান্তা শ্রীমানী
জোড়াসাঁকোর জার্নাল, মহুয়া দাশগুপ্ত

