যাদবপুর ক্যাম্পাসে সেফ হোম চালু হবে কিছুদিনের মধ্যেই, প্রস্তাব দিয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান হোস্টেলে এই সেফ হোম করার কথা ভাবা হচ্ছে

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে যখন চারদিকে দিশেহারা পরিস্থিতি, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার, রক্তের সংকট – তখন কয়েকদিন আগেই প্রথমসারির যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ফের আরেকবার পাশে দাঁড়ানোর আর্জি জানিয়েছে। খানিকটা সুরাহা করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সেফ হোম তৈরির প্রস্তাব রাখলেন পড়ুয়ারা। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ল্যাবের অক্সিজেন সিলিন্ডারও করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন ছাত্র-ছাত্রীরা।

বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং এসএফআই কর্মী শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গদর্শনকে জানিয়েছেন, "আমরা উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে পুরো বিষয়টি জানাই। তারপর সরকারি উচ্চপর্যায়ে আমাদের বার্তা পৌঁছে গেছে। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যেই আমরা ছাত্রছাত্রীরা সেফ হোম চালু করতে পারব। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান হোস্টেলে এই সেফ হোম হবে।"

গত বছর মহামারী পর্বের শুরু থেকেই কখনও স্বল্প দামের মাস্ক, স্যানিটাইজার তৈরি, আবার কখনও 'কমিউনিটি কিচেন' খুলে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পড়ুয়ারা। দ্বিতীয় পর্বের করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই ফের আরেকবার মাঠে নেমেছে যাদবপুর। করোনা মোকাবিলায় এবার বিশ্বাবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যেই সেফ হোম তৈরির প্রস্তাব ছাত্র-ছাত্রীদের।

পড়ুয়াদের দাবি ছিল, এখন কাজে লাগছে না বহু ক্লাসরুম। তাই অব্যবহৃত ঘরগুলিকে সেফ হোমের জন্য ব্যবহার করুক বিশ্ববিদ্যালয়। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সেফ হোম পরিচালনা করা হোক। ইতিমধ্যেই যাদবপুরের অসংখ্য প্রাক্তনী, যাদবপুর কমিউনের সদস্যরা এমন কিছু অভিজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের মতামত নিয়ে সেফ হোমের জন্য খসড়াও তৈরি করে ফেলেছেন। অন্যদিকে এই দাবির সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত চুক্তি ভিত্তিক কর্মীকে বিনামূল্য মাস্ক, স্যানিটাইজার, গ্লাভস, পিপিই কিট দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

Developed by DXDasia