মেরিকামায়া সাতকাহন : “নমো নমো নমো সুন্দরী মম জননী জন্মভূমি”

ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমেরিকা-জীবন এবং স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন – পর্ব ৫২

একপঞ্চাশৎ পর্বের পর

নিশশো পঁচাশির অগাস্টে ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম সুদূর, বিপুল সুদূরে। তখন মধ্য বর্ষা। চোখের জলে বিদায় জানিয়েছিল দেশ। দেশের মানুষ। ভালোবাসার টান, আজন্মলালিত মায়া ও মূল্যবোধ সবকিছু পিছনে ফেলে অনেক ঝুঁকি নিয়ে চলে গিয়েছিলাম – কেবলমাত্র এই বদ্ধজলায় আটকে থাকবো না বলে।

“থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগৎটাকে, কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘুর্ণিপাকে।” 

একেবারে আক্ষরিক অর্থে সেই কারণে দেশ ছাড়া। না হলে দুজনে দুটো কলেজে স্থায়ী অধ্যাপকের চাকরি করতাম। অন্য কোনো কারণ ছিলো না আমেরিকায় যাবার।

সে ঝুঁকির কথা, বিপদের কথা, মৃত্যুর সম্মুখীন হওয়ার কথা এই মেরিকামায়া সাতকাহনের প্রথম কাহনে লিখে রেখেছি।

ঊনিশশো চুরানব্বইতে এপ্রিল মাসে মধ্য গ্রীষ্মে ফিরে এলাম আবার সেই চেনা দুঃখ চেনা সুখ চেনা চেনা হাসিমুখের উত্তর কলকাতায়।

আমার “ঘটিকাহিনি” স্মৃতিকথায় সে পুরোনো কলকাতার গল্পের কথা অনেক লিখে রেখেছি। সেই যে ভোরবেলায় চেনা চেনা মুখগুলো যাদের নাম কখনো জিজ্ঞেস করা হয়নি, তারা অ্যালুমিনিয়ামের ক্যান হাতে দুধ আনতে যায়। আর সন্ধ্যেবেলা রাস্তার কোণে কোণে চোখ জ্বালা করা উনুনের ধোঁয়া, আর বাড়িগুলোর ভেতর থেকে অস্পষ্ট আলো আর অস্পষ্ট কথাবার্তার আওয়াজ। অনেক রাতে ফেরিওয়ালার ঠাণ্ডা হাঁক, “কুলপি মালাই আর বেলফুল।”

সেই মায়াময় কলকাতা। উত্তর কলকাতা। রামকৃষ্ণ পরমহংস, স্টার থিয়েটার, রংমহলে সুবর্ণগোলক, বিশ্বরূপায় সেতু, মিনারে গুগাবাবা। কর্নওয়ালিস স্ট্রীটে ঘুরে যাওয়া ট্রামের ঢংঢং শব্দ।

সেই গোরাচাঁদ বসু রোড। সেই গোয়াবাগানের সরু সরু গলি। সেই ধোঁয়া ধোঁয়া সরু আকাশ। সেই পত্রপুষ্পবিহীন অনাদরের গাছগুলো। ঠিক যেন মানুষগুলোর মতোই। দুঃখী, কিন্তু হাসিমুখ। চোখের কোণে শুকিয়ে যাওয়া জল, ঠিক যেমন ছোটমামা বুদ্ধদেবের খুনের পর আমার দিদিমার চোখে দেখেছিলাম। অথচ, মানুষের প্রতি বিশ্বাস, আস্থা, ভালোবাসায় তবুও চিড় ধরেনি। যে দিদিমা তখনও গান গাইতো, “আমায় সকল রকমে কাঙাল করিয়া গর্ব করিছো চুর।”

আমার দেশটাও ঠিক তেমনই। আবার ফিরে এলাম সেই মাতৃক্রোড়ে।

শেষ পর্যন্ত কেমন করে যেন দেশে ফেরার সবুজ সঙ্কেত “গ্রীন কার্ড” হয়ে গেলো – জন হেনসের শক্তিশালী রেকমেন্ডেশন লেটার, আমার কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণার পেপার, এবং এক মহার্ঘ্য ইমিগ্রেশন আইনজীবী ও তাঁর কোম্পানির আন্তরিক প্রচেষ্টায়। কী যেন একটা উপায় সে আইনজীবী মহিলা খুঁজে বের করলেন, যাতে সাধারণ চ্যানেলে না গিয়ে অতি দ্রুততার সঙ্গে মাত্র ছ’মাসের মধ্যে গ্রীন কার্ড বের করে দিলেন তাঁরা। সযত্নে জমানো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শেষ সম্বল চার পাঁচ হাজার ডলার পারিশ্রমিক দিতে হলো তাঁদের। 
বাকি থাকলো দুই কিংবা তিন হাজার – যা খরচ হবে দেশে যেতে। এখন আমরা তিনজন – আমি, আমার স্ত্রী মুক্তি, এবং আমাদের ছ’বছরের শিশুকন্যা নন্দিনী।

এক মাসের ছুটি বলে কয়ে জোগাড় করে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি অলব্যানি থেকে কলকাতায় রওনা দিলাম। অলব্যানি থেকে ভ্যানে করে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি নামক বিশাল এয়ারপোর্ট। সেখান থেকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ নিয়ে যাবে সোজা কলকাতায়। তখনও সে এয়ারলাইন কলকাতায় আসা বন্ধ করে দেয়নি।

 জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্ট

অলব্যানিতে তখনও বরফ পড়ছে। সঙ্গে পরিহিত মোটা উলের কোট। দমদম বিমানবন্দরে নেমে দেখলাম, সেখানে তখন যথারীতি লু বইছে। মোটা উলের কোটের কথা আর মনেই থাকলো না। মুক্তি তার দামী কোট এয়ারপোর্টে নানা ঝামেলার মধ্যে ফেলে রেখেই চলে গেলো।

একটু বেশি আবেগতাড়িত হয়ে যাবে, কিন্তু না বলেও পারছি না। অন্ধকার রাতে ভারতবর্ষের আকাশপথে ঢোকার পরে প্লেনের জানালা দিয়ে অনেক নীচের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম। মাঝে মাঝে দু একটা আলো। ওখানেই আছে গ্রাম, শহর, উপশহর, জনপদ। ওখানেই থাকে আমাদের দেশের মানুষগুলো, যাদের এতো ভালো করে চিনি, চিনেছি এতকাল ধরে। ওখানেই তারা স্বপ্ন দেখে। ওখানেই তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়। ওখানে তারা সন্তানের জন্ম দেয়, আর ওখানেই জীবন শেষ হলে চোখের জলে প্রিয়জনকে বিদায় জানায়। যেমন আমি আমার মাকে, ছোটোমামাকে বিদায় জানিয়েছিলাম।

 ওরা এখন ওই অন্ধকারের কোথাও ঘুমিয়ে আছে। আমি ফিরে আসছি তোমাদেরই কাছে।

 ন’বছর তোমাদের দেখিনি।

এই এতগুলো বছরে ভারত নামের দেশটা খুব দ্রুত বদলে গেছে। যাদের বালক বালিকা দেখে গিয়েছিলাম, তারা এখন আঠেরো বছর বয়স কী-দুঃসহ তরুণ তরুণী। যাদের কিশোর কিশোরী দেখে গিয়েছিলাম, তারা বিবাহিত – মেয়েদের কোলে শিশুসন্তান। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। অকালে চলে গেছে কেউ কেউ। পাশের বাড়ির গণেশ আর কার্তিক দুই ভাই — দুজনকেই দেখছি সেই ছোটবেলা থেকে। কার্তিক এখন ট্যাক্সি চালায়। একদিন আমার সঙ্গে রাস্তায় কোথায় যেন দেখা হয়ে গেলো।

একটু বেশি আবেগতাড়িত হয়ে যাবে, কিন্তু না বলেও পারছি না। অন্ধকার রাতে ভারতবর্ষের আকাশপথে ঢোকার পরে প্লেনের জানালা দিয়ে অনেক নীচের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম। মাঝে মাঝে দু একটা আলো। ওখানেই আছে গ্রাম, শহর, উপশহর, জনপদ।

কী যেন একটা কাজে হরিশ মুখাৰ্জী রোডে যেতে হয়েছিল। কার্তিক ডাকলো ট্যাক্সি থেকে, “এই বাবুয়া, এই বাবুয়া।” তারপর যা হয়। বাড়ি পৌঁছে দিলো ট্যাক্সি করে। ভাড়া দেওয়ার কোনো প্রশ্নই তোলা গেলো না। মৃদুভাবে একটু তুলেছিলাম টাকার কথা। দেখলাম, ওর চোখদুটো অন্ধকার হয়ে গেলো।

কার্তিক বললো, “গণেশ সুইসাইড করেছে।”

আমাদের সেই বহু পুরোনো মেজেনাইন দেড়তলার ফ্ল্যাটে ফিরে গেছে আমার বাবা আর বোন। ফিরে আসতে হয়েছে, কারণ বেহালার সে অস্থায়ী ফ্ল্যাটের ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা আমার বাবার নেই। আবার সেই দশ ফুট বাই দশ ফুট। যেখানে পাড়া মানে যেন একটা গ্রাম – প্রত্যেকে প্রত্যেককে চেনে, জানে। হাসে, আড্ডা দেয়, আবার ঝগড়া মারামারিও করে। যেখানে পরনিন্দা পরচর্চা ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পের চেহারা নিয়েছে।

কলকাতায় ফিরে গিয়েই আমাদের গোয়াবাগানের সেই মেজেনাইন ফ্ল্যাটে সুব্রত, আমার বোন ও তার স্বামী, এবং আমাদের কন্যারা। পিছনে আমার মাসি শোভা।

আবার যেখানে কারুর গুরুতর অসুখ বা মৃত্যুর খবর পেলে পাড়াসুদ্ধ লোক এগিয়ে এসে বলে, “মেসোমশাই, আমরা আছি। কোনো দরকার হলে বলবেন।”

আমেরিকায় কেউ বলে না। আমেরিকায় কোনো পাড়া নেই।

কলকাতায় সুব্রত দেখা করতে এলো। সে এখন জামালপুর না ইটাহার কোন একটা ক্ষুদ্র শহরে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার – বিডিও। পশ্চিমবঙ্গ বামফ্রন্ট সরকার ভাগ্যবান এমন একজন পরিশ্রমী, সৎ ও বুদ্ধিদীপ্ত উন্নয়ন অফিসার পেয়েছে।

সুব্রত-সুমিতার দুটো ছেলে – বড়োটা তখন বোধহয় দশ, আর ছোটটা সবেমাত্র দুই কি তিন। ওদের সেই ঊনিশ নম্বর গোরাচাঁদ বসু রোডের একতলার ফ্ল্যাটে গিয়ে একদিন মাসিমা মেসোমশাইয়ের সঙ্গে দেখা করে এলাম। সেই বাইরের বসার এবং পড়ার ঘর, যেখানে সুব্রত প্রথম আমাকে দাবা খেলা শিখিয়েছিলো, এবং তারপর প্রতিবারই আমার কাছে হেরে যেতো কিন্তু কখনো রাগ দুঃখ করতো না। আমার কাছে দাবায় হেরে গিয়েও আমার শৈশবের অকৃত্রিম বন্ধু চিরকালই হাস্যমুখ।

সুব্রতর বাড়িতে ওর বাবা মা স্ত্রী ও ছেলেদের সঙ্গে।

সুব্রতর বোন আমার বোনের থেকেও দু এক বছরের ছোটো। কিন্তু এখন সে বড়ো হয়ে গেছে। বিয়ে হয়ে গিয়ে বরানগর না কোথায় যেন থাকে। ওকেও দেখে গিয়েছিলাম যখন ও ছিল বালিকা বা সদ্য কিশোরী।

“গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেলো ক্রমে, মৈত্রমহাশয় যাবেন সাগর সঙ্গমে।”

মানে, অনেকটা সেই রকমই। বাবুয়া, বাবুয়াদা আমেরিকা থেকে এসেছে, সে খবর পেয়ে পাড়া ঝেঁটিয়ে সবাই দেখা করতে এলো। এলো অবশ্য তারাই, যারা খুশি, গর্বিত। এই ছেলেটা এই পাড়াতেই রাস্তায় খালি পায়ে রবারের বল পেটাতো, সরস্বতী পুজো করতো, শীতকালে দুপুরবেলা এপাড়া ওপাড়ার সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেলতো, রকে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতো, ক্যারম খেলতো। এই বাবুয়া খাকি প্যান্ট পরে আরএসএস করতো। এই বাবুয়া এখন গত প্রায় দশ বছর আমেরিকায়। কী করে গেলো, সে প্রশ্ন সে গুজব অনেক হয়েছে। এখন দেশের ছেলে দেশে ফিরে এসেছে, সেটাই বড়ো কথা, আনন্দের কথা।

দেশে গেলেই প্রথম প্রথম একটা ফ্যামিলি জমায়েত আয়োজন করতাম। সবাই আসতো। বহুকাল পরে দেখা হতো।

দেখা করতে এলো আমার বোন, তার স্বামী ও মেয়ে। মেয়ে অবশ্য তখনও খুব ছোটো। মামার সঙ্গে প্রথম দেখা হলো তার। আর তার দিদির সঙ্গে, যে দিদির গল্প সে অনেক শুনেছে। আমার মেয়ের জীবনে এ এক আশ্চর্য অভিজ্ঞতা। কত মাসি, কত পিসি, কত কাকা, মামা, দাদু, দিদা। নিজের দিদিমা অবশ্য নেই, এই একটা অপূর্ণতা থেকেই গেছে। কিন্তু তার অভাব কিছুটা হলেও পূর্ণ করে দিয়েছে আরো কত দিদিমা।

আমার মাসি শোভা। সে এখন ছোটমামার মৃত্যুর পর তার স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ডেই একটা চাকরি পেয়েছে। সমাজবাদী সরকারি ব্যবস্থা তখনও ভারতে বিরাজমান। সেখানে তখন কাটথ্রোট লাগামছাড়া নিষ্ঠুর পুঁজিবাদ আজকের মতো এমন করে ঘাঁটি গেড়ে বসেনি।

পাড়ার ছেলে উৎপল বললো রাস্তার ঠিক মাঝখানটায় দল বেঁধে দাঁড়িয়ে, “বাবুয়াদা, তোমাদের ওখানে তো সব আশি নব্বই মাইলে গাড়ি যায়, তাই না?”

আমি বললাম, “সে তো যায় হাইওয়েতে। এমনি রাস্তায় কি আর অত স্পীডে যেতে পারে?”

ওরা এমন উত্তর আশা করেনি। আমেরিকা সম্পর্কে কত রকম ধারণাই যে সৃষ্টি হয়েছে এতো বছর ধরে।

তাও, একবার শেষ চেষ্টা।

“মানে, সাঁই সাঁই করে চলে যায়, তাই না?”

তাপস আর গোপাল বললো, “ওখানে কী খাও? মানে, ভাত টাত তো আর পাওয়া যায় না। সবসময়ে কি পিৎজা স্ফ্যাগেটি এসব খেয়ে থাকো?”

কী আর বলবো! বলিউড আর হলিউড যেখানে মগজধোলাই করে দিয়েছে নিরঙ্কুশভাবে। তাছাড়া কথাটা স্ফ্যাগেটি নয়, স্প্যাগেটি।

স্কটিশ ইস্কুলের পুরোনো বন্ধু স্বপ্নাভ রায়চৌধুরী নিয়ে গেলো ওর বাড়িতে। বললো, “কী খাবি বল। আমার ফ্রীজে কিন্তু সবকিছুই আছে।”

আমি বললাম, “দুপুরবেলায় কী আর খাবো। ভাত ডাল তরকারি, মাছ মাংস যা খাওয়াবি।”

কেলেঙ্কারি। বুঝতেই পারিনি ভারতবর্ষ আর সেই আদ্যিকালের ঊনিশশো পঁচাশির ভারত নেই। এখন ঊনিশশো চুরানব্বই। সোভিয়েত ইউনিয়ন আর নেই। এখন সমাজবাদ জায়গা করে দিয়েছে নিরঙ্কুশ, সর্বজনপ্রিয় পুঁজিবাদের। এখন কেউ বাড়িতে ডেকে ভাত ডাল তরকারি মাছ খাওয়ায় না।

যদিও চুরানব্বইতে কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই — প্রভাত ফেরীও, কিন্তু দেওয়ালে অস্পষ্ট ছাপ ভয়ের রাজনীতির।

তবে, হাওড়া শহরে শ্বশুরবাড়ি। সেখানে এখনো বাঙালিত্ব আগের মতোই আছে। সেখানে এখনো দুপুরবেলায় ঠাণ্ডা মেঝেতে বসে বাড়ির বউরা, মেয়েরা গল্প করে। এই অসহ্য গরমে ভিজে গামছা গায়ে মাথায় দিয়ে পাখা চালিয়ে শুয়ে থাকে। চারদিক তখন সেই ঘণ্টা দুয়েক সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ।

 চুরানব্বইতে প্রথমবার দেশে গিয়ে রবীন্দ্র জয়ন্তী মহাজাতি সদনে। ভি বালসারা যন্ত্র বাজাচ্ছেন। স্বর্গীয় সুর।

“পিঁপড়া কাঁদিয়া যায় পাতে।” সময় থমকে দাঁড়িয়ে আছে এখানে।

 “যখন সময় থমকে দাঁড়ায়” – গান শোনা যায় ওদের বাড়ির ক্যাসেট প্লেয়ারে। নতুন দুজন তিনজন গায়কের নাম শুনলাম।

 সুমন, নচিকেতা, আর অঞ্জন দত্ত।

 গান শুনলাম, “প্রথমতঃ আমি তোমাকে চাই।”

 পুরোনো কলকাতায় কেমন যেন একটু নতুন সংস্কৃতির হাওয়া।

 (চলবে)

*আমেরিকা-জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রখ্যাত মানবধিকার কর্মী ডঃ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলামে চলছে ‘মেরিকামায়া সাতকাহন’।
ধারাবাহিকভাবে প্রতি শুক্রবার সন্ধে ৬টায় প্রকাশিত হচ্ছে শুধুমাত্র বঙ্গদর্শন-এ।
‘মেরিকামায়া সাতকাহন’-এর সমস্ত পর্ব পড়তে
এখানে ক্লিক করুন

Developed by DXDasia