স্বীকৃতি দিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
পথ দেখাচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। কয়েকমাস আগে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রথম দশে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জায়গা করে নেয়। কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ন্যাশানাল ইন্ডিয়ান র্যাং কিং ফ্রেমওয়ার্ক বা এনআইআরএফ-এর ২০২০ সালের তালিকায় যাদবপুর রয়েছে পঞ্চম স্থানে। এবার সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক।
সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত এক তালিকায় উঠে এসেছে, ২০২০ সালে বিশ্বের প্রথম ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৩০ জনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি। সারা বাংলাকে গৌরবান্বিত করেছে এই খবর। স্ট্যানফোর্ডের তালিকায় কলকাতা, বিশ্বভারতী-সহ পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিরাও আছেন। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে একসঙ্গে এতজন বিজ্ঞানীর নাম উঠে আসেনি।
মুক্তচিন্তার প্রসারে বাংলায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে যাদবপুর। বৈজ্ঞানিক গবেষণাতেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান কম নয়। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত তালিকায় বিশ্বের সেরা বৈজ্ঞানিকদের ২ শতাংশের মধ্যে আছেন আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্সের উজ্জ্বল মৌলিক, অমিত কোনার ও অমিতাভ চট্টোপাধ্যায়। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর পপিতা দাস, কেমিক্যাল ফিজিক্সের সত্য মৌলিক এবং সৌমেন ঘোষ, এনার্জির মৌসুমি বসু, স্বপন কুমার গোস্বামী, অমিতাভ দত্ত রয়েছেন তালিকায়। এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের দীপঙ্কর চক্রবর্তী, ফ্লুইড অ্যান্ড প্লাজমাসের সঞ্জয় কুমার আছেন। জিওলজি বিভাগে একমাত্র ভারতীয় বিজ্ঞানী যাদবপুরের শুভ্রাংশু কুমার আচার্য।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অটোমোশন বিভাগে বিজয় ভট্টাচার্য, ইনঅর্গানিক অ্যান্ড নিউক্লিয়ার কেমিস্ট্রি বিভাগে সমরেশ ভট্টাচার্য, সৈকত কুমার শেঠ, চিত্তরঞ্জন সিনহা, ম্যাটেরিয়ালসে সুমন দাস, তপন কুমার পাল, প্রশান্ত সাহু, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বলরাম কুণ্ডু, প্রীতম কুমার দাস্, হিমাদ্রি চট্টোপাধ্যায় স্থান পেয়েছেন। মেডিসিনাল অ্যান্ড বায়োমলেকিউলার কেমিস্ট্রিতে আছেন কুণাল রায়, পুলক মুখোপাধ্যায় এবং সুভাষচন্দ্র মণ্ডল। ফারুখ রহমান এবং সুবিনয় চক্রবর্তী রয়েছেন নিউক্লিয়ার অ্যান্ড পার্টিকেল ফিজিক্সে। অপরেশন্স রিসার্চ বিভাগে কেএস চৌধুরী, বিসি গিরি এবং শঙ্কর চক্রবর্তী স্থান পেয়েছেন। এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় বিজ্ঞানীর নাম আছে তালিকায়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কৃতিত্ব বাংলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও অনুপ্রাণিত করবে।
তথ্যসূত্র – যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজ
