সল্টলেকে সাশ্রয়ী শিল্পমেলার প্রথম বছর

উদ্বোধন করেন চীনের ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল কিন ইয়ং

সারা বাংলার শিল্পীদের একজায়গায় এনে, তাঁদের শিল্পকর্ম প্রদর্শন করতে, গত ২ এবং ৩ মার্চ ঐকতান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (Aikatan Cultural Centre) অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সল্টলেক সাশ্রয়ী শিল্পমেলা ২০২৪ (Salt Lake Affordable Art Fair 2024)। এই মেলার এটাই প্রথম বছর। তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ডটার আর্ট গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা মল্লিকা চন্দ। তিনি এবং প্রতিবেশী চীন দেশের ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল কিন ইয়ং মেলার উদ্বোধন করেন। শিল্পীর মন বা শিল্পকর্ম যে কোনও সীমানা মানে না, প্রধান অতিথি হিসেবে মেলায় কিন ইয়ং-এর উপস্থিতি যেন তারই সাক্ষ দেয়।  

এই শিল্পমেলার মূল কথাই ছিল ‘সাশ্রয়ী মূল্যে শিল্পদ্রব্য’। শিল্পমেলা মানেই সাধারণের নাগালের বাইরে, এমন ভাবধারার বাইরে বেরিয়েই শতাধিক শিল্পীর ২০০০-এর বেশি শিল্পকলা নিয়ে আয়োজিত হয় এই মেলা।

এই শিল্পমেলার মূল কথাই ছিল ‘সাশ্রয়ী মূল্যে শিল্পদ্রব্য’। শিল্পমেলা মানেই সাধারণের নাগালের বাইরে, এমন ভাবধারার বাইরে বেরিয়েই শতাধিক শিল্পীর ২০০০-এর বেশি শিল্পকলা নিয়ে আয়োজিত হয় এই মেলা। সবার কথা ভেবেই মেলা কর্তৃপক্ষ শিল্পসামগ্রীর সর্বোচ্চ দাম রেখেছিলেন ২০০০০। ক্যানভাস বা কাগজে রং তুলি দিয়ে আঁকা ছবির পাশাপাশি এই মেলায় প্রদর্শিত হয়েছিল ভাস্কর্য, ফটোগ্রাফি, মৃৎশিল্পের মতো অন্যান্য হস্তশিল্প-র সম্ভার। ছিল কবিতা পাঠের আসর। হাতে-কলমে অভিজ্ঞতার জন্য ছিল লাইভ পটারি (Live pottery) সেশন। বলা যায়, দুদিন ব্যাপী এই মেলা আয়োজিত হয়েছিল প্রকৃত শিল্পমনস্ক মানুষের আশাপূরণের জন্যই।

 

মেলায় অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট শিল্পীরা হলেন সত্যব্রত কর্মকার, নুর আলী, ইন্দ্রজিৎ নারায়ণ, বাপ্পা ভৌমিক, জয়দেব বালা, প্রখ্যাত ভাস্কর চন্দন ভান্ডারী এবং শিখা চ্যাটার্জি। 

প্রথমবার এহেন মেলার আয়োজন করে মল্লিকা চন্দ বলেন, “সল্টলেকে এই ধরনের শিল্পমেলা করার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষের মধ্যেই শিল্পবোধ জাগিয়ে তোলা এবং শিল্পের ভাবধারাকে ছড়িয়ে দেওয়া। শিল্পই পারে জাত-ধর্ম-অর্থনৈতিক অবস্থান ব্যতিরেকে মানবিক মেলবন্ধন ঘটাতে। এতজন শিল্পীকে এক ছাদের তলায় তাঁদের শিল্পকর্ম প্রদর্শনের সুযোগ করে দিতে পেরে আমি খুবই খুশি।”

Post Tags
Developed by DXDasia