
গোমূত্র রিফাইনারির পর নতুন নিয়ম রাজস্থানে
বসুন্ধরা রাজেকে রাজস্থানের সাংবাদিকরা বলেন এইট পিএম সিএম। তাঁকে নাকি পৃথিবী ভেসে গেলেও আটটার পর আর পাওয়া যায় না। তবে চমক সৃষ্টিতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। গত বছর সরকারি পরিচালনায় তাঁর রাজ্যেই তৈরি হয়েছিল গোমূত্র রিফাইনারি। প্যাকেটে গোমূত্র বিক্রি হয় সেখান থেকে। এ বার শুরু হল রাজ্যের গরিবদের বাড়িতে বড় বড় করে ‘আমি গরিব’ লিখে দেওয়ার পালা। দৌসা জেলায় হলুদের উপর দগদগে লাল কালি দিয়ে প্রায় দেড় লাখ বাড়িতে লিখে দেওয়া হয়েছে এই কথা। বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের সস্তা চাল-গম যারা নেবে তাদের বাড়িতে এমন করেই লিখে দেওয়া হবে।
এই লেখার কাজটা অবশ্য করছে বিজেপি শাসিত জেলা পরিষদ। যাদের বাড়িতে এই ভাবে লিখে দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা জানিয়েছেন, এটা খুবই অপমানজনক। কিন্তু চারটি চাল ডালের জন্য মুখ বুজে তারা এই অপমান সহ্য করছে। বিষয়টি জানাজানি হতে অবশ্য রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী রাজেন্দ্র রাঠোর মুখ বাঁচাতে বলেছেন, ‘আমরা দেখছি কেন এটা হয়েছে, এটা অন্যায়’। কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারি বলেছেন, ‘খাদ্য সুরক্ষ প্রকল্পে যারা চাল গম পাচ্ছেন, সেটা তাঁরা পাচ্ছেন সাংবিধানিক অধিকারবলে। তাঁদেরকে দয়া করা হচ্ছে না’। ইউপিএ সরকারের আমলেই এই খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প চালু হয়েছিল।
