জনপরিষেবায় বিশ্বসেরা কন্যাশ্রী

বাংলার ৪০ লক্ষ ‘কন্যাশ্রী’ কে সম্মান উৎসর্গ করলেন মমতা

মোট চারবার বলার সুযোগ পেয়ে মিনিট দশেকের বক্তৃতাতেই জয় করলেন তিনি। বিশ্বের দরবারে জনপরিষেবার শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা পেল তাঁরই পরিকল্পিত সাধের প্রকল্প কন্যাশ্রী। ৬৩টি দেশকে পিছনে ফেলে নেদারল্যান্ডস-এর দ্য হেগ শহরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে সম্মানিত হলেন, পুরষ্কার গ্রহণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা বিশ্ব জানলো জনপরিষেবায় মাত্র সাত বছরে তাঁর নেতৃত্বে কী ভাবে এগিয়েছে রাজ্য। প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিষেবা পৌঁছে দিতে মুখ্যমন্ত্রীর ৩০০টি প্রশাসনিক বৈঠক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।

পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে যাঁরা বিশ্বে অগ্রগামী প্রতিবছর তাঁদের মধ্য থেকেই সেরা নির্বাচন করে পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড দেয় রাষ্ট্রপুঞ্জ। বিশ্বের তাবড় রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা এই সম্মানকে নোবেল পুরষ্কারের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন।

মমতার বক্তব্যে এদিন উঠে এল কন্যাশ্রী, সবুজসাথী এবং খাদ্যসাথী প্রকল্প কী ভাবে রাজ্যের প্রান্তিক মানুষের কল্যাণকামী হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া কেবল প্রকল্প ঘোষণাই নয়, তার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে জেলায় জেলায় তিনশোরও বেশি প্রশাসনিক বৈঠক।

Developed by DXDasia