
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
এবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করবেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা
ক্রমাগত হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা ঊর্দ্ধমুখী, কিন্তু সেই তুলনায় জোগান অপ্রতুল। পরিস্থিতির সামাল দিতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করাতে চলেছে রাজ্য সরকার। যাদের এই কাজের অল্প হলেও অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেরকম ৫টি সংঘের নাম চাওয়া হল প্রত্যেক জেলা থেকে। রাজ্যস্তরে স্বাস্থ্য দপ্তরের সহায়তায় এই উদ্যোগ নিয়েছে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। জেলায় জেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির ইউনিট গড়ে তুলতে ডিস্ট্রিক্ট রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেলের থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে।

বহুরূপী সেজে পড়ুয়াদের সচেতনতার পাঠ দিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক
করোনা ভাইরাস যে মাত্রায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ পালন করার চেষ্টা করছে বিভিন্ন মহল। বাদ যায়নি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো স্কুলে ছুটি পড়ে গেছে। তবু গ্রামের প্রত্যন্ত স্কুল হওয়ায় অনেকেই তা জানতে না পেরে স্কুলে চলে এসেছিল। তাদের নিয়েই এদিন স্কুলে এক সচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালন করলেন হুগলি খানাকুলের মাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাশিস মুখার্জি। তিনি বহুরূপী সেজে গান গেয়ে, নৃত্য পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করার চেষ্টা করেন। তিনি পড়ুয়াদের বলেন কোনোরকম গুজবে কান না দিতে, বরং সতর্ক থাকতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলা ও অতিরিক্ত জল খাওয়ার পরামর্শ দেন। জ্বর হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, এর আগেও দেবাশিসবাবু বহুরূপী সেজে অন্যান্য বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করেছেন। ছবি – প্রতীকী।

জ্বর-সর্দির জন্য আলাদা লাইন সরকারি হাসপাতালে
রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে করোনা সংক্রমণ এড়াতে জ্বর-সর্দি-কাশির রোগীদের জন্য আউটডোরে পৃথক লাইন করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। মঙ্গলবার করোনা সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের টাস্ক ফোর্সের জরুরি বৈঠক ছিল স্বাস্থ্যভবনে। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। আউটডোরের পাশাপাশি ইন্ডোরেও করোনা উপসর্গ এবং করোনা রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড এবং আলাদা আইসিইউ-এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, জ্বর-সর্দি-কাশি-শ্বাসকষ্টের মতো করোনা উপসর্গ থাকা রোগীদের থেকে বাকি রোগীদের অসুখ ছড়ানোর তীব্র আশঙ্কা থাকে। বিশেষত ভিড়ের হাসপাতালে। তাই আলাদা ইন্ডোর এবং আউটডোর দু’ক্ষেত্রেই এই ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছবি – সংগৃহীত।

ছুটির মধ্যেই অনলাইনে চলছে পড়াশোনা
করোনা ভাইরাসের থেকে সুরক্ষিত থাকতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন ছুটি। এজন্য পড়াশোনায় কোনো ঘাটতি যাতে না হয়, তাঁর কথা ভেবে অনলাইনে পঠনপাঠন চালু আছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে। কোথাও স্কাইপের মাধ্যমে ক্লাস চলছে, কোথাও বা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। অনলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রিপোর্ট কার্ড থেকে স্টাডি মেটিরিয়াল। পড়ুয়াদের লেখাপড়ায় কোনো সমস্যা হলে পড়ুয়ারা বৈদ্যুতিন মাধ্যমেই শিক্ষকের থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশানাল স্কুল, ডিপিএস রুবি পার্ক স্কুল, ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুল, মহেশতলা কলেজ, মৌলানা আজাদ কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মাধ্যমে পড়াশোনা চলছে। এতে পড়ুয়ারাও উপকৃত হচ্ছেন।
