
দিনযাপনে বাছাই চার
স্কুলের ছাদেই সবজি চাষ, নিজেদের ফলানো সেই টাটকা সবজি যাচ্ছে মিড-ডে মিলে
‘স্কুলবাড়ি’ – অনেকটা স্বপ্নের মতো! কিছু কিছু স্বপ্ন তো সত্যিও হয়। বাজার থেকে কেনা সবজি নয়, নিজেদের বাগানে ফলানো টাটকা সবজি তুলে দেওয়া হবে ছাত্রদের পাতে। এমনটাই ভেবেছেন বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্কুলের চারপাশ সবুজে সাজানো। সেখানে নানারকম সবজি চাষ করা হচ্ছে। এমনকি স্কুলের ছাদেও তৈরি করা হয়েছে বাগান। সেখানে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টম্যাটো, মটরশুঁটি, লঙ্কার বাহারি রং স্কুলকে আরও রঙিন করে তুলেছে। ছাত্ররাও সমানতালে উৎসাহিত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ ভেবেছেন, নিজেদের হাতে ফলানো সবজিই এবার মিডডে মিলে ছাত্রদের দেওয়া হবে। স্কুলের ছাদে রয়েছে ৫০০ বর্গফুট জায়গা। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পার্মানেন্ট রুফ টপ ভেজিটেবল গার্ডেন’।

কলকাতার খেলা আর শরীরচর্চার ইতিহাস এবার আপনার চোখের সামনেই
বাংলার খেলা এবং শরীরচর্চার ইতিহাস বেশ গর্ব করার মতোই। কল্লোলিনী তিলোত্তমাও সেই ঐতিহ্য বহন করছে। কলকাতার খেলা এবং শরীরচর্চার ইতিহাস এবং সরঞ্জামের ওপর একটি প্রদর্শনী শুরু হচ্ছে শেকসপিয়র সরণির অরবিন্দ ভবনে। ‘কলকাতা কথকতা’ এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এই প্রদর্শনীর নাম ‘খেলার একাল সেকাল’। উদ্বোধন হবে আগামীকাল, ১০ জানুয়ারি, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টেয়। রবিবার, ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ৩টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এটি। গত কয়েক বছর ধরেই অরবিন্দ ভবনে ‘দুই শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে কলকাতা ও শ্রীঅরবিন্দ’ শিরোনামে পুরোনো কলকাতা বিষয়ক কয়েকটি প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছে। এবারের বিষয়: খেলা। শুধু আমাদের চারপাশের ফুটবল-ক্রিকেট-কুস্তিই নয়, আরও নানা ধরনের খেলার অতীত হাল-হকিকত এখানে জানতে পারবেন দর্শকরা। পুরোনো কলকাতার পারিবারিক অন্তঃপুরের নানা ধরনের খেলার হদিসও থাকবে।

গঙ্গাসাগর মেলাকে প্লাস্টিক-মুক্ত করতে জোর তৎপরতা প্রশাসনের
এবারের গঙ্গাসাগর মেলার থিম প্লাস্টিক-মুক্ত ও পরিবেশবান্ধব মেলা। সেই লক্ষ্যকে পাখির চোখ করে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন ও গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ন পর্ষদ। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কপিল মুনির আশ্রমে দর্শনার্থীদের প্রসাদ দেওয়া হবে কাগজের ব্যাগে। ২২ লক্ষ কাগজ, কাপড় ও চটের ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেলার জন্য। সেগুলি ব্যবসায়ীদের বিলি করা হচ্ছে। থাকছে শালপাতার বাসনপত্রের ব্যবস্থাও। মেলাকে প্লাস্টিক-মুক্ত করতে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, বাজার কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন উদ্যোক্তারা।

রাজ্যের বৃহত্তম ও ভারতের প্রাচীনতম এই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার শতবর্ষে পা
খুচরো ও পাইকারি ওষুধ বিক্রেতাদের সংগঠন, বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ বিসিডিএ শতবর্ষে পা দিল। ১৯২১ সালে এই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠার সময় নামে বেঙ্গল শব্দটি ছিল না, ছিল ক্যালকাটা কেমিস্ট। দেশে সেই সময় এমন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংগঠন আর দ্বিতীয়টি ছিল না। তাই পরবর্তীকালে নাম পরিবর্তন করে বেঙ্গল করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিসিডিএ-র বর্ষব্যাপী শতবর্ষ উদযাপনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে। নজরুল মঞ্চে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সংগীতশিল্পী হৈমন্তী শুক্লা, ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা, চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।
