ফিরিয়ে আনা হচ্ছে রাইটার্স বিল্ডিং-এর ইতিহাসকে

গ্রেকো-রোমান স্থাপত্যের সঙ্গে সাযূজ্য রেখেই সংস্করণের কাজ করছে পূর্ত দপ্তর

ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের কাজ চলছে পুরোদমে। লাগানো হচ্ছে বার্মা থেকে আনা সেগুণ কাঠ। তৈরি করা হচ্ছে ফাঁপা ইট। এই ফাঁপা ইটই মহাকরণকে  শীততাপ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রক। গ্রেকো-রোমান স্থাপত্যের সঙ্গে সাযূজ্য রেখেই সংস্কারের কাজ করছে পূর্ত দপ্তর।

প্রায় আড়াইশো বছর পুরনো এই রাইটার্স বিল্ডিং। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রশাসনিক দপ্তর হিসাবে নির্বাচন করা হয়। সমস্ত সরকারি অফিসের কেন্দ্র হওয়ার জন্য বড় বড় ঘরগুলিকে পার্টিশন করে হয়েছিল। বন্ধ করা হয়েছিল অনেক জানালা। তাছাড়া মহাকরণ সম্প্রসারণের জন্য যে নতুন অংশটি তৈরি করা হয় তার সঙ্গে পুরনো স্থাপত্যের কোন মিল ছিল না। ফলে ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছিল। পূর্ত দপ্তর সূত্রে খবর, মহাকরণের সংস্কারের কাজ শুরু করার আগে ভবনটি কী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। বন্ধ করা জানলা ও ঘরের মধ্যেকার পার্টিশনগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে। হেরিটেজের চরিত্র বজায় রাখার জন্য বৈদ্যুতিক তারের ক্ষেত্রেও কোনও কনসিলড ওয়্যারিং ব্যবহার করা হয়নি।’ সংস্কারের কাজ জোরকদমে চলছে। কিন্তু রাইটার্স বিল্ডিংকে স্বমহিমায় দেখবার জন্য মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে আরও তিন বছর।

Developed by DXDasia