ভেজালের দিন শেষ, বাজারে এসে গেল সুগার ফ্রি খেজুর গুড় – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই করা খবর

ভেজালের দিন শেষ, বাজারে এসে গেল সুগার ফ্রি খেজুর গুড়

শীত মানেই খেজুর গুড়। কিন্তু খাঁটি গুড় পাওয়া আজকালকার দিনে সত্যিই দুষ্কর। বেশি গুড় খেলে আবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার চিন্তা থাকে। এই সমস্ত মনখারাপ দূর করতে এবার বাজারে এসে গেছে সুগার ফ্রি খেজুর গুড়। এমন নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার কিছু মানুষজন। খাঁটি রস ভোরের মধ্যেই দোকানে চলে আসছে। অশোকবাবুর দোকানের সামনে ঝুলছে ব্যানার। তাতে লেখা সুগার ফ্রি খেজুর গুড়। ঝোলা গুড় কেজি প্রতি ৪০০ টাকা আর পাটালি ৫০০ টাকা কেজি। বাজারে যে গুড় চালু আছে তাতে চিনি মেশাতেই হয়। নাহলে কম দামে বিক্রি করা যাবে না। কিন্তু এঁদের গুড়ে কোনো চিনি নেই। এই সলিড গুড় পেতে ভিড় করছেন প্রচুর মানুষ। ছবি- প্রতীকী।

আন্তর্জাতিক ক্যারাটে প্রতিযোগিতায় পদক জিতে নিল ক্যানিং-এর মেয়ে

ক্যানিং-এর দরিদ্র পরিবারের মেয়ে বাংলার মুকুটে যোগ করল নতুন পালক। চলতি বছরের ২৪ এবং ২৫ জানুয়ারি নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম এশিয়া কাপ ওপেন ইন্টারন্যাশানাল ফুল কন্ট্রাক্ট ক্যারাটে টুর্নামেন্ট, ২০২০, যাতে এশিয়ার ১০টি দেশ অংশ নিয়েছিল। এই প্রতিযোগিতার ৫০-৫৫ কেজি বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে ক্যানিং দ্বারিকানাথ বালিকা বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া চম্পা নাইয়া। জিতে নিয়েছে ব্রোঞ্জ পদক। ক্যানিং-এর উত্তর নিকারীঘাটা গ্রামের বাসিন্দা সে। তার বাবা তপন নাইয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি। বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করেন তাঁর মা লক্ষ্মী নাইয়া। এরকম পরিস্থিতির মধ্যেই লড়াই করে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারাটের প্রশিক্ষণ চালিয়ে গিয়েছে সে। ইতিমধ্যেই রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় তাক লাগিয়ে দিয়েছে। নানান প্রয়োজনে তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বেশ কিছু সহৃদয় মানুষ ও সংস্থা। সর্বোপরি চম্পার কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যাবসায় তাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

গুপী-বাঘার ৫০ বছরে কলকাতা বইমেলায় সেজে উঠেছে পিসি চন্দ্র

কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় অন্যান্যদের মতো জায়গা করে নিয়েছে গুপী এবং বাঘা। সত্যজিৎ রায়ের ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এর সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষ। সেই উপলক্ষে পিসি চন্দ্র গ্রুপ তাঁদের স্টল সাজিয়েছেন গুপী-বাঘা থিমে। গুপী-বাঘার কয়েকটি দুর্লভ দৃশ্য, ছবি এবং কাট আউট দিয়ে স্টল সাজানো হয়েছে। আছে শুণ্ডি রাজার দরবার, হাল্লা রাজার স্কেচ, ভূতের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পেইন্টিং এবং সত্যজিৎ রায়ের আঁকা ছবি। এছাড়াও ঢোল ও নাগরাই জুতোর ডিজাইনে তৈরি গয়নার কালেকশনও প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে। মজাদার গল্প নিয়ে একটি বইও প্রকাশ করতে চলেছে পিসি চন্দ্র গ্রুপ। কলকাতা বইমেলায় তাঁদের স্টল নম্বর ২৯৭।

এবার হস্তশিল্পেরও থাকবে ব্র্যান্ড নেম, বেনজির উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানে

বাণিজ্যের জন্য এখনকার দুনিয়ায় ব্র্যান্ড নেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্যের ব্র্যান্ড নেম থাকলে, তার মাধ্যমে সহজেই পরিচিতি লাভ করতে পারে সেটি। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন এবার হস্তশিল্পের ব্র্যান্ড নেম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। সেই জেলার কুটির শিল্প এবং মিষ্টান্নেরও ব্র্যান্ড নেম চালু করে বাজারজাত করা হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে আনা হবে এক ছাতার তলায়। প্রথম ধাপে কুটির শিল্প, হস্তশিল্প এবং মিষ্টান্নের ক্ষেত্রে নাম ভাবা হয়েছে ‘কুটির বর্ধমান’। এই নাম চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে সেটিকে নিয়েই এগিয়ে যাওয়া হবে। পাশাপাশি, এই পণ্যগুলির জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন, রেজিস্ট্রেশন, ট্রেডমার্ক করার পরিকল্পনাও নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।
Developed by DXDasia