জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পাহাড়ে আলু, পেঁয়াজ, লঙ্কাসহ অন্যান্য শাকসবজি পাঠানো শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তর
জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পাহাড়ে আলু, পেঁয়াজ, লঙ্কাসহ অন্যান্য শাকসবজি পাঠানো শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তর। বন্ধ আর আগুনের মধ্যে পাহাড়ে ক্রমশ খাদ্যসঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হওয়াতেই এই পদক্ষেপ। শিলিগুড়ির মাল্লাগুরি রেগুলেটেড মার্কেট কমিটির তরফে সুব্রত দাস জানান, তিন দিনে ৮ ট্রাক খাদ্যপণ্য পাঠানো হয়েছে পাহাড়ে। শনিবারও পুলিশ পাহারায় পাঠানো হয়েছে ২ ট্রাক শাকসবজি।
পাহাড়ে বন্ধ শনিবার তিন দিনে পড়েছে। সমতল থেকে প্রচুর পুলিশ, দমকলকর্মী হাজির হয়েছেন পাহাড়ে। একই সঙ্গে, টান পড়েছে খাদ্যেও। অনেক জায়গাতেই কমে এসেছে সঞ্চয়। তাই সরকারের এই উদ্যোগ। সুফল বাংলা প্রকল্প অনুযায়ী শুরু হয়েছে পাহাড়ে খাদ্যদ্রব্য পাঠানো। পাশাপাশি, শিলিগুড়ির নিয়ন্ত্রিত বাজারের আড়তদারদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আড়তদারদের তরফে তপন কুমার সাহা জানান, শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে ৮৬০ জন আড়তদার রয়েছেন। তার ওপর আরও ৫০০০ শ্রমিক ও অন্যরা নির্ভরশীল। প্রতিদিন ওই মার্কেটে এক-দেড় কোটি টাকার কেনাবেচা হয়। কিন্তু পাহাড় বন্ধের জেরে সেই কেনাবেচা কমে গেছে তিরিশ শতাংশ।
শিলিগুড়ি থেকে কৃষকদের উৎপাদিত আলু, পটল সহ অন্য সবজি প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ গাড়ি যায় পাহাড়ে। সব এখন বন্ধ। তাই তপনবাবুদের তরফে সরকারের কাছে বিষয়টি সমাধানের জন্যও আবেদন করা হয়েছে। পাহাড়ের এই বন্ধে সেখানকার সাধারণ মানুষ যেমন খাদ্য সঙ্কটে পড়তে পারেন, তেমনই টান পড়েছে সমতলের অনেকের ব্যাবসাতেও।
