
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
বিদ্রোহ ও চাপা রাগের ফুলকি আবার ‘একক নচিকেতা’র কণ্ঠে
বিংশ শতকের নয়ের দশক। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হয়ে গেছে কবীর সুমনের প্রথম অ্যালবাম। বাংলা গানের নতুন হাওয়ায় তখন উৎফুল্লিত তরুণ প্রাণ। ঠিক তার এক বছর পর ১৯৯৩ সালে সম্পূর্ণ অন্যরকম জীবনমুখী গান নিয়ে ‘এই বেশ ভালো আছি’ অ্যালবামের মধ্যে দিয়ে জন্ম হল আরেক তরুণ তুর্কির। তিনি নচিকেতা চক্রবর্তী। এলোমেলো চুল, মুখভর্তি চাপ দাড়ি, ছিপছিপে গড়ন আর তীক্ষ্ণ মায়াময় চোখ পাগল করেছিল নব্বইয়ের প্রাণকে। তখন প্রত্যেক বাঙালির বাড়িতে সুমন-অঞ্জন-নচিকেতার রেষারেষি। নচিকেতার প্রথম অ্যালবামের মোট ১২টি গানের প্রায় প্রত্যেকটিই ছিল সুপারহিট। সে ‘নীলাঞ্জনা’ই হোক বা ‘যখন সময় থমকে দাঁড়ায়’। তিনি কথা বললেন বিদ্রোহের, চাপা রাগের। অনেকদিন পর আবার একক নচিকেতা। গানের মাধ্যমে আবার তিনি সোচ্চার হবেন কলকাতায়। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মহাজাতি সদনে সন্ধে ৬.৩০টায় অনুষ্ঠিত হবে ‘একক নচিকেতা’। আয়োজনে আগুনপাখি এবং নবমিলন ক্লাব।

মিমির উদ্যোগে সোলার ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন বসল আখড়া সন্তোষপুরের স্কুলে
‘সুকন্যা’ প্রোজেক্টের মাধ্যমে বালিকা বিদ্যালয় এবং কো-এড স্কুলগুলোতে মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন বসানোর বন্দোবস্ত করেন মিমি চক্রবর্তী। এই গ্রিন প্রজেক্টের অঙ্গ হিসেবেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার আখড়া সন্তোষপুরের বনহুগলিতে বলরামপুর মন্মথনাথ হাই স্কুলে চালু হল অভিনব এক ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। মিমির সাংসদ তহবিলের টাকায় বসানো এই মেশিন চলবে সৌরশক্তিতে। মেশিনে ১০ টাকার কয়েন ফেললে মিলবে তিনটি স্যানিটারি প্যাড। পড়ুয়াদের কথা ভেবেই সহজলভ্য করা হয়েছে ন্যাপকিন। পরিবেশ যাতে দূষিত না হয়, তার জন্য থাকছে প্যাড ডাম্প করার যন্ত্র। রবিবার এই ভেন্ডিং মেশিনের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন এলাকার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী নিজেই। অদূর ভবিষ্যতে আরও ৩০টি স্কুলে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বসবে।

সংশোধনাগারের আবাসিকদের তৈরি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য যাবে খোলা বাজারে
সংশোধনাগারের আবাসিকদের তৈরি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য এবং সর্ষের তেল এবার খোলা বাজারে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য কারা দপ্তর। এমনকি বিক্রির টাকা সংশোধনাগারের উন্নতির কাজে লাগানো হবে। এর জন্য রাজ্য সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় লাইসেন্সের আবেদন করা হবে। তেল, বিস্কুট, মুড়ি, পাউরুটি ইত্যাদির পাশাপাশি বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরির দিকেও নজর দেওয়া হবে। রাজ্য কারা দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সংশোধনাগারের নিজস্ব অনুষ্ঠানে এই পাউরুটি এবং বিস্কুট আমন্ত্রিতদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই ভীষণ প্রশংসা করেছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অ্যাপ আনছে স্বাস্থ্য দপ্তর
ডেঙ্গু সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা এবার নাগরিকরা সরাসরি জানাতে পারবেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরে। তার জন্য মার্চের মধ্যেই আসতে চলেছে ডেঙ্গু অ্যাপ। আপনার এলাকা যদি অপরিচ্ছন্ন থাকে, তার ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন স্বাস্থ্য দপ্তরের এই অ্যাপে। নিজের জ্বর হলে তার কথাও জানাতে পারবেন। সরকারের কল সেন্টার থেকে ফোন করে তখন জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া হবে। কাছাকাছি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা পুর হাসপাতাল কোথায় আছে, সেটাও অ্যাপে জেনে নেওয়া যাবে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে। এছাড়াও ডেঙ্গু সংক্রান্ত নানা তথ্য এই অ্যাপ থেকে জানতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড, আই ফোন এবং অন্যান্য সব অপারেটিং সিস্টেমে চলবে এই অ্যাপ।
