
তারা পুলিসের চোখে গুলতি দিয়ে কাঁচের গুলি ছুঁড়ছে
পাহাড়ে হিংসার আগুনে ঘি ঢালতে নেপাল ও সিকিম থেকে একদল গুলতি বাহিনী এসেছে। গুলতি বাহিনী নারী মুক্তি মোর্চার ভিড়ে লুকিয়ে থাকছে। প্ররোচিত করতে তারা পুলিসের চোখে গুলতি দিয়ে কাঁচের গুলি ছুঁড়ছে। পুলিস আহত হলেই তাদের সঙ্গে থাকা আরেকটি মোর্চা বাহিনী সঙ্গে রাখা জ্যারিকেন থেকে পেট্রোল দিয়ে পুলিশের গাড়ি বা সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এই গুলতি বাহিনী এখন দার্জিলিং জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কাছে চিন্তার বিষয়। এই ঘটনার কথা স্বীকার করেন জেলাশাসক জয়সি দাসগুপ্ত।
দার্জিলিং এখন অগ্নিগর্ভ। রোজই পাহাড়ে আগুন, লাঠি, গুলির খবর আসছে। অভিযোগ, নেপাল ও সিকিম থেকে একদল ছেলে গুলতি নিয়ে ক’দিন ধরে দার্জিলিঙে এসেছে। তাদের পকেটে থাকছে অনেক কাঁচের গুলি। হাতে গুলতি। নারী মুক্তি মোর্চা বাহিনী কোথাও অবরোধ বা মিছিল করলে সাত আট জন নারী পিছু দুই জন করে গুলতি বাহিনী থাকছে। নারী মোর্চার সদস্যরা চিৎকার শ্লোগান শুরু করলে গুলতি বাহিনী পুলিসের চোখকে নিশানা করছে। পুলিস এই গুলতি বাহিনী কে ধরার চেষ্টা করছে।
জেলাশাসক জানিয়েছেন, দার্জিলিঙে তারা নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে কেউ মিছিল করবে না। কিন্তু অনুমতি না নিয়েই মিছিল করা হচ্ছে। মিছিল করার জন্য তাদের কাছে কেউ অনুমতি নিতে আসছে না। এখনও পর্যন্ত গত কয়েকদিনে দার্জিলিং এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সহ রেস্ট হাউস মিলিয়ে ১২ টি সরকারি স্থানে আগুন ধরিয়েছে মোর্চা সমর্থকরা। অনেকের বাড়িতে রেশনের চাল, গম না থাকলেও রেশন দোকান খুলতে দিচ্ছে বন্ধ সমর্থকরা। জেলাশাসক মহিলা হয়েও মাথায় হেলমেট পড়ে সাহসিকতার সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে হাজির হচ্ছেন যা নজিরবিহীন। জেলাশাসক বলেন, কেউ শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে তারা বাধা কেন দেবেন? কিন্তু তাদের কাছে মিছিল করার জন্যও কেউ অনুমতি নিতে আসছে না।
