
পোড়ান হল মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং-এর কুশপুত্তলিকাও
হাতে তেরঙা জাতীয় পতাকা, মুখে শ্লোগান, বাংলা ভাগ মানছি না, মানব না। পাহাড়ের বিপরীত ছবি দেখাল সমতল। শিলিগুড়ির বাঘা যতীন পার্ক থেকে বেরুনো মিছিলে চোখে পড়ার মতন ভিড় ছিল তরুণ-তরুণীদের। মোর্চার বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে দিতে এগোল মিছিল। পোড়ান হল মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং-এর কুশপুত্তলিকাও।
এ দিনের দীর্ঘ মিছিলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সিপিএম। তৃণমূলের আইনজীবী সেল এবং জেলা কমিটির কয়েকজনকে মিছিলে হাঁটতে দেখা গেছে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ‘বাংলা ও বাংলাভাষা বাঁচাও কমিটি’-র নেতা মুকুন্দ মজুমদার। তিনি বলেন, ১৬ বছর ধরে বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে আন্দোলন করছি। বাংলার এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।
মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও গন্তব্য স্থানে পৌঁছনোর সময় গণ্ডগোল বাঁধে। মহানন্দা নদী লাগোয়া এয়ারভিউ মোড় পর্যন্ত মিছিল যাওয়ার কথা। কিন্তু কয়েকজন যুবক পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মহানন্দা সেতুর দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।
অন্যদিকে ঈদ উপলক্ষে সোমবার পাহাড়ে ১২ ঘন্টার জন্য বন্ধ শিথিল রেখেছে মোর্চা।
