
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
শ্যাম বেনেগালের প্রথম বাংলা ছবিতে ‘বঙ্গবন্ধু’র চরিত্রে কে?
এই প্রথমবার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল বাংলা ছবি করছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে তাঁকে ট্রিবিউট জানাতে নির্মিত হচ্ছে এই ছবি। মূলত বায়োপিক। এই খবর আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। এবার প্রকাশ্যে এল চরিত্রাভিনেতাদের নাম। ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হবে ‘বঙ্গবন্ধু’। ছবির বাজেটের প্রায় চল্লিশ শতাংশ খরচ করবে ভারত। বঙ্গবন্ধুর ভূমিকায় দেখা যাবে আরেফিন শুভকে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ধারাবিবরণ থাকবে এই ছবিতে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পুরোধা শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের সমস্ত পর্যায় এখানে তথ্যভিত্তিক দেখানো হবে। ছবির বাজেট প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। আর্ট ডিরেকশন দিচ্ছেন নীতিশ রায়। কস্টিউম ডিরেক্টর শ্যাম বেনেগালের কন্যা পিয়া বেনেগাল। বাংলা ভাষাতেই তৈরি হবে সম্পূর্ণ চলচ্চিত্রটি।

সেজে উঠছে তুফানগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রায়ডাক নদী
উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী নদী রায়ডাক ঢেকে গেছে আবর্জনায়। দূষিত হচ্ছে জল। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে রায়ডাক ১ নম্বর নদী। এবার নদীর সৌন্দর্যায়নের ভাবনা নিল তুফানগঞ্জ পুরসভা। সেই সঙ্গে কর্মসংস্থাপনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরসভার তরফ থেকে নদী খনন করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তার ফলে একদিকে যেমন প্রাণ ফিরে পাবে নদী, অন্যদিকে এলাকার মৎস্যজীবীরা এখানে মাছ চাষের সুযোগ পাবেন। নদী খননের পাশাপাশি শহর সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁধ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার। বাঁধ তৈরি হয়ে গেলে নদীর জল শহরে ঢুকবে না। একইসঙ্গে এলাকার মানুষের সুবিধার্থে বাঁধের পাশে সুপরিকল্পিত বসার জায়গা তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই রায়ডাক নদীকে কেন্দ্র করে একটি উদ্যানও তৈরি করা হয়েছে।

বসন্তে বৃষ্টিপাত, তার মধ্যেই ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
বসন্তের সময় বৃষ্টি হওয়ায় জেরবার বাঙালি। তারই মধ্যে পাওয়া গিয়েছে সুখবর। দক্ষিন ২৪ পরগনায় বিভিন্ন নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ঢুকছে বঙ্গোপসাগর থেকে। এদের পেট ডিমে ভর্তি। বারবার ঘূর্ণাবর্ত ও বৃষ্টিপাতের ফলেই ডিমের আবির্ভাব হচ্ছে বলে মনে করছেন মৎসজীবীরা। ডিম পাড়তে ইলিশ মাছেরা বঙ্গোপসাগর থেকে মোহনা হয়ে নদীতে ঢুকে পড়ছে। ডায়মন্ড হারবার, কুলপি, নামখানা, কাকদ্বীপের মতো এলাকায় মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়ছে তারা। ইতিমধ্যে সেই মাছগুলিকে বাজারজাত করাও শুরু হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং-এর আড়তে যে সব ইলিশ আসছে, তাদের ওজন ৮০০ থেকে ১২০০ গ্রামের মধ্যে। খুচরো বাজারে কেজি প্রতি হাজার টাকার মতো দাম পড়ছে এদের। সামনেই দোল। উৎসবের মরশুমে ইলিশ খাওয়ার আনন্দে এখন বাঙালি আত্মহারা। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে ইলিশের জোগান আরও বাড়বে। কিন্তু, তাহলে বর্ষাকালে এই রুপোলি শস্যের ঘাটতি হতে পারে।

নগর সভ্যতার কথাকার দিব্যেন্দু পালিতের আজ জন্মদিন
তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়েছিল আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে। তখন মাত্র ১৬ বছর বয়স তাঁর। সেই থেকে দিব্যেন্দু পালিতের সাহিত্যিক জীবন শুরু। শৈশব এবং কৈশোর ভাগলপুরে কেটেছিল। স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কলকাতায় চলে আসেন। প্রবল দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেন। ইংরেজি দৈনিক ‘হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড’ পত্রিকার সাব-এডিটার হিসেবে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন। ক্ল্যারিয়ন-ম্যাকান অ্যাডভাটাইজিং সার্ভিসেস, আনন্দবাজার সংস্থা, দ্য স্টেটসম্যান-এর মতো সংস্থায় কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন এবং বিপণনের পেশায় থাকার অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন তিনি। নাগরিক সভ্যতার লড়াই, ক্লান্তি, অসহায়তা বারবার তাঁর লেখায় উঠে এসেছে। তাঁর ‘সহযোদ্ধা’, ‘গৃহবন্দি’, ‘অন্তর্ধান’ প্রভৃতি উপন্যাস বা ‘গাভাসকার’, ‘হিন্দু’, ‘জাতীয় পতাকা’ প্রভৃতি ছোটোগল্প মুগ্ধ করেছে পাঠকদের। কবিতা এবং প্রবন্ধেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কারের মতো বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। আজ সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিতের ৮১তম জন্মবার্ষিকী।
